
উত্তর : মতপার্থক্য থাকলেও এরূপ ব্যক্তির জানাযার ছালাতে অংশগ্রহণ করা জায়েয (ইবনুল ক্বাইয়িম, আছ-ছালাত ওয়া আহকামু তারিকিহা পৃ. ৩১)। কারণ সে আল্লাহর একত্ববাদে বিশ্বাসী বলে অনুমিত হয়। এরূপ ছালাত ত্যাগকারী কবীরা গুনাহগার। এজন্য তাকে জাহান্নামে যেতে হবে। তবে খালেছ তাওহীদে বিশ্বাস থাকার কারণে এক সময় জাহান্নাম থেকে মুক্তি পাবে (বুঃ মুঃ মিশকাত হা/৫৫৭৩)। উল্লেখ্য যে, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘বান্দা ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য ছালাত ছেড়ে দেওয়া’ (আবুদাঊদ হা/৪৬৭৮; মিশকাত হা/৫৬৯, সনদ ছহীহ)। অন্য বর্ণনায় আছে, মানুষ ও শিরক-কুফরের মধ্যে পার্থক্য হ’ল ছালাত। কোন বর্ণনায় আছে, ঈমান ও কুফরের মধ্যে পার্থক্য হ’ল ছালাত (ছহীহুত তারগীব হা/৫৬৩)। অন্যত্র রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘বান্দা, কুফর ও ঈমানের মধ্যে পার্থক্য হ’ল ছালাত। যখন সে ছালাত পরিত্যাগ করল, তখন সে শিরক করে ফেলল’ (ছহীহুত তারগীব হা/৫৬৬)। অতএব প্রত্যেক মুসলিমের জন্য আবশ্যক হচ্ছে ছালাতের ব্যাপারে পূর্ণ যত্নবান হওয়া এবং কোন অবস্থাতেই ছালাতের ব্যাপারে শিথিলতা না দেখানো।
প্রশ্নকারী : শাহেদ, রাজশাহী।