উত্তর : আল্লাহর হস্তদ্বয় মানুষের হাতের মত নয়। বরং তাঁর উভয় হাতই ডান, যা বিভিন্ন হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত। মুসলিমের একটিমাত্র বর্ণনায় (মুসলিম হা/২৭৮৮) তাঁর বাম হাতের কথা এসেছে, যা অন্য বর্ণনায় ‘বাম হাতে’র বদলে ‘অন্য হাত’ বলা হয়েছে (আবুদাঊদ হা/৪৭৩২)। এটি স্রেফ মানুষকে বুঝানোর জন্য। অতএব এর অর্থ হবে ‘অন্য হাত’ (আলবানী, মাজাল্লা ইছালা, ৪র্থ সংখ্যা ৬৮ পৃঃ)। এছাড়া বান্দার ক্ষেত্রে ডান হাতের চেয়ে বাম হাতের মর্যাদা কম। যা আল্লাহর ক্ষেত্রে শোভা পায় না (মাজমূ‘ ফাতাওয়া বিন বায ২৫/১২৬)।






প্রশ্ন (২৮/১৮৮) : আমাদের মসজিদটি দো’তলা। যেটুকু জমি তার সবটুকু মসজিদ, ওযূখানা ও টয়লেট-প্রস্রাবখানা। ইমাম ও মুওয়াযযিনের থাকার কোন জায়গা নেই। এক্ষণে মসজিদের ছাদের উপর ইমামের জন্য কোয়ার্টার নির্মাণ করা যাবে কি? - -আবুল কালাম আযাদ, মোল্লাপাড়া, খুলনা।
প্রশ্ন (৩/১২৩) : ক্রোধ নিয়ন্ত্রণের গুরুত্ব ও এর সুফল সম্পর্কে কুরআন ও হাদীছ থেকে জানতে চাই। - -মামূনুর রশীদ, কক্সবাজার।
প্রশ্ন (৪/৪০৪) : ইমাম হিসাবে আমি তারাবীহর ছালাত ২ রাক‘আত করে ১০ রাক‘আত ছালাত আদায় করে ১ রাক‘আত বিতর পড়াই। এ পদ্ধতি সঠিক কি? - -বেলালুদ্দীন, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৬/৩৪৬) : ইমাম যখন সালাম ফিরাবে তখন মুছল্লীরা কি তার জবাব দিবে?
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : জামা‘আতে ছালাতরত অবস্থায় শয়তানের ওয়াসওয়াসা থেকে বাঁচার উপায় কি? - -শাহরিয়ার আব্দুল্লাহ, শিরোইল, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৫/৬৫) : ছিয়াম রাখার পরিবর্তে যে ফিদইয়া দেয়া হয়, তার পরিমাণ কতটুকু এবং কোথায় দিতে হবে?
প্রশ্ন (১৫/২৯৫) : ফরয ছালাত ব্যতীত অন্য ছালাতে কুনূতে নাযেলা পাঠ করা যাবে কি? - -খাদেমুল ইসলাম, জেদ্দা, সঊদীআরব।
প্রশ্নঃ (৯/৪৯) : কোন ব্যক্তি যদি ভুলক্রমে ছালাতের প্রথম বৈঠকে আত্তাহিইয়াতুর সাথে দরূদ ও দো‘আ মাছূরাহ পড়ে নেয়, তাহ’লে ছালাত শেষে তাকে সহো সিজদা দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (২/১৬২) : পানি উঠার ভয়ে ঈদগাহের প্রাচীর উঁচু করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি? - -মাহবূব হাসানআলমডাঙ্গা, চুয়াডাঙ্গা।
প্রশ্ন (৩২/৩৯২) :কালো জাদু কি? কালো জাদু থেকে রক্ষা পেতে হ’লে করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৪/৫৪) : একজন নারীকে আমি মনে মনে পসন্দ করতাম এবং বিবাহের ইচ্ছা পোষণ করতাম। কিন্তু তার অন্যত্র বিবাহ হয়ে যায়। এক্ষণে আমি কি জান্নাতে আমার সাথে তাকে একত্রিত করার ব্যাপারে দো‘আ করতে পারি? - -ইউসুফ শেখ, মুর্শিদাবাদ, ভারত।
প্রশ্ন (৩৩/৪৭৩) : আমার প্রশ্ন`: Google এ একটি একাউন্ট খুলতে হবে। অতঃপর এক হাযার বা তিন হাযার টাকা জমা রাখলে কাজের উপর ভিত্তি করে Google কর্তৃপক্ষ টাকা দিবে। যার একাউন্টে যত টাকা জমা থাকবে সে প্রতি কাজের বিনিময়ে তত বেশী টাকা পাবে। কাজটি হ’ল- Google প্রতিদিন ২০টি পণ্য বিক্রি করবে। শুধুমাত্র সেই পণ্যগুলো Google এ প্রেরণ করতে হবে। তাহ’লে জমাকৃত একাউন্টের টাকার উপর ভিত্তি করে প্রতিদিন তারা অর্থ প্রদান করবে। এক হাযার টাকা একাউন্টে জমা থাকলে ২০টি পণ্য প্রেরণের জন্য তারা ৩৫ টাকা দিবে। আর ১০ বা ২০ হাযার টাকা একাউন্টে জমা থাকলে ২০টি পণ্য প্রেরণের জন্য Google কর্তৃপক্ষ ৮০০ টাকা দিবে। এভাবে অর্থ উপার্জন করা বৈধ হবে কি?
আরও
আরও
.