উত্তর : অবশ্যই। এতে কেবল ছওয়াব প্রাপ্তিই নয় বরং ঋণগ্রস্তকে ছাড় দিলে জান্নাত লাভের কারণ হবে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, ‘কোন ব্যক্তি যদি কোন অভাবগ্রস্ত ব্যক্তিকে অবকাশ দেয় বা তার নিকট পাওনা মাফ করে দেয়, আল্লাহ তা‘আলা ক্বিয়ামতের দিন তাঁর আরশের ছায়ায় তাকে ছায়া দিবেন। যে দিন আল্লাহর ছায়া ছাড়া আর কোন ছায়া থাকবে না’ (তিরমিযী হা/১৩০৬; ছহীহুত তারগীব হা/৯০৯)। আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘একজন মানুষ পুরো জীবন কোন নেক কাজ করেনি। তবে সে লোকদের ঋণ দিত। সে তার প্রতিনিধি বা দূতকে পাঠাত এবং বলত, যা সহজ, তাই গ্রহণ কর, আর যা কঠিন, তা ছেড়ে দাও এবং ক্ষমা কর। হয়ত আল্লাহ আমাদের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করবেন। যখন সেই লোকটি মারা গেল, আল্লাহ তা‘আলা তাকে জিজ্ঞাসা করলেন, তুমি কি কখনও কোন নেক কাজ করেছ? সে বলল, না। কেবল আমার এক চাকর ছিল। আমি লোকদের ঋণ দিতাম। যখন তাকে ঋণ আদায় করার জন্য পাঠাতাম তখন তাকে বলতাম, যা সহজ, তা নাও, আর যা কঠিন, তা ছেড়ে দাও এবং ক্ষমা কর, হয়ত আল্লাহ আমাদের প্রতি ক্ষমা করবেন। তার কথা শুনে আল্লাহ তা‘আলা বলবেন, আমি তোমাকে ক্ষমা করে দিয়েছি’ (নাসাঈ হা/৪৬৯৪; ছহীহুত তারগীব হা/৯০৫)।
প্রশ্নকারী : যাকির হোসাইন, গাইবান্ধা।