উত্তর : তালাকের নিয়ত সহকারে যদি স্বামী এসব কথা বলে এবং সে কারণে স্ত্রী চলে যায় অথবা স্বামীর কথায় সাড়া দিয়ে তালাকে সম্মতি দেয়, তবে এক তালাক হয়ে যাবে। এভাবে স্বামীর কথা বলার অর্থ স্ত্রীকে তালাক গ্রহণের অধিকার দেওয়া। এ অবস্থায় স্ত্রী তালাক গ্রহণ করলে তালাক হয়ে যাবে এবং স্ত্রী তালাক গ্রহণ না করলে তালাক হবে না (মুগনী ৭/৪০৩; ওছায়মীন, আশ-শারহুল মুমতে‘ ১৩/৮৭)

প্রশ্নকারী : দীদারুল আনওয়ার, ঢাকা।








বিষয়সমূহ: বিবাহ ও তালাক
প্রশ্ন (৫/২৪৫) : ছালাতের মধ্যে ‘জান্নাতুল ফেরদাঊস’ প্রার্থনার জন্য মাসনূন কোন দো‘আ আছে কি?
প্রশ্ন (১২/২৯২) : আমি মালয়েশিয়া প্রবাসী। সেদেশে রামাযান শুরু হয় বাংলাদেশের এক দিন পূর্বে। সে হিসাবে বাংলাদেশের একদিন পূর্বে সেখানে ঈদ হবে। এক্ষণে আমি ১৫ই রামাযান দেশে যাবো। সেখানে আমি ঈদ করবো কোন দেশের সাথে?
প্রশ্ন (২৬/১৮৬) : জনৈক ব্যক্তি নিজস্ব অর্থায়নে মসজিদ নির্মাণের পর তার ব্যবসার শুরুটা অবৈধ ছিল বলে জানা যায়। এক্ষণে উক্ত মসজিদে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - -মুরসালীন, মিরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (১/৮১) : জেহরী ছালাতে ইমামের ক্বিরাআতের সময় চুপ করে থাকলে মনোযোগ বিনষ্ট হয়। এসময় দুনিয়াবী চিন্তা আসলে ছালাত কবুল হবে কি? - -মুহাম্মাদ শামসুল হক, ধুনট, বগুড়া।
প্রশ্ন (৩৭/২৭৭) : টিভি ও রেডিওতে কুরআন তেলাওয়াত, কুরআনের তাফসীর ও ইসলামী অনুষ্ঠান শুনলে ছওয়াব পাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২০/১০০) : কা‘বা গৃহের দিকে দৃষ্টিপাত করা কি ইবাদতের অন্তর্ভুক্ত? ছহীহ হাদীছের আলোকে জানতে চাই। - -রায়হান কবীর, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৪/৩১৪) : অধিকাংশ মা ছোট ছেলেমেয়েদের কপালের এক পার্শ্বে কাজলের ফোটা দেয়। এর কোন উদ্দেশ্য আছে কি?
প্রশ্ন (২০/৪৬০) : দুই সিজদার মাঝে পড়ার জন্য প্রচলিত দো‘আটি ছাড়া আর কোন দো‘আ আছে কি?
প্রশ্ন (১৪/১৭৪) : হাদীছে বর্ণিত ‘নারদাশীর’ খেলা দ্বারা নববী যুগে এবং বর্তমান যুগে কোন খেলাকে বুঝানো হয়েছে? - -আব্দুল মান্নান, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৯/১৫৯) : চামড়ার মোযা ব্যতীত সাধারণ অন্যান্য মোযার উপর মাসাহ করা শরী‘আত সম্মত কি? এছাড়া জুতার উপর মাসাহ করা যাবে কি? - -মুহাম্মাদ অনিক*ডিমলা, নীলফামারী।
প্রশ্ন (১৮/১৩৮): ফেরেশতা সম্পর্কে বিস্তারিত জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১/২৮১) : জনৈক লেখক বলেন যে, বাঁশির শব্দে ইবনু ওমর (রাঃ) কানে আঙ্গুল দেয়াতে গান হারাম হয়েছে তা বলা যায় না (সৌভাগ্যের পরশমণি)। আবার রাসূল (ছাঃ) নিজে কানে আঙ্গুল দিয়েছিলেন কিন্তু ইবনু ওমর (রাঃ)-কে তা করতে বলেননি। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও খলীফাদের যুগে বাদ্যযন্ত্র ও গান নিষেধ ছিল না; বরং তা উপভোগ করা হত (তাবারী)। তিনি আরো বলেন, কুরআনে এমন কোন আয়াত নেই যা গানকে হারাম করে। তাই ইবনে হাজার, ইবনু খাল্লিকান, জালালুদ্দীন সুয়ূত্বী, গাযালী প্রমুখ বিদ্বানদের মতে বাদ্যযন্ত্রসহ গান শোনা বৈধ। যদি তা সৎ উদ্দেশ্যে এবং কল্যাণকর কথা হয়। উক্ত দাবীগুলো কি সত্য? সৌভাগ্যের পরশমণি’ এবং ‘এহইয়াউ উলূমিদ্দীন’ বইগুলো কি গ্রহণযোগ্য?
আরও
আরও
.