উত্তর : জিনের সাথে কথা বলা এবং তাদের মাধ্যমে কোন ভালো কাজ করিয়ে নেওয়া জায়েয। তবে হারাম এবং অশ্লীল কাজে তাদের সহযোগিতা নেওয়া বা তাদের বিশ্বাস করা জায়েয নয়। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, এর তিনটি অবস্থা। (১) হারাম কাজে সহযোগিতা : এমন কাজে জিনের সাহায্য নেয়া, যা আল্লাহ হারাম করেছেন। যেমন শিরক করা, অশ্লীলতা বা গর্হিত কাজে লিপ্ত হওয়া কিংবা আল্লাহ সম্পর্কে এমন কথা বলা যা মানব জ্ঞানের বাইরে। (২) জিনকে ব্যবহার করে এমন কাজে সহযোগিতা নেয়া যা শরী‘আতে বৈধ : যেমন নিজের হারানো মাল ফিরিয়ে আনা, এমন কোন সম্পদ খুঁজে বের করা যার কোন নির্দিষ্ট মালিক নেই অথবা এমন কারো হাত থেকে রক্ষা পাওয়া যে তাকে কষ্ট দিচ্ছে। (৩) জিনকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (ছাঃ)-এর আনুগত্যে ব্যবহার করা : অর্থাৎ তাদেরকে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল যা আদেশ করেছেন তাই আদেশ করা এবং যা থেকে নিষেধ করা হয়েছে তা থেকে বারণ করা। এটাই ছিল নবী করীম (ছাঃ) ও সালাফদের অবস্থা। আর এরাই মানবজাতির মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ (মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ১৩/৮৭)

শায়েখ ওছায়মীন (রহঃ) বলেন, ‘যদি কেউ জিনদের আল্লাহর আনুগত্যের কাজে ব্যবহার করে, যেমন তার কোন মুমিন জিন-সঙ্গী থাকে, যে তার কাছ থেকে জ্ঞান গ্রহণ করে এবং সেই জিনকে সে তার জাতির (অর্থাৎ অন্যান্য জিনদের) নিকট শরী‘আতের বার্তা পৌঁছে দিতে ব্যবহার করে অথবা শরী‘আতসম্মত কোন কাজে সহায়তা করতে ব্যবহার করে, তাহ’লে তা প্রশংসনীয় কাজ হিসাবে গণ্য হবে। এটি আল্লাহর দিকে আহবান (দাওয়াত) প্রদানের অন্তর্ভুক্ত। কারণ জিনেরা তো নবী করীম (ছাঃ)-এর নিকট এসেছিল, তিনি তাদের নিকট কুরআন তেলাওয়াত করেছিলেন এবং তারা নিজ জাতির কাছে সতর্ককারী হয়ে ফিরে গিয়েছিল। জিনদের মধ্যেও সৎ লোক, ইবাদতগুযার, দুনিয়াবিমুখ এবং আলেম ব্যক্তি রয়েছে (ফাতাওয়া শায়েখ ইবনু ওছায়মীন ফিল আক্বীদাহ ১/২৯০-২৯১)। তবে শায়েখ বিন বায ও ছালেহ ফাওযানসহ কতিপয় বিদ্বান মনে করেন, জিনের কাছে কোন প্রকারের সহযোগিতা নেওয়া যাবে না। কারণ তাদের মধ্যে কারা সৎ এবং কারা অসৎ তা মানুষের পক্ষে যাচাই করা অসম্ভব (আস-সিহরু ওয়াশ শঊযাতু ৮৬-৮৭ পৃ.; মাজাল্লাতুদ দা‘ওয়াহ, সংখ্যা ১৬০২, রবীউল আউয়াল ১৪১৮ হি. ৩৬ পৃ.)

প্রশ্নকারী : আবুল কালাম, ময়মনসিংহ।








বিষয়সমূহ: জায়েয-নাজায়েয
প্রশ্ন (২৩/৩৮৩) : ছালাতে ভুলের কারণে সহো সিজদা দিতে ভুলে গেলে এবং কয়েকদিন পর তা মনে আসলে কেবল সহো সিজদা দিলেই হবে না পুরো ছালাত আদায় করতে হবে? - -মুহাম্মাদ ফাতেহ, মীরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৬/১০৬) : মুযদালিফায় অবস্থানের বিধান কি? কেউ যদি সেখানে অবস্থান না করে মিনায় চলে আসে তাহ’লে তার হজ্জের বিধান কি হবে?
প্রশ্ন (২৬/২৬) : সাত আসমানের চেয়ে আল্লাহ্র আরশ বড় এবং আরশের চেয়ে আল্লাহ বহুগুণ বড়। এ বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৮/২৮) : কুরআনে ‘বায়‘আত’ নেওয়ার কথা বলা হয়েছে, তা কি মেয়েদের পুরুষের হাতে হাত রেখে বায়‘আত গ্রহণ করার কথা বলা হয়েছে? যদি না হয় তবে কখন কুরআনের সেই আয়াতটি নাযিল হয়েছিল? এর শানে নুযূল কি? বিস্তারিতভাবে জানতে চাই।
প্রশ্ন (১২/৩৭২) : জনৈক আলেম বলেন, মুছাফাহা দুই হাতেই করতে হবে। কারণ ইমাম বুখারী (রাঃ) দুই হাতে মুছাফাহা করার কথা বলেছেন। উক্ত দাবীর সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাই।
প্রশ্ন (১০/১৭০) : ইউরোপে বসবাসকারী নাগরিকরা ক্রিসমাস উপলক্ষে বোনাস পেয়ে থাকে। উক্ত বোনাসের টাকা নিজের জন্য খরচ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/২৩৮) : পুরুষের জন্য হোয়াইট গোল্ড-এর আংটি, ঘড়ি বা অন্য কোন অলংকার ব্যবহার করায় কোন বাধা আছে কি? - মীযানুর রহমান, সিলেট।
প্রশ্ন (২৫/৪২৫) : জনৈক ব্যক্তি ফজরের সময় মসজিদে গিয়ে দেখে জামা‘আত চলছে। এ সময় সে সুন্নাত পড়বে, না জামা‘আতে শরীক হবে? ছালাতের পরে সুন্নাত পড়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৫/২৮৫) : ইমাম বা মসজিদ কমিটির সাথে দ্বন্দ্ব থাকায় নিজ মহল্লার মসজিদ ছেড়ে অপর মহল্লার মসজিদে ছালাত আদায় করা জায়েয হবে কি? - -আব্দুল্লাহ, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (১৬/১৬) : রামাযান মাসে সফর অবস্থায় ছিয়াম পালন থেকে বিরত থাকা যরূরী কি? - -রুস্তম আলী, পুঠিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২২/২২) : ইয়াতীম শিশুর পিতার পক্ষ থেকে প্রাপ্ত সম্পদ কার যিম্মায় থাকবে? মায়ের যিম্মায় থাকবে না দাদা, চাচা বা নানার কাছে?
প্রশ্ন (৩৪/৩৪) : জেহরী ছালাতের ইমামের সূরা ফাতিহা পড়ার পর কেউ জামা‘আতে শামিল হ’লে তার করণীয় কী? সে ইমামের ক্বিরাআত শুনবে না সূরা ফাতিহা পাঠ করবে? - -আহসান তালুকদার, মান্দা, নওগাঁ।
আরও
আরও
.