উত্তর : উক্ত মর্মে বিভিন্ন সূত্রে বর্ণিত একটি আছার পাওয়া যায়, যার দ্বারা উদ্দেশ্য ছাহাবীগণ। আছারটির পূর্ণরূপ হ’ল- ইবনু মাসঊদ (রাঃ) হ’তে বর্ণিত তিনি বলেন, যে ব্যক্তি কারো কোন তরীকা অনুসরণ করতে চায়, সে যেন তাদের পথ অনুসরণ করে যারা দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে। কারণ জীবিত মানুষ (দ্বীনের ব্যাপারে) ফিৎনা হ’তে মুক্ত নয়। আর মৃত ব্যক্তিরা হ’লেন মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর ছাহাবীগণ, যারা পরিচ্ছন্ন অন্তঃকরণ হিসাবে, পরিপূর্ণ জ্ঞানের দিক দিয়ে এবং বাহুল্যবর্জিত হওয়ার দিক থেকে এ উম্মতের সর্বোত্তম মানুষ। আল্লাহ তা‘আলা তাদেরকে তাঁর প্রিয় রাসূলের সাথী ও দ্বীন ক্বায়েমের জন্য মনোনীত করেছিলেন। সুতরাং তোমরা তাদের ফযীলত ও মর্যাদা বুঝে নাও, তাদের পদাংক অনুসরণ করো এবং যথাসাধ্য তাদের আখলাক্ব ও জীবন পদ্ধতি মযবূতভাবে আঁকড়ে ধরো। কারণ তাঁরাই (আল্লাহ ও তাঁর রসূলের নির্দেশিত) ছিরাতুল মুস্তাকীমের পথিক ছিলেন (মু‘জামুল কাবীর হা/৮৭৬৪; মিশকাত হা/১৯৩; মাজমা‘উয যাওয়ায়েদ হা/৮৫০)। আল্লামা হায়ছামী এর সনদ ছহীহ বললেও শায়খ আলবানী এর সূত্রকে যঈফ বলেছেন। তবে ইবনু মাসঊদ ছাড়াও অনুরূপ বক্তব্য বর্ণিত হয়েছে ইবনু ওমর ও হাসান বাছরী থেকে (হিলইয়াতুল আওলিয়া ১/৩০৫; যাম্মুত তা’বীল হা/৬৩)। ইবনু তায়মিয়াহ, শাতেবী প্রমুখ আলেমগণ তাঁদের স্ব স্ব গ্রন্থে আছারটি উল্লেখ করেছেন (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ৪/১৫৮; আল-ই‘তিছাম ২/৮৫২; যাম্মুত তা’বীল হা/৬২, ১/৩২)। সুতরাং মর্মগতভাবে আছারটি ছহীহ।






প্রশ্ন (২৪/২৬৪) : বিবাহের সময় বরকে কবুল না বলে আলহামদুলিল্লাহ বলতে বলা হয়। বরও মুখে কবুল না বলে কবুলের নিয়তে মুখে শুধু আলহামদুলিল্লাহ বলে। অভিভাবক ও সাক্ষীরা বরের সম্মতি ধরতে পেরেছে। এক্ষণে বিবাহ শুদ্ধ হয়েছে কি? নাকি পুনরায় বিবাহের প্রয়োজন আছে? - -আলমগীর, কাহারোল, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১৫/৪৫৫) : এক ব্যক্তি দ্বিতীয় বিবাহের পর দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে সংসার করেননি। পরে দ্বিতীয় স্ত্রী মারা গেলে তিনি প্রথম স্ত্রীকে আবার নিজের কাছে ফিরিয়ে নিতে চান। কিন্তু প্রথম স্ত্রী ফিরে যেতে রাযী নন। উল্লেখ্য, তাঁদের মধ্যে কখনো তালাক হয়নি। এমতাবস্থায় প্রথম স্ত্রী স্বামীর কাছে ফিরে যেতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি গোনাহগার হবেন কি? উভয়ের করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৫/২৩৫) : লেপের মধ্যে হাঁটুর উপর কাপড় উঠে গেলে অথবা অন্য কোন সময় হাঁটুর উপর কাপড় উঠলে ওযূ নষ্ট হবে কি?
প্রশ্ন (২২/৬২) : রাসূল (ছাঃ)-এর বাণী, ‘কালেমা পাঠকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে’ এবং কালেমা পাঠ করা সত্ত্বেও মুশরিক ও মুনাফিকরা জান্নাতে প্রবেশ করবে না’ উভয় বক্তব্যের বৈপরিত্যের সমাধান কি?
প্রশ্ন (২৭/১৪৭) : পুরাতন জিনিস ক্রয় করার পর যদি জানা যায় সেটি চুরি করা মাল, সেক্ষেত্রে তা ফেরৎ দিতে হবে কি? সম্ভব না হ’লে ব্যবহার করা হালাল হবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/৩৪) : কারো মনের অজান্তে মুখ দিয়ে কুফরী বা শিরকী কথা বেরিয়ে গেলে সে কি কাফের বা মুশরিক হিসাবে গণ্য হবে?
প্রশ্ন (৫/১২৫) : ছহীহ বুখারীতে ‘যাকাতুল ফিতর’ ঈদের ছালাতের পূর্বে বণ্টন করার কথা রয়েছে। কিন্তু মাসিক আত-তাহরীকে ছালাতের পরে বন্টন করাকে সুন্নাত বলা হয়েছে। এমতাবস্থায় কোন্টি সঠিক? দলীল ভিত্তিক জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৯/৯) : কায়িক শ্রমরত ঘর্মাক্ত শ্রমিক ছালাতের ওয়াক্ত হয়ে গেলে সময়স্বল্পতার কারণে কেবল ওযূ করে ছালাতে যোগদান করতে পারবে কি, না গোসল করতে হবে? - -ইদ্রীস মিয়া, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৭/১১৭) : অনেক গৃহকর্তা বা কত্রী কাজের মানুষদের সাথে দাস-দাসীর ন্যায় আচরণ করে থাকে এবং তাদের অনেক নীচু পর্যায়ের বলে মনে করে। তাদেরকে নিম্ন মানের পোষাক, খাবার, আবাসস্থল প্রদান করে। এক্ষণে এরূপ আচরণের পরিণাম এবং এদের সাথে আচরণ কেমন হওয়া উচিত সে সম্পর্কে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২/৩৬২) : কোন অমুসলিম ইসলাম গ্রহণ কালে প্রচলিত চারটি কালেমা পাঠ করবে কি?
প্রশ্ন (৫/২৮৫) : একটি ছেলে বোবা অর্থাৎ কথা বলতে পারেন না। সে কিভাবে ছালাত আদায় করবে? - -হুমায়ূন আহমাদ, বেনাপোল, যশোর।
প্রশ্ন (৯/২০৯) : জানাযার দো‘আর মধ্যে সন্তানগণ ‘রাবিবরহামহুমা কামা...’ দো‘আটি পাঠ করতে পারবে কি? বিশেষত ইমামতির সময় এরূপ করা যাবে কি?
আরও
আরও
.