উত্তর : আল্লাহ তা‘আলা আরশে থাকলেও তিনি  জ্ঞান ও দৃষ্টির দিক দিয়ে বান্দার গ্রীবাদেশের রগ অপেক্ষাও নিকটে থাকেন (ক্বাফ ১৬)। আর ঈমানের উচ্চ স্তর হল, ইবাদত সমূহ এই বিশ্বাস নিয়ে করা যে, যেন বান্দা তাঁকে সামনে দেখছে। তা না হলে আল্লাহ যেন বান্দাকে দেখছেন। এটা ঈমানের সর্বনিম্ন স্তর (বুখারী হা/৫০; মুসলিম হা/১০২; মিশকাত হা/২)। সুতরাং আল্লাহ তা‘আলাকে চেনার জন্য মূর্তি সামনে রাখা কুফরী কাজ। আর হিন্দুর বিশ্বাসের সাথে একজন মুসলিমের বিশ্বাসের কিভাবে তুলনা হতে পারে? আল্লাহ তা‘আলা এরশাদ করেন, তাঁর তুলনীয় কিছুই নেই। তিনি সবকিছু শোনেন ও দেখেন’ (শূরা ১১)। হিন্দুরা যে তলা থেকেই পূজা করুক না কেন, তাদের মূর্তি কানেও শুনে না চোখেও দেখে না; কারু উপকার বা ক্ষতি করারও ক্ষমতা রাখে না (ফাতির ১৩ ও ১৪)। অথচ আমাদের আল্লাহ অদৃশ্যে থেকে বান্দার সবকিছু দেখেন ও শোনেন। বস্ত্ততঃ ঈমান বিল-গায়েব মুত্তাক্বীদের উন্নততম গুণ (বাক্বারাহ ৩)। অতএব বিশ্বাস রাখতে হবে যে, বান্দা আল্লাহর সামনে দাঁড়িয়ে ইবাদত করছে।






প্রশ্ন (৩৯/৩১৯) : মাদরাসা বোর্ডের বইয়ে লেখা হয়েছে, ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) ইমাম আওযাঈর কাছে বর্ণনা করেছেন যে, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ছালাতে রাফউল ইয়াদায়েন করেননি। উক্ত হাদীছকে ইমাম আবু হানীফা (রহঃ) ছহীহ মনে করতেন। এর সত্যতা সম্পর্কে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৮/২৮৮) : ওহোদের যুদ্ধে হিন্দা হামযা (রাঃ)-এর কলিজা চিবিয়ে খেয়েছিল মর্মে যে কথা প্রচলিত আছে তা কি সঠিক?
প্রশ্ন (২/৪৪২) : আমরা ‘লাইফ লাইন ফাউন্ডেশন’ নামে একটি সমিতি করে ২৩ জন প্রতিমাসে ১০০০ টাকা করে জমা করি। সেই টাকা দিয়ে আমরা সমাজের বিভিন্ন মানুষকে পণ্য কিনে দেই। ক্রেতা কিস্তিতে কিছু লাভ সহ মূল্য পরিশোধ করে। আমাদের কোন নিজস্ব দোকান নেই। এরূপ করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৩১২) : রোগমুক্তির জন্য কোন আলেমের দেওয়া তাবীয ব্যবহার করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৭২) : জুম‘আর দিন মাথায় পাগড়ী বাঁধা কি সুন্নাত?
প্রশ্ন (১৬/৫৬) : হিন্দুদের বানানো মিষ্টি মুসলমানদের খেতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (১৩/২১৩) : ফরয ছালাতে প্রতিদিন নির্দিষ্ট একটি সূরা পড়া যাবে কি? যেমন ফজরের প্রথম রাক‘আতে সূরা ক্বদর ও দ্বিতীয় রাক‘আতে সূরা কাফিরূণ পড়া। অনুরূপ এশার ছালাতের প্রথম রাক‘আতে সূরা তীন ও ২য় রাক‘আতে সূরা তাকাছুর পড়া।
প্রশ্ন (২৮/৪২৮) : আমরা জানি, মেঘের উপরে থাকে পজিটিভ চার্জ আর নীচে থাকে নেগেটিভ চার্জ। যেহেতু বিপরীতধর্মী চার্জ পরস্পরকে আকর্ষণ করে। তাই এই পজিটিভ চার্জ ও নেগেটিভ চার্জ পরস্পরের সংস্পর্শে আসলে উপর থেকে নীচের দিকে চার্জের নির্গমন ঘটে। এর ফলে শক্তির নিঃসরণ ঘটে, শব্দ হয় ও আলোর ঝলকানি সৃষ্টি হয়। কিন্তু হাদীছে (তিরমিযী হা/৩১১৭) এই শব্দকে ফেরেশতাদের হাকডাক বলা হয়েছে এবং বলা হয়েছে যে, এ হাকডাক দিয়েই মেঘমালাকে নির্দিষ্ট দিকে নিয়ে যাওয়া হয়। এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৭/৩৮৭) : ফাতেমা (রাঃ)-কে কি হত্যা করা হয়েছিল? নাকি তিনি স্বাভাবিক মৃত্যুবরণ করেছিলেন?
প্রশ্ন (৩৮/৩৫৮) : আমাদের এলাকার প্রায় মসজিদে উন্নয়নের জন্য সমাবেশ করা হয় এবং সূদখোর, ঘুষখোর সহ আমভাবে সবার টাকা গ্রহণ করা হয়। আবার উপস্থিত শ্রোতাদের খাবারের ব্যবস্থা উক্ত দানের টাকা থেকেই করা হয়। এক্ষণে সবার টাকা গ্রহণ করা এবং সেই টাকা দিয়ে সবাইকে খাওয়ানো জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১৫/১৭৫) : আমি একটি সরকারী প্রজেক্টে কাজ করি। বাচ্চাদের নাশতা প্রদান করতে হয়। নির্ধারিত সংখ্যায় নাশতা তৈরি করতে হয়। কিন্তু মাঝে মাঝে বাচ্চাদের অনুপস্থিতির কারণে নাশতা থেকে যায়। সেগুলি পরে আর দেয়া সম্ভব হয় না, তাই সেগুলো আমি বাড়িতে নিয়ে যাই, এটা কি আমার জন্য জায়েয হবে?
প্রশ্ন (১০/৪১০) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, ওযূ করার জন্য যে পানির পাত্র ব্যবহার করা হয়, তা পেশাব-পায়খানায় ব্যবহার করলে চল্লিশ দিনের ইবাদত কবুল হবে না। এর কোন ভিত্তি আছে কি?
আরও
আরও
.