উত্তর : স্বামী গোনাহগার হবেন না। কারণ স্বামী যা করেছেন তা শরী‘আত অনুমোদিত। আর যে বিধান আল্লাহ তা‘আলা কুরআনে বৈধ করেছেন তা স্ত্রীর মেনে নিতে না পারা তার ঈমানী দুর্বলতার পরিচয়। মানবীয় কারণে কষ্ট অনুভব করলেও সেটা ধৈর্যের সাথে মেনে নেয়ার মানসিকতা থাকতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘কোন মহিলার জন্য হালাল হবে না তার কোন মুসলিম বোনের তালাক চাওয়া। যাতে করে তার স্বামীর ভাগটুকু পুরোপুরি নিজের আয়ত্বে এসে যায়। কারণ সে তো তাই পাবে যা তার ভাগ্যে লেখা আছে (বুখারী হা/৫১৫২)। অন্য বর্ণনায় রয়েছে, কোন মহিলা যেন অন্য মহিলার তালাক না চায় যাতে করে তার স্বামীর ভাগটুকু পুরোপুরি নিজের আয়ত্বে এসে যায়’ (বুখারী হা/২১৪০; মুসলিম হা/১৪১৩)। অন্যদিকে স্বামীর জন্য নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী তার স্ত্রীদের মধ্যে ইনছাফ করা আবশ্যক। যেমন স্ত্রীর ভরণ-পোষণ ও মৌলিক চাহিদা পূরণ, তার নিকটে রাত্রি যাপন, ভালোবাসা প্রদর্শন ইত্যাদি ক্ষেত্রসমূহে। কারণ নবী করীম (ছাঃ) বলেছেন, ‘কারো যদি দুই স্ত্রী থাকে এবং সে তাদের একজনের দিকে পক্ষপাত করে (অন্যজনের হক পূরণে অবহেলা করে), তবে ক্বিয়ামতের দিনে সে এমন অবস্থায় উপস্থিত হবে যে তার দেহের এক পাশ ধ্বসে পড়বে’ (আবুদাউদ হা/২১৩৩; ছহীহুল জামে‘ হা/৬৫১৫)।
প্রশ্নকারী : জান্নাতী বেগম, নওগাঁ।