উত্তর: স্বামী জীবিত থাকায় এবং সন্তান না থাকায় স্বামী পাবেন মৃত স্ত্রীর মোট সম্পত্তির অর্ধেক। আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমাদের স্ত্রীদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে তোমরা অর্ধেক পাবে, যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে। যদি থাকে, তবে তোমরা সিকি পাবে, তাদের অছিয়ত পূরণ ও ঋণ পরিশোধের পর’ (নিসা ৪/১২)। আর স্ত্রীর পিতা-মাতা জীবিত থাকলে মা পাবেন এক-তৃতীয়াংশ এবং পিতা আছাবা হিসাবে বাকী সম্পত্তি পাবেন। পিতা জীবিত না থাকলে এবং মা ও ভাইয়েরা জীবিত থাকলে মা পাবেন এক-ষষ্টাংশ এবং বাকী সম্পত্তি ভাইয়েরা আছাবা হিসাবে পেয়ে যাবে। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের (মধ্যে মীরাছ বণ্টনের) ব্যাপারে তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান। যদি দুইয়ের অধিক কন্যা হয়, তাহ’লে তারা পরিত্যক্ত সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ পাবে। আর যদি কেবল একজনই কন্যা হয়, তবে তার জন্য অর্ধেক। মৃতের পিতা-মাতার প্রত্যেকে পরিত্যক্ত সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ করে পাবে, যদি মৃতের কোন সন্তান থাকে। আর যদি না থাকে এবং কেবল পিতা-মাতাই ওয়ারিছ হয়, তাহ’লে মা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ। কিন্তু যদি মৃতের ভাইয়েরা থাকে, তাহ’লে মা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ মৃতের অছিয়ত পূরণ করার পর এবং তার ঋণ পরিশোধের পর’ (নিসা ৪/১১)

প্রশ্নকারী : আবুদাঊদ চৌধুরী, কক্সবাজার।








বিষয়সমূহ: মীরাছ
প্রশ্ন (৩০/৩৯০) : আমার ফুফা মৃত্যুর পূর্বে তার সঞ্চিত অর্থ আমার ফুফুর নিকটে রেখে যান। ফুফাতো ভাই-বোনদের মধ্যে বড় ছেলের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। তাই আমার ফুফু উক্ত অর্থ ফিক্সড ডিপোজিট করে তিন মাস পরপর যা সূদ আসে তা বড় ছেলেকে দেন। এজন্য আমার ফুফু বা তা বড় ছেলে গুনাহগার হবেন কি? - -রুবেল, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৩/৪৩৩) : সূরা ইখলাছ প্রতিদিন ২০০ বার ওযূ অবস্থায় পড়ার ১০টি উপকার- ১. আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাগের ৩০০ দরজা বন্ধ করে দিবেন। ২. রহমতের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন। ৩. রিযিকের ৩০০ দরজা খুলে দিবেন। ৪. পরিশ্রম ছাড়া গায়েব থেকে রিযিক পৌঁছে দিবেন। ৫. আল্লাহ তা‘আলা নিজের জ্ঞান থেকে জ্ঞান দিবেন। আপন ধৈর্য থেকে ধৈর্য দিবেন। আপন বুঝ থেকে বুঝ দিবেন। ৬. ৬৬ বার কুরআন খতম করার ছওয়াব দিবেন। ৭. ৫০ বছরের গুনাহ মাফ করে দিবেন। ৮. জান্নাতের মধ্যে ২০টি মহল দিবেন, যেগুলো ইয়াকূত ও মারজানের তৈরী। প্রত্যেক মহলে ৭০ হাযার দরজা থাকবে। ৯. ২০০০ রাক‘আত নফল ছালাত পড়ার ছওয়াব দিবেন। ১০. যখন তিনি মারা যাবেন তখন ১,১০,০০০ ফেরেশতা তার জানাযায় শরীক হবেন। উক্ত বর্ণনার বিশুদ্ধতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৫/১৭৫) : জিনেরা কোথায় বসবাস করে? তাদের মৃত্যু হ’লে কিভাবে দাফন করা হয়?
প্রশ্ন (২৩/৪২৩) : চাচা অন্যায় করার কারণে আমার পিতা দাদার সম্মতিতে দাদার পুরো সম্পদ নিজের নামে করে নিয়েছেন। এখন পিতা মারা যাওয়ার পর চাচাকে সম্পত্তির ভাগ দেওয়া কি আমাদের জন্য আবশ্যক?
প্রশ্ন (১৭/৯৭) : আরশ সম্পর্কে উমাইয়া বিন আবী সালতের যে কবিতা রাসূল (ছাঃ) সত্যায়ন করেছেন (رجل وثور ....إلا معذبة وإلا تجلد) বলে হাদীছে বর্ণিত হয়েছে (আহমাদ হা/২৩১৪, আবু ইয়া‘লা হা/২৪৮২)। হাদীছটির বিশুদ্ধতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৯/১৩৯) : নিয়মিত নেশা করা, কালো খেযাব ব্যবহার করা, টাখনুর নীচে কাপড় পরা প্রভৃতি কবীরা গোনাহে অভ্যস্ত ব্যক্তির জন্য ফরয ইবাদত করার কোন প্রয়োজন আছে কি? - -এম, এ, মুঈদ, ধানমন্ডি, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৯/১৫৯) : আদম (আঃ) আরশের পায়ায় লেখা কালেমা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ দেখে বলেন, আল্লাহ তুমি আমাকে ‘মুহাম্মাদ’ নামের অসীলায় মাফ করে দাও, তখন আল্লাহ তাকে মাফ করেন। একথার কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (২৩/৪৬৩) : আমার বন্ধু নৌবাহিনীতে চাকুরী করে। সেখানে সব দ্বীনী বিধান পালন করা গেলেও দাড়ি রাখা যায় না। রাখলে ছেটে রাখতে হয়। এক্ষণে তার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৩/৩৮৩) : অনেক আলেমকে দেখা যায় তারা অন্য আলেমের ভুল-ত্রুটি জনগণের সামনে তুলে ধরেন, যাতে মানুষ তাদের বিভ্রান্তি থেকে মুক্ত থাকতে পারে। তাতে অন্যেরা বলে থাকেন যে, উনি মানুষের গীবত করেন। সুতরাং ইনি নিজেই তো পাপী। এক্ষণে শরী‘আতে এরূপ গীবতের বিধান কি তা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২১/১০১) : যৌথ ফ্যামিলিতে একত্রে থাকার কারণে পর্দা মেনে চললেও কাজ করার ক্ষেত্রে গায়রে মাহরামের সামনে কনুই পর্যন্ত দুই হাত, পায়ের গোড়ালী বা পাতা ঢেকে রাখা সম্ভব হয় না। এতে আমি গুনাহগার হব কি?
প্রশ্ন (৩০/৩১০) : হযরত আলী (রাঃ) স্বীয় খেলাফতকালে ইলাহ দাবী করায় কয়েকজন যিনদীক্বকে পুড়িয়ে মেরেছিলেন মর্মে বক্তব্যটির কোন ভিত্তি আছে কি? যদি সত্য হয়, তবে বর্তমানে এরূপ করা কি শরী‘আতসম্মত?
প্রশ্ন (৩৯/৭৯) : ঢাকা শহরে বাড়ি করার ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণ না দেখালে সরকারী ট্যাক্সের পরিমাণ অনেক বেড়ে যায়। এক্ষণে সরকারী যুলুম থেকে বাঁচার জন্য ব্যাংক ঋণ নেওয়া জায়েয হবে কি? - -জাহিদুল ইসলাম, কুমারখালী, কুষ্টিয়া।
আরও
আরও
.