উত্তর: স্বামী জীবিত থাকায় এবং সন্তান না থাকায় স্বামী পাবেন মৃত স্ত্রীর মোট সম্পত্তির অর্ধেক। আল্লাহ বলেন, ‘আর তোমাদের স্ত্রীদের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে তোমরা অর্ধেক পাবে, যদি তাদের কোন সন্তান না থাকে। যদি থাকে, তবে তোমরা সিকি পাবে, তাদের অছিয়ত পূরণ ও ঋণ পরিশোধের পর’ (নিসা ৪/১২)। আর স্ত্রীর পিতা-মাতা জীবিত থাকলে মা পাবেন এক-তৃতীয়াংশ এবং পিতা আছাবা হিসাবে বাকী সম্পত্তি পাবেন। পিতা জীবিত না থাকলে এবং মা ও ভাইয়েরা জীবিত থাকলে মা পাবেন এক-ষষ্টাংশ এবং বাকী সম্পত্তি ভাইয়েরা আছাবা হিসাবে পেয়ে যাবে। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ তোমাদের সন্তানদের (মধ্যে মীরাছ বণ্টনের) ব্যাপারে তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন যে, এক পুত্রের অংশ দুই কন্যার অংশের সমান। যদি দুইয়ের অধিক কন্যা হয়, তাহ’লে তারা পরিত্যক্ত সম্পত্তির দুই-তৃতীয়াংশ পাবে। আর যদি কেবল একজনই কন্যা হয়, তবে তার জন্য অর্ধেক। মৃতের পিতা-মাতার প্রত্যেকে পরিত্যক্ত সম্পত্তির ছয় ভাগের এক ভাগ করে পাবে, যদি মৃতের কোন সন্তান থাকে। আর যদি না থাকে এবং কেবল পিতা-মাতাই ওয়ারিছ হয়, তাহ’লে মা পাবে তিন ভাগের এক ভাগ। কিন্তু যদি মৃতের ভাইয়েরা থাকে, তাহ’লে মা পাবে ছয় ভাগের এক ভাগ মৃতের অছিয়ত পূরণ করার পর এবং তার ঋণ পরিশোধের পর’ (নিসা ৪/১১)

প্রশ্নকারী : আবুদাঊদ চৌধুরী, কক্সবাজার।








বিষয়সমূহ: মীরাছ
প্রশ্ন (১৩/৩৭৩) : আমার তিন বছর বয়সে পিতা দ্বিতীয় বিবাহ করে আমার মাকে তালাক দেন। তারপর মা আমাকে এ পর্যন্ত নানা বাড়ি রেখে বড় করে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন। এক্ষেত্রে পিতা কখনো কোন ভূমিকা পালন করেননি। এমনকি আমি যেন তার সম্পদের অংশ না পাই সেজন্য দ্বিতীয় স্ত্রীর কোন ছেলে না থাকায় সকল সম্পদ মেয়েদের নামে রেজিস্ট্রি করে দিয়েছেন। এখন আমার বৃদ্ধ পিতা চান আমি তার দেখাশোনা এবং সার্বিক সহযোগিতা করি। কিন্তু মা চান আমি যেন তা না করি। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৭/১০৭) : এক হায়েয থেকে পরের হায়েয পর্যন্ত স্বামী একাধিকবার তালাক দিলে তা কি এক তালাক গণ্য হবে? আর যদি এক মাসের মধ্যে দুইবার আলাদা দিনে তালাক দিয়ে স্ত্রীকে ফিরিয়ে নেয় এবং এরপর আবার তৃতীয়বার তালাক দেয় (অর্থাৎ তিনটিই এক তোহরে) তাহ’লে কি এটি এক তালাক হবে, না তিন তালাক হবে?
প্রশ্নঃ (১৫/১৭৫) : গরু ও ছাগল খাসী করার শারঈ কোন বিধি-নিষেধ আছে কি?
প্রশ্ন (১২/২৯২) : অজ্ঞাত কোন মহিলার লাশ নদীতে বা সীমান্ত এলাকায় পাওয়া গেলে তার জানাযা পড়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২৫/৬৫) : আমার জানা মতে, আব্দুল্লাহ বিন মাসঊদ (রাঃ) সূরা নাস ও ফালাক্বকে কুরআনের অন্তর্ভুক্ত বলে মনে করতেন না। একজন ছাহাবী কর্তৃক এটা কিভাবে সম্ভব? - -আশরাফ, সোনাতলা, বগুড়া।
প্রশ্ন (১৯/৯৯) : ফরয ছালাতের জন্য ওযূ করে মসজিদে গেলে হজ্জের ছওয়াব পাওয়া যায় মর্মে কোন হাদীছ আছে কি? - -মুরাদ হোসাইন, বাঘা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৮/৬৮) : সূরা ফাতিহা পড়া হয়েছি কি-হয়নি সন্দেহ হ’লে সহো সিজদা বা ছালাত পুনরায় আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩০/৩১০) : তিনি সর্বদা কোন না কোন কাজে রত আছেন (রহমান ২৯)। হে মানুষ ও জিন! আমি শীঘ্রই তোমাদের জন্য কর্ম মুক্ত হব (রহমান ৩১)। উক্ত আয়াতদ্বয়ের ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩১/৩৫১) : প্রচলিত আছে যে, আরশের নীচে রাসূল (ছাঃ)-এর নাম লেখা ছিল। আদম (আঃ) ঐ নামের অসীলায় ক্ষমা পেয়েছিলেন। এ বক্তব্যের কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (২৩/১০৩) : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ খুব জঘন্য। একদিকে হলের বাধ্যতামূলক অসুস্থ রাজনীতি, অন্যদিকে নগ্নতার ছোবল। নাস্তিকতার আগ্রাসন তো আছেই। এমন প্রতিকূল পরিবেশের সাথে লড়াই করা সত্ত্বেও ঈমান হারানোর ঝুঁকি থাকে। এমতাবস্থায় সাধারণভাবে আমল করে টিকে থাকা উত্তম হবে, না ভাল পরিবেশে থাকা উত্তম হবে? এ জন্য অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনা করলে তাক্বদীরের কোন পরিবর্তন হবে কি ?
প্রশ্ন (৭/২৪৭) : সূরা বাক্বারাহর শেষ আয়াত পাঠের পর জোরে আমীন বলার কোন দলীল আছে কি? ছালাতের মধ্যে ইমাম-মুক্তাদী উভয়কেই কি আয়াতের জবাব দিতে হবে?
প্রশ্ন (৩/৪৩) : অনেক ব্যক্তি বলেন, রাসূল (ছাঃ) যেহেতু হিজামা করিয়ে দীনার বা দিরহাম না দিয়ে ২ ছা‘ খাদ্য দিয়েছেন, সুতরাং হিজামা করিয়ে খাদ্যই দেওয়া উচিৎ। এক্ষেত্রে তারা হিজামার খাদ্যের পারিশ্রমিককে ছাদাক্বাতুল ফিৎরের সাথে ক্বিয়াস করেছেন। এ ব্যাপারে কুরআন, সুন্নাহ ও সালাফদের বক্তব্য কি?
আরও
আরও
.