উত্তর : বকেয়া মোহর স্ত্রীর জন্য স্বামীর ঋণস্বরূপ। তাই স্ত্রী মারা গেলেও তাকে মোহরানা প্রদান করতে হবে। আর প্রাপ্ত অর্থ ওয়ারিছরা মীরাছের বিধান অনুপাতে পাবেন (উছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ১৮/১৬; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমা ১৯/৮৬)। এক্ষেত্রে পূর্ব নির্ধারিত মোহরানা পরিশোধ করবে (ইবনু কুদামা, আল-মুগনী, মাসআলা ক্রমিক ৩২৬১, ৪/২৩৯)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, সে ব্যক্তিই উত্তম যে ব্যক্তি ঋণ পরিশোধে উত্তম (বুখারী হা/২৩৯২; মুসলিম হা/১৬০০; মিশকাত হা/২৯০৫)

প্রশ্নকারী : নাছির, বাঘা, রাজশাহী







প্রশ্ন (৬/৩২৬) : ডাক্তারদের জন্য বিভিন্ন ঔষধ কোম্পানী কর্তৃক প্রদত্ত ঔষধের স্যাম্পল ও বিভিন্ন উপহার সামগ্রী গ্রহণ করা ঘুষের অন্তর্ভুক্ত হবে কি? - -ডা. রেযাউল করীম, সিরাজগঞ্জ।
প্রশ্ন (৮/২৮৮) : নাকের সমস্যার কারণে ডাক্তার সবসময় গরম পানি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন। অন্যান্য ছালাতে গরম পানি দিয়ে ওযূ করলেও ফজরের সময় তা সম্ভব হয় না, ঠান্ডা পানি স্পর্শ করলে প্রচন্ড হাঁচি ও সর্দি হয়। এ অবস্থায় তাহাজ্জুদ ও ফজরের ছালাতে তায়াম্মুম করা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (৩০/২৩০) : দো‘আর অর্থ না জানা থাকলে তা দ্বারা আল্লাহর নিকটে কিছু কামনা করলে কবুলযোগ্য হবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৫৩) : মৃত্যুর পূর্বে মৃত্যুকে স্মরণ করার জন্য কবর খনন করে রাখা যাবে কি?
প্রশ্ন (১১/৯১) : কেউ যদি স্ত্রীকে বলে, ‘চলে যাও, তোমাকে আমার প্রয়োজন নেই’। তাহ’লে কি এটা তালাক হয় যাবে? কেনায়া তালাক বলতে কি বুঝায়? - -আব্দুর রশীদ, রংপুর।
প্রশ্ন (৩৪/১১৪) : ঘুমানোর আগে ২১ বার বিসমিল্লাহ পড়ে ঘুমালে আল্লাহ ফেরেশতাদের বলেন, ঐ ব্যক্তির প্রতিটি নিঃশ্বাসে নেকী লেখা হৌক। সত্যতা জানতে চাই। - -আহমাদ আলী, মীরগড়, পঞ্চগড়।
প্রশ্ন (৩০/১৫০) : অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে এসে জনৈক বুযর্গ বলেন, ‘যে ব্যক্তি রোগাক্রান্ত হয়ে মারা যাবে সে শহীদ হয়ে যাবে, কবরের শাস্তি থেকে মুক্তি পাবে এবং সকাল-সন্ধ্যা তাকে জান্নাতের রিযিক দেওয়া হবে’। উক্ত হাদীছের সনদ সম্পর্কে জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩০/৭০) : আমাদের এলাকায় প্রচলিত আছে যে, স্বামী বা পরিবারের অভিভাবক ছালাত আদায় না করলে পরিবারের অন্য সদস্য বিশেষত স্ত্রীর ইবাদত কবুল হবে না। একথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৮/১৫৮) : সমুদ্রে বিভিন্ন ধরনের হিংস্র দাঁত বিশিষ্ট হাঙর বা অন্য মাছ থাকে সেগুলি খাওয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৪০/৩৮০) : জনৈক আলেম বলেন, একজন ছাহাবী রাসূল (ছাঃ)-এর রক্ত পান করেছিলেন। এর কোন সত্যতা আছে কি? - -মুশতাক আহমাদ, আসাম, ভারত।
প্রশ্ন (১৬/২৫৬) : নবী-রাসূল, ছাহাবায়ে কেরাম বা অন্য কোন মানুষের নামের পূর্বে হযরত, জনাব ইত্যাদি শব্দটি ব্যবহার করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৩/৭৩) : আমার পিতা প্রায়ই বলেন, নারী জাতি কোন জাতি না, নারী জাতিকে আমি মানুষই মনে করি না। এরূপ বলা কি সঠিক?
আরও
আরও
.