উত্তর : কাদিয়ানীরা অমুসলিম। কিন্তু তারা নিজেদেরকে ‘মুসলিম জামাত’ বলে দাবী করে এবং মুসলমানদের ধোঁকা দিয়ে তাদের দলে ভিড়ায়। এভাবে শী‘আ ও কাদিয়ানীদের অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম মুসলমানদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রের পিছনে ব্যয় হয়। সুতরাং এদের প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করা থেকে বিরত থাকতে হবে। আল্লাহ বলেন, ‘শয়তানেরা তাদের বন্ধুদের মনে এমন সব কুমন্ত্রণা প্রবেশ করিয়ে দেয়, যেন তারা তোমাদের সাথে ঝগড়া করে। অতএব যদি তোমরা তাদের আনুগত্য কর, তবে তোমরা অবশ্যই মুশরিক হয়ে যাবে’ (আন‘আম ৬/১২১)






প্রশ্ন (৪/৩৬৪) : পানি থাকা অবস্থায় কুলুখ না নিয়ে শুধু পানি নিলে পবিত্রতা অর্জন হবে কি?
প্রশ্ন (১৭/২৯৭) : কুরআনে বলা হয়েছে স্বজাতীয় মহিলা ব্যতীত অন্যদের সামনে পর্দা করতে হবে। এক্ষণে অমুসলিম মহিলাদের সামনে পর্দা করতে হবে কি?
প্রশ্ন (১৯/১৭৯) : জুম‘আ ও যোহর ছালাতের সময় কি একই? যদি তাই হয়, তবে খুৎবা লম্বা না করে জুম‘আর ছালাত আউয়াল ওয়াক্তে আদায় করাই কি উত্তম হবে?
প্রশ্ন (১১/৯১) : আমি একজন পুলিশ। দুর্গাপূজার সময় দায়িত্বরত অবস্থায় মন্দির থেকে প্রদত্ত টিফিন খাওয়া যাবে কি? - -মুহাম্মাদ হেলাল, মুর্শিদাবাদ, ভারত।
প্রশ্ন (১৫/৫৫) : অমুসলিম কেউ মারা গেলে ইন্না লিল্লাহ বলা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৭৬) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) আঙ্গুল ও খাদ্যপাত্র চেটে খাওয়া এবং পাত্র হ’তে খাদ্য পড়ে গেলে উঠিয়ে খাওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন, এর কারণ কি? - -ওবায়দুল্লাহ, ধামরাই, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৪/৩৪৪) : ভুমিকম্প, বন্যা প্রভৃতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় কি দো‘আ পাঠ করা যায়?
প্রশ্ন (৪/৪০৪) : রাস্তার পাশে অবস্থিত গাছে সুবহানাল্লাহ, আল-হামদুলিল্লাহ ও আল্লাহু আকবারের ফেস্টুন টাঙানো যাবে কী?
প্রশ্ন (৩৭/৪৩৭) : ঈদগাহ মাঠ ক্বিবলার দিকে কোনাকুনি হওয়ায় প্রথম সারি ছোট হয়। প্রথম সারি বড় করতে গিয়ে ক্বিবলা একটু পরিবর্তন হয়ে গেছে। তাতে ছালাত হবে কি?
প্রশ্ন (৫/৩২৫) : পুরুষদের জন্য চুল লম্বা রাখা ও বেনী করাতে কোন বাধা আছে কি? - -হামদান, সাহেব বাজার, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৭/৮৭) : বর্তমানে টিভি পর্দায় ইসলামী অনুষ্ঠানের পাশাপাশি বাদ্যযন্ত্রের সাহায্যে সুবহানাল্লাহ, আল-হামদুলিল্লাহ, আল্লাহু আকবার বাজানো হচ্ছে। এটা কি শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
আরও
আরও
.