উত্তর : পবিত্র কুরআন মুমিনদের জন্য রোগ নিরাময়কারী এবং রহমত। সুতরাং উক্ত দো‘আ হতাশা দূর করার জন্য পাঠ করা যায় (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ১০/২৪৪-৪৬; ওছায়মীন, মাজমূ‘ ফাতাওয়া ২/৩৩৭)। দো‘আটি হ’ল- রবেব ইন্নী বিমা আনযালতা ইলাইয়া মিন খায়রিন ফক্বীর’ (হে আমার প্রতিপালক! আমি তোমার পক্ষ হ’তে আমার প্রতি কল্যাণ নাযিলের মুখাপেক্ষী) (ক্বাছাছ ২৮/২৪)। আল্লাহ বলেন, ‘আর আমরা কুরআন নাযিল করি, যা বিশ্বাসীদের জন্য আরোগ্য ও রহমত স্বরূপ’ (ইসরা ১৭/৮২)। অতএব উক্ত আয়াতটি দো‘আ হিসাবে পাঠ করা যাবে।

প্রশ্নকারী : হাসীবুর রশীদ, কাদিরগঞ্জ, রাজশাহী।








প্রশ্ন (১/১৬১) : ‘ক্বিয়ামতের দিন সূর্য সোয়া হাত নীচে নেমে আসবে’ হাদীছের এই বাণীটির যৌক্তিকতা ও ওলামায়ে কেরামের ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২২/২৬২) : কেউ যদি দ্বীনী বিধি-বিধান সম্পর্কে জ্ঞানার্জনে গাফেলতি করে, তবে তাকে বাধ্য করে দ্বীন শেখানো যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৩৬) : জনৈক আলেম বলেন, এ শতাব্দীর শেষের দিকে ক্বিয়ামত সংঘটিত হবে, যা বেশ কিছু বর্ণনা দ্বারা প্রমাণিত। এর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৯/৩০৯) : সন্তান যদি মায়ের সাথে মন্দ ব্যবহার করে তবে উক্ত মায়ের করণীয় কি?
প্রশ্ন (৪/২৮৪) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, আব্দুল্লাহ ইবনু ‘আমর (রাঃ) ইফতারের সময় তার সন্তানদের সাথে নিয়ে মুনাজাত করতেন। এর সত্যতা আছে কি? - -ছফিউল্লাহ, গুরুদাসপুর, নাটোর।
প্রশ্ন (৪০/১২০) : পোলট্রি মুরগী, মাছ, কোয়েল পাখি, হাঁস ইত্যাদি খামারের যাকাত কিভাবে দিতে হবে?
প্রশ্ন (১৮/৫৮) : আমার পিতা বৃদ্ধ মানুষ। সর্বদা অসৎ কর্মকান্ডে জড়িয়ে থাকে এবং প্রচুর অর্থ নষ্ট করে। আমরা তাকে সৎ পথে ফিরে আসার কথা বললেই বিভিন্নভাবে অভিশাপ দেয়। এমতাবস্থায় আমাদের করণীয় কী?
প্রশ্ন (২১/২৬১) : জুম‘আর খুৎবার সময় সামনে উঁচু ডেস্ক থাকায় সেখানে হাত এবং নোট রেখে বক্তব্য দেওয়ায় লাঠি রাখা কঠিন হয়। এক্ষণে সামনে টেবিল থাকা সত্ত্বেও লাঠি হাতে থাকতে হবে কি?
প্রশ্ন (৫/৩৬৫): মসজিদে বা রাস্তায় ঈদের বা জানাযার ছালাত আদায়ে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৫/৩৫) : প্রতিপালনের উদ্দেশ্যে কুকুর, বিড়াল, পাখি বা অন্যান্য প্রাণীর ব্যবসা করা বৈধ কি? - -আসাদুল্লাহ, সাহেব বাজার, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৫/২৬৫) : আমি একটি মুরগীর খামারে কাজ করি। খামারে কিছু মুরগী অসুস্থ হ’লে সেগুলো ইচ্ছাকৃতভাবে মেরে ফেলতে হয়। এভাবে মুরগী মেরে ফেলা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৪৭৮) : সকাল ও সন্ধ্যায় তিনবার সূরা ইখলাছ, ফালাক্ব ও নাস পাঠ করলে তা তার সকল বিপদাপদ থেকে রক্ষার জন্য যথেষ্ট হবে। এক্ষণে তিন বার পাঠ করার পদ্ধতি কি?
আরও
আরও
.