উত্তর : এ ধরনের বাক্য মূলতঃ আরবী বাকরীতি। এর দ্বারা নিগূঢ় ভালবাসা ও আনুগত্য প্রকাশ করা হয় মাত্র। ছাহাবীগণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে কোন কথা বলতে চাইলে এ ধরনের বাক্য ব্যবহার করে তাঁকে নিজের দিকে আকৃষ্ট করতে চাইতেন এবং আনুগত্য প্রকাশ করতেন। সাথে সাথে ‘আমার পিতা-মাতাকে আপনার জন্য ফিদইয়া বা মুক্তিপণ দিতে রাযী আছি’ একথা বুঝাতেন (ফাৎহুল বারী, ‘মানাক্বিব’ অধ্যায়, ১৩ অনুচ্ছেদ হা/৩৭২৮-এর ব্যাখ্যা)। এছাড়া রাসূল (ছাঃ)ও কখনো কখনো কোন ছাহাবীর উদ্দেশ্যে এরূপ বাক্য ব্যবহার করেছেন। যেমন ওহোদ যুদ্ধের দিন তিনি সা‘দ বিন আবু ওয়াকক্বাছ (রাঃ)-কে উদ্দেশ্য করে বলেন, আমার পিতা-মাতা তোমার জন্য উৎসর্গিত হৌন, তুমি তীর নিক্ষেপ কর (বুখারী হা/৪০৫৯; মুসলিম হা/২৪১১; মিশকাত হা/৬১০৩; সীরাতুর রাসূল (ছাঃ), ৩য় মুদ্রণ  পৃ. ৩৬০ টীকা-৪৮৭)






প্রশ্ন (১১/১১) : যাকাতের অর্থ মসজিদ নির্মাণের কাজে ব্যয় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৬/১৮৬) : ক্যাফেইন কি হারাম ও নেশাদার খাদ্য? যদি হয় তবে খাবারে কতটুকু ক্যাফেইন থাকলে তা খাওয়া যাবে না?
প্রশ্ন (২০/৩০০) : ছিয়াম অবস্থায় চোখে, কানে বা নাকে ড্রপ দেওয়া যাবে কি? - -নাসরীন সুলতানা, নওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩/৪৩) : হজ্জ বা ওমরা করতে গিয়ে এক ব্যক্তি একাধিক ওমরা করতে পারবে কি? যেমন ওমরা করে মদীনায় গেল। ফিরে এসে আবার ওমরা করল এমনটি করতে পারবে কি? কিংবা একই ব্যক্তি বিভিন্ন ব্যক্তির নামে ওমরা ও ত্বওয়াফ করতে পারে কি?
প্রশ্ন (১২/২৫২) : ইমাম গাযালী (রহঃ) ও তাঁর লেখনী সম্পর্কে জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৮/৪৮) : কোন মহিলা ঋতুস্রাবের ব্যথা কিংবা রক্ত আসছে অনুভব করলে এবং সূর্যাস্তের পূর্বে রক্ত দেখা না গেলে তার ছিয়াম শুদ্ধ হবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩১৮) : মসজিদে প্রবেশকালে উচ্চৈস্বরে সালাম প্রদান করা যাবে কি? - -সিরাজুল ইসলাম, বাগানগাছি, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১৯/১৯) : দোতলা মসজিদের নীচের তলা মার্কেট করা যায় কি?
প্রশ্ন (৩৮/৪৭৮) : ইমাম ছাহেব অসুস্থ হওয়ার কারণে বসে ছালাত আদায় করতে পারবেন কি? যদি পারেন তবে মুছল্লীরাও কি বসে ছালাত আদায় করবেন? - -আব্দুল্লাহিল কাফী, মহিষবাথান, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৭/৪১৭) : পবিত্র কুরআনে স্বামী ও স্ত্রীকে পরস্পরের পোষাক বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে। এর ব্যাখ্যা কি?
প্রশ্ন (১/৪৪১) : নফল ছিয়াম শুরু করে কোন কারণে ভেঙ্গে ফেললে পরে তার ক্বাযা আদায় করা ওয়াজিব কি?
প্রশ্ন (৩০/৩০) : কেউ ১ ওয়াক্ত ছালাত ইচ্ছাকৃতভাবে পরিত্যাগ করলে সে কাফের হিসাবে গণ্য হবে বলে জানি। কিন্তু কেউ এরূপ কাজ করে আবার ফিরে আসলে তার জন্য কি তওবা, কালেমা পাঠ ও গোসল করা আবশ্যক হবে?
আরও
আরও
.