উত্তর : পিতার সাথে যোগাযোগ করে তার অনুমতি নিয়েই মেয়ের বিবাহ দিতে হবে। আর পিতা মেয়ের খরচ দেয়া বা দেখা-শোনা না করার জন্য গুনাহগার হবেন। উল্লেখ্য যে, স্ত্রী তালাকপ্রাপ্তা হয়ে আদালত কর্তৃক কন্যা সন্তানের দায়িত্ব পেয়ে গেলেও বিবাহের ক্ষেত্রে পিতা বা তার অবর্তমানে পিতার নিকটতম আত্মীয়রা অভিভাবক হবে। যদি কাউকে না পাওয়া যায়, তবে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি অভিভাবক হবেন। উল্লেখ্য যে, মা, মামা বা নানা তাদের মেয়ে, নাতনী বা ভাগ্নীর বিবাহে অভিভাবক হ’তে পারবে না (ইজলী, হাশিয়াতুল জামাল ৪/৫২২; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়া ৫/৪৬)

প্রশ্নকারী : নাঈমা সুলতানা, কলারোয়া, সাতক্ষীরা।








বিষয়সমূহ: বিবাহ ও তালাক
প্রশ্ন (২৯/৩৮৯) : স্ত্রীর পরিবার বা তার আত্মীয়-স্বজনের প্রতি স্বামীর কি দায়িত্ব রয়েছে?
প্রশ্ন (২৪/২৬৪) : আমি হিন্দু পরিবারে জন্মগ্রহণ করি। দু’বছর পূর্বে গোপনে ইসলাম গ্রহণ করেছি। কিন্তু নিরাপত্তার কারণে পর্দা করতে ও ছিয়াম পালন করতে পারি না। বরং অন্য সময়ে আমি ছিয়ামের কাযা আদায় করে নিই। এক্ষণে আমার এই ধরনের কাজ কি সঠিক হচ্ছে?
প্রশ্ন (১৫/৯৫) : ক্ষুদ্র ঋণদাতা প্রতিষ্ঠানে স্বাস্থ্যকর্মী হিসাবে চাকুরী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/২৩৬) : আমার প্রাকৃতিক উপায়ে গরু মোটাতাজাকরণ খামার আছে। সেখানে বর্তমানে প্রায় ৫ লাখ টাকা মূল্যের গরু আছে। কিন্তু এ থেকে আয়ের পরিমাণ অনেক কম। এক্ষণে আমি যাকাত বের করব কিভাবে?
প্রশ্ন (১১/৩৭১) : ছালাতের মধ্যে কোথায় হাত বাঁধতে হবে?
প্রশ্ন (২৬/৬৬) : মসজিদের মধ্যে প্রতি ঘণ্টায় ঘণ্টাধ্বনি বাজানো ঘড়ি রাখা যাবে কি? - -রাশেদুল ইসলামবিরল, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (৩৪/৩১৪) : আল্লাহ বলেন, তোমাদের উপর যেসব বিপদাপদ আসে তা তোমাদেরই কর্মফল। অন্যদিকে হাদীছে এসেছে নবীগণ সবচেয়ে বিপদগ্রস্ত। এক্ষণে এর হিকমত কি?
প্রশ্ন (৩৩/২৩৩) : মসজিদে বারান্দায় আকীকার পশু যবেহ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৫/৪৭৫) : মৃত ব্যক্তির নামে মসজিদে ধনী-গরীব সম্মিলিতভাবে সবাইকে খাওয়ানো যাবে কি?
প্রশ্ন (৩২/৩১২) : রামাযান মাসে পিল খেয়ে ঋতু বন্ধ রেখে ছিয়াম পালন করা যাবে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, মিরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৬/১৮৬) : পৃথক প্রাচীর থাকা সত্ত্বেও মসজিদের পশ্চিম দিকে কবর থাকলে উক্ত মসজিদে ছালাত হবে কি? আর মসজিদ থেকে কবরস্থান কতটুকু দূরে থাকা আবশ্যক? মসজিদ পাঁচতলা থাকলে কবরস্থানের দেওয়ালও পাঁচতলা সমান উঁচু করতে হবে কি?
প্রশ্ন (২৪/১০৪) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ছাঃ) সূরা ফাতিহা পড়ার পর মাঝে মাঝে জোরে আমীন বলতেন লোকদেরকে এ ব্যাপারে জানানোর জন্য। এটা তার সবসময়কার আমল ছিল না। একথার সত্যতা জানতে চাই। - -ছদরুদ্দীন, জামালপুর।
আরও
আরও
.