উত্তর : ইফতারের পর ও সাহারীর পূর্বে ইনসুলিন নেওয়াই উত্তম। যদি এরপরেও প্রয়োজন হয়, সেটা দিনের বেলায় ছিয়াম অবস্থায় নিতে পারে। কেননা ইনসুলিন গ্রহণ করা ছিয়াম ভঙ্গের কারণ নয়। আর এটি কোন খাদ্য নয়। অনুরূপ হাঁপানী রোগের জন্য ছিয়াম অবস্থায় ‘ইনহেলার’ নেওয়া যায় (ইবনু তায়মিয়াহ, মাজমূউল ফাতাওয়া ২৫/২৪৫; মাজাল্লাতু মাজমাইল ফিক্বহিল ইসলামী ১০/৯১৩; উছায়মীন, মাজমূফাতাওয়া ১৯/১৯৬-৯৯)

 প্রশ্নকারী : আযীযবছরাইরাক।






বিষয়সমূহ: ছিয়াম-রামাযান
প্রশ্ন (৩৩/৩৯৩) : ইহরাম বাঁধার নিয়ম বিস্তারিত জানতে চাই। - আবু যায়েদ, বাসাইল, টাঙ্গাইল।
প্রশ্ন (৮/৮) : সমাজে দেখা যায়, খুশীর সংবাদে অনেকেই মিষ্টি বিতরণ করে। এটা জায়েয হবে কি? - -শরীফ আহমাদএনায়েতপুর, সিরাজগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৩/৬৩) : আমি বিশ্ববিদ্যালয়ে মহিলা শিক্ষিকার ক্লাস কিভাবে করব? শিক্ষিকার চোখে চোখ রেখে ক্লাস করা যাবে কি? তাদেরকে বিভিন্ন প্রশ্ন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৭/১৬৭) : আমাদের এলাকায় খুৎবার পূর্বে একজন বাংলায় বয়ান করেন। অতঃপর খত্বীব ছাহেব কেবল আরবী খুৎবা পাঠ করেন। এটি শরী‘আতসম্মত হবে কি? - -আব্দুল হামীদ, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৬/১০৬) : রামাযানে হাফেয ছাহেবদের পিছনে ৩০ পারা কুরআন তেলাওয়াত শোনার জন্য ২০ রাক‘আত তারাবীহর জামা‘আতে শরীক হয়ে সুন্নাত হিসাবে ৮ রাক‘আত এবং নফল হিসাবে ১২ রাক‘আত করেছি। উক্ত নিয়ত বৈধ হবে?
প্রশ্ন (৩৭/৩১৭) : আমার তিনটি সন্তানই সিজারের মাধ্যমে হওয়ায় চতুর্থ সন্তান নেওয়া স্ত্রীর জন্য খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু অসাবধানতাবশতঃ বর্তমানে সে গর্ভবতী হয়ে পড়েছে। এক্ষণে এমআর (গর্ভপাত) করা কি জায়েয হবে? কোন কোন আলেম বলেছেন, ৪ মাস অতিক্রান্ত হলে গর্ভপাত করা যাবে না। এর কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (২৮/২৬৮) : আব্দুল্লাহ ইবনু ওমর (রাঃ) গোঁফ এত ছোট করতেন যে চামড়ার শুভ্রতা দেখা যেত। তিনি গোঁফ ও দাড়ির মধ্যবর্তী স্থানের লোম কেটে ফেলতেন (বুখারী)। আমরা এর বিপরীত করি কেন?
প্রশ্ন (২৩/৩০৩) : ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় না খেয়ে ছিয়াম রাখায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি? - -কামালুদ্দীন, কুলসোনা, বর্ধমান, পঃ বঙ্গ, ভারত।
প্রশ্ন (১৩/৯৩) :জেনে শুনে গানের অনুষ্ঠানের জন্য মাইক ও সাউন্ডবক্স ভাড়া দেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩১/১১১) : কোন কারণবশতঃ বিবাহের অলীমা ইজাব-কবূলের কিছুদিন পরে করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩২/১১২) : তাবেঈ ইয়ালা ইবনে শাদ্দাদ তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, একদা আমরা আল্লাহর রাসূল (ছাঃ)-এর নিকট ছিলাম। এমন সময় তিনি বললেন, তোমরা হাত উঠিয়ে ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লা-হু’ বল। তখন আমরা সবাই হাত উঠালাম। একটু পরে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হাত নামালেন। এ হাদীছটি কি ছহীহ? (মাওলানা আলীমুদ্দীন, কিতাবুদ দু‘আ, পৃঃ ৭২)। এর ভিত্তিতে কি বিভিন্ন স্থানে দলবদ্ধ ভাবে হাত তুলে দো‘আ করা যাবে?
প্রশ্ন (২৪/২২৪) : ইতিহাসে পাওয়া যায় যে, ওমর (রাঃ) শিফা নাম্নী জনৈকা মহিলা ছাহাবীকে বাযারের অবস্থা পর্যবেক্ষণের জন্য দায়িত্বশীল নিয়োগ করেছিলেন। এই ঘটনা কি সত্য? - -মাহমূদুর রহমান, তালা, সাতক্ষীরা
আরও
আরও
.