উত্তর : ইস্তিখারাহ ঐ ছালাতকে বলা হয়, যার মাধ্যমে দোদুল্যমান বিষয়ে আল্লাহর নিকটে ফয়ছালা কামনা করা হয়।  যে বিষয়ের পরিণতি সম্পর্কে বান্দা অজ্ঞাত, এর মাধ্যমে সে বিষয়ে সঠিক সিদ্ধান্তের ইঙ্গিত পাওয়া যায়। জাবের বিন আব্দুল্লাহ (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) আমাদেরকে সকল বিষয়ে ইস্তিখারাহ করার শিক্ষা দিতেন, যেভাবে তিনি কুরআনের সূরাসমূহ শিক্ষা দিতেন (বুখারী হা/৬৩৮২)

ইস্তিখারাহ সকল কর্মকান্ডে সফলতা অর্জনের সর্বোত্তম উপায়। এর মাধ্যমে মানুষ নিজেকে কেবল আল্লাহর উপর সঁপে দেয়। অতঃপর তাঁর সিদ্ধান্তের উপর সন্তুষ্ট হয়। বস্ত্ততঃ এ দু’টি বিষয়ের উপরেই মানুষের হৃদয়ের প্রশান্তি নির্ভর করে এবং এদু’টিই হ’ল তার সৌভাগ্যের সোপান। বান্দা যখন পূর্ণ ঈমানের সাথে কোন বিষয়ে আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করে, তাতে তিনি সাড়া দেন। তাই ইস্তিখারাকে কেবল গুরুত্বপূর্ণ ও স্বল্প পরিসরের মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে সকল দোদুল্যমান বিষয়ে পূর্ণ আস্থার সাথে ইস্তিখারাহ করা বান্দার জন্য কর্তব্য।






প্রশ্ন (১২/২৫২) : বাজারে মুরগী বা গরুর গোশত বিক্রেতারা মুসলিম হ’লেও যবহকালে বিসমিল্লাহ বলেছে কি-না সে ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়া যায় না। এক্ষেত্রে আমাদের করণীয় কি? - কাওছার আলী চারঘাট, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৩/৬৩) : জনৈক বক্তা বলেন, সূরা বাক্বারায় এমন একটি আয়াত আছে যা লিখে ঘুমন্ত স্ত্রীর বুকের উপর দিলে তার জীবনের অপসন্দ কর্মগুলো সব বলে দিবে। আয়াতটি কত নম্বর?
প্রশ্ন (২৯/১৮৯) : আমাদের এলাকার অধিকাংশ মানুষ জমি বন্ধক রাখে। ৫০,০০০ টাকায় ১ বিঘা জমি নেয়। মূল টাকা ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত জমির পুরা ফসল গ্রহীতা ভোগ করে। আবার টাকা ফেরত নেওয়ার সময় পুরা টাকাই ফেরত নেয়। এগুলো কি সূদের অন্তর্ভুক্ত? এদের ইবাদত কবুল হবে কি?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (২০/৪২০) : রাসূল (ছাঃ)-এর উপর দরূদ পড়ার সময় সাইয়িদিনা বলা যাবে কি?
প্রশ্ন (৭/৮৭) : ব্যবসার ক্ষেত্রে সামান্য মিথ্যা বলা যাবে কি? যেমন কোন পণ্য ৫০ টাকা দিয়ে কেনা থাকলেও বিক্রি করার সময় ১০০ টাকার উপরে কেনা আছে এরূপ বলা যাবে কি? - -মোকাদ্দেস হোসাইন, পাঙ্গাশী, সিরাজগঞ্জ।
প্রশ্ন (১২/১৭২) : আমরা মোবাইলে কথা শেষে, কাউকে বিদায়ের সময় বা কোথাও থেকে চলে আসার সময় ‘আল্লাহ হাফেয’ বলে থাকি। এটা সুন্নাতসম্মত কি?
প্রশ্ন (১৭/৩৭৭) : আমার আত্মীয়-স্বজন ছালাত ছিয়াম আদায় করে না। এ ব্যাপারে কিছু বললে বিরূপ মন্তব্য করে। এমতাবস্থায় তাদের সাথে সম্পর্ক রাখা যাবে কি? অথবা তাদের বিপদে সাহায্য না করলে গুনাহগার হতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩/৩২৩) : জমি বিক্রয়ের বায়নাচুক্তির পর জমি না দিয়ে কয়েক বছর পর উক্ত বায়নামূল্য ফিরিয়ে দিতে চাইলে, ক্রেতা তা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। ক্রেতার জীবদ্দশায় তার সন্তানরা তা ফিরিয়ে নেওয়ার ইচ্ছা পোষণ করছে। এক্ষণে ক্রেতার অস্বীকৃতি সত্ত্বেও সন্তানরা তা নিলে বিক্রেতা কি তার পাপ থেকে মুক্তি লাভ করবে?
প্রশ্ন (২/২৪২) : দুই তলাবিশিষ্ট মসজিদের ২য় তলায় ছালাতের স্থান এবং নীচতলা ছাত্রাবাসে পরিণত করা জায়েয হবে কি? - -মসজিদ কমিটির সদস্যবৃন্দরাজারবাগান, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (২৪/২৬৪) : কুরআন ও ছহীহ হাদীছের অনুসারী না হ’লে সে কি স্থায়ী না অস্থায়ী জাহান্নামীদের অন্তর্ভুক্ত হবে?
প্রশ্ন (১/৪৪১) : হানাফী বিদ্বান আব্দুল হাই লাক্ষ্ণোভী একত্রে তিন তালাক সম্পর্কে যে ফৎওয়াটি দিয়েছেন তা বিস্তারিত জানতে চাই। - -আব্দুর রঊফ, গফরগাঁও, ময়মনসিংহ।
আরও
আরও
.