উত্তর : প্রতি আরবী মাসের মধ্যবর্তী ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ, আইয়ামে বীয-এর ৩ দিন ছিয়াম পালন করা মুস্তাহাব (তিরমিযী হা/৭৬১, নাসাঈ হা/২৪২৪; মিশকাত হা/২০৫৭)। তবে কোন সমস্যা থাকলে মাসের অন্য যেকোন দিনেও রাখতে পারে। যেমন আয়েশা (রাঃ)-এর কাছে জানতে চাওয়া হ’ল যে, রাসূল (ছাঃ) কি প্রতি মাসে তিন দিন ছিয়াম পালন করতেন? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আমি পুনরায় তাকে জিজ্ঞেস করলাম, মাসের কোন কোন দিন তিনি ছিয়াম পালন করতেন? তিনি বললেন, রাসূল (ছাঃ) মাসের যে কোন দিন ছিয়াম পালন করতে দ্বিধা করতেন না (মুসলিম হা/১১০৭; মিশকাত হা/২০৪৬)। ইমাম নববী বলেন, উক্ত তিন দিন ছিয়াম রাখা মুস্তাহাব হওয়ার ব্যাপারে বিদ্বানগণের ঐক্যমত রয়েছে। তবে ঐ তিন দিন নির্দিষ্ট করার ব্যাপারে মতভেদ রয়েছে। জমহূর বিদ্বানগণ ১৩, ১৪, ১৫ তিন দিন নির্দিষ্ট করার পক্ষে মত প্রকাশ করেছেন (মির‘আত হা/২০৭৭ -এর আলোচনা দ্রষ্টব্য)।






প্রশ্ন (১৪/২১৪) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, কুরবানীর ৩ দিন হাঁস-মুরগী যবেহ করা কিংবা গোশত কিনে খাওয়া হারাম। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৬/১৬) : আমি সঊদী আরবে কোম্পানীর মাল ক্রয়ের কাজ করি। বিল পরিশোধের পর কোন কোন দোকান থেকে আমাকে কিছু টাকা দিয়ে বলে এটা আপনার জন্য হাদিয়া। এটা আমার জন্য জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/২৩৪) : জনৈক আলেম বলেন, ‘আল-হামদুলিল্লাহিল্লাযী আত্ব‘আমানা...’ মর্মে খাওয়ার পরের দো‘আটি যঈফ। তাহলে ছহীহ দো‘আ কী?
প্রশ্ন (২/৩৬২) : স্ত্রী আমার চাহিদা মোতাবেক আমার সাথে নির্জনবাস করে না। বরং তার চাহিদা মত আমাকে তার কাছে যেতে হয়। এরূপ কারণে স্ত্রীকে তালাক দেয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৬/৩৬৬) : আমাদের এলাকায় কেউ কেউ ৪০ দিনের জন্য ই‘তিকাফে বসে। এরূপ বিধান শরী‘আতে আছে কি? - -আমীনুল ইসলাম, নালবাড়ী, আসাম, ভারত।
প্রশ্ন (২/১৬২) : জেনে-শুনে সুদ-ঘুষ গ্রহীতা, মদ বিক্রেতা ইত্যাদি হারাম উপার্জন কারী ব্যক্তিদের অর্থ মসজিদ নির্মাণের জন্য গ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৪০/৪০০) : ছাহাবী মু‘আয বিন জাবাল (রাঃ) কি তাঁর পরিবারের জন্য মহামারীর আক্রমণ প্রার্থনা করেছিলেন?
প্রশ্ন (২৬/২২৬) : আর-রাহীকুল মাখতূম গ্রন্থের ২৬৭ পৃঃ বলা হয়েছে, ‘আমার পূর্বে এমন এক যুবককে নবী হিসাবে পাঠানো হয়েছে যার উম্মতের সংখ্যা আমার উম্মতের তুলনায় অধিক হবে’। এখানে যুবক বলে কোন নবীকে বুঝানো হয়েছে?
প্রশ্ন (৩৭/৪৭৭) : শাওয়াল মাসের ছিয়াম ধারাবাহিকভাবে রাখতে হবে কি? এছাড়া কারণবশতঃ এ মাসের মধ্যে সবকয়টি রাখা সম্ভব না হলে পরের মাসে ক্বাযা আদায় করা যাবে কি? - -আব্দুর রাযযাক, নশীপুর, বগুড়া।
প্রশ্ন (১৯/৯৯) : আমি একজন রাজমিস্ত্রী। অনেক সময় হিন্দুর বাড়ীতে কাজ করতে হয়। তখন খাওয়ার প্রয়োজন পড়ে। তাদের বাড়ীতে খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৫/১৩৫) : জনৈক আলেম বলেছেন, যে ব্যক্তির ইজতিহাদ করার যোগ্যতা নেই, তার জন্য মাযহাব মানা জায়েয। এ বিষয়ে সঠিক বিধান কি?
প্রশ্ন (৪০/৪০) : গ্রামে গেলে বিভিন্ন স্থানে পড়ে থাকা ব্যক্তি মালিকানাধীন ফল আমরা খেয়ে থাকি। এটা কতটুকু জায়েয হবে? - -সোহেল রানাতেরখাদিয়া, রাজশাহী।
আরও
আরও
.