উত্তর : অনুরূপ বর্ণনা ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব ও আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে। ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) বলেছেন, ইমাম চারটি বিষয় নিঃশব্দে পড়বে। আঊযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ, আমীন ও রববানা লাকাল হামদ (ইবনু হযম, মুহাল্লা ২/২৯৪)। বর্ণনাটির পূর্ণ সনদ না থাকায় তা গ্রহণযোগ্য নয়।

আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ বলেছেন, ইমাম তিনটি বিষয় নিঃশব্দে পড়বে। আঊযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ এবং আমীন (ইবনু হাযম, মুহাল্লা ২/২৯৪)। উক্ত বর্ণনার কোন সনদ নেই। তাছাড়া ইব্রাহীম নাখঈ তাদলীস করেছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয় (ত্বাবাক্বাতুল মুদাল্লিসীন, জীবনী নং ৩৫)। ইবনু হযম উক্ত বর্ণনা উল্লেখ করার পর বলেছেন ইমাম আবু হানীফা ও সুফিয়ান ছাওরী ওমর ও ইবনু মাসঊদ থেকে বর্ণনাটি নকল করেছেন। তবে তাদের কথা রাসূলের আমল ও কথার উপর দলীল নয় (মুহাল্লা ২/২৯৫)। 

প্রশ্নকারী : আহনাফ, বরিশাল।








বিষয়সমূহ: জায়েয-নাজায়েয
প্রশ্ন (২৫/২৬৫) : আমি দীর্ঘদিন ধরে গুল ও জর্দা সেবনে অভ্যস্ত। বারবার চেষ্টা করেও ছাড়তে পারছি না। এক্ষণে আমার ছালাত, ছিয়াম বা অন্যান্য ইবাদত কি কবুল হচ্ছে? পরকালে কী ধরনের শাস্তি হবে? - -মেহনাজ, বাঁশদহা, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (১৯/৯৯) : রাসূল (ছাঃ)-এর বাণী ‘তুমি (কুরবানীর দিনে) তোমার চুল ও নখ কাটবে, তোমার গোঁফ খাট করবে এবং নাভীর নীচের লোম ছাফ করবে। এটাই তোমার জন্য আল্লাহর নিকট পূর্ণ কুরবানী হিসাবে গৃহীত হবে’। অত্র হাদীছটির ব্যাপারে শু‘আইব আরনাউত্ব সনদ হাসান এবং আলবানী সনদ যঈফ বলেছেন। উপরোক্ত মতামতগুলির মধ্যে কোনটি অগ্রাধিকারযোগ্য হিসাবে বিবেচিত হবে? - -রফীকুল ইসলাম, পাঁচরুখী, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৮/২২৮) : পরীক্ষার পূর্বরাতে বিশেষ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে স্পেশাল সাজেশন পাওয়া যায়, যা থেকে সর্বাধিক সংখ্যক কমন পাওয়া যায়। এসব সাজেশন নেওয়া জায়েয হবে কি? - -নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, বরিশাল।
প্রশ্ন (১/১২১) : সূরা মায়েদার ১৫নং আয়াতে রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে নূর বলা হয়েছে কি? তিনি কি নূরের তৈরী ছিলেন? দলীল ভিত্তিক জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৬/১৯৬) : মানুষ ও জিন যে বয়সে মারা যায় ক্বিয়ামতের দিন কি সেই বয়সেই উঠানো হবে?
প্রশ্ন (২৯/১০৯) : রাসূল (ছাঃ) থেকে প্রমাণিত না হ’লেও সম্মানিত ইমামগণ থেকে বর্ণিত অনেক দো‘আ পাওয়া যায়। যেমন আল্লাহু আকবার কাবীরা.... আছীলা। এক্ষণে এসব দো‘আ পাঠ উত্তম বা সুন্নাত বলা যাবে কি? - -আব্দুর রহমান, পীরগঞ্জ, নাটোর।
প্রশ্ন (৩/৩) : আমাদের সমাজে কিছু মানুষ ফিৎরার খাতসমূহে বণ্টন শেষে ১টি অংশ নিজ আত্মীয়-স্বজনের মাঝে বণ্টন করে। এটা জায়েয হবে কি? - -সিরাজুল ইসলামসারদা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৬/৬) : জায়গার সংকীর্ণতার কারণে নতুন জায়গা ওয়াকফ করে পূর্বপুরুষের নির্মিত মসজিদ সেখানে স্থানান্তর করা এবং আগের মসজিদের স্থানে বসতবাড়ি নির্মাণ করা শরী‘আতসম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (১৩/২৯৩) : আমি জীবনে বহু মানুষের গীবত করেছি, তোহমতও দিয়েছি। আমার জানামতে এ গোনাহ আল্লাহ ক্ষমা করবেন না। যাদের গীবত করেছি তাদের অনেকের সাথে আমার যোগাযোগও নেই। আবার ক্ষমা চাওয়াও লজ্জার ব্যাপার। এক্ষণে এ পাপ থেকে বাঁচার জন্য আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৬/২৬) : অন্য ধর্ম সম্পর্কে জানার জন্য তাদের বইপত্র পড়া যাবে কি? যেমন বাইবেল, গীতা, রামায়ণ, মহাভারত ইত্যাদি?
প্রশ্ন (৩০/১৯০) : মৃত্যুপথযাত্রী ব্যক্তি মৃত্যুর পূর্বে সমাজের মানুষকে খাওয়াতে পারবে কি? এছাড়া মৃত্যুর পর মানুষকে খাওয়ানোর জন্য অছিয়ত করতে পারবে কি? এছাড়া অছিয়ত করে গেলে উত্তরাধিকারীদের জন্য করণীয় কি?
প্রশ্ন (২/৪২) : আগে আক্বীক্বার ক্ষেত্রে গোশত প্রতিবেশী ও আত্মীয়-স্বজনের বাসায় বন্টন করে দেয়া হ’ত। কিন্তু বর্তমানে মানুষকে দাওয়াত করে অনুষ্ঠান করে খাওয়ানো হচ্ছে। এটা শরী‘আত সম্মত কি? যদি হয়ে থাকে তবে কোনটি উত্তম?
আরও
আরও
.