উত্তর : অনুরূপ বর্ণনা ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব ও আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে। ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) বলেছেন, ইমাম চারটি বিষয় নিঃশব্দে পড়বে। আঊযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ, আমীন ও রববানা লাকাল হামদ (ইবনু হযম, মুহাল্লা ২/২৯৪)। বর্ণনাটির পূর্ণ সনদ না থাকায় তা গ্রহণযোগ্য নয়।

আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ বলেছেন, ইমাম তিনটি বিষয় নিঃশব্দে পড়বে। আঊযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ এবং আমীন (ইবনু হাযম, মুহাল্লা ২/২৯৪)। উক্ত বর্ণনার কোন সনদ নেই। তাছাড়া ইব্রাহীম নাখঈ তাদলীস করেছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয় (ত্বাবাক্বাতুল মুদাল্লিসীন, জীবনী নং ৩৫)। ইবনু হযম উক্ত বর্ণনা উল্লেখ করার পর বলেছেন ইমাম আবু হানীফা ও সুফিয়ান ছাওরী ওমর ও ইবনু মাসঊদ থেকে বর্ণনাটি নকল করেছেন। তবে তাদের কথা রাসূলের আমল ও কথার উপর দলীল নয় (মুহাল্লা ২/২৯৫)। 

প্রশ্নকারী : আহনাফ, বরিশাল।








বিষয়সমূহ: জায়েয-নাজায়েয
প্রশ্ন (১৬/১৩৬) : মাসজিদুল হারামের পার্শ্ববর্তী বাড়িগুলোতে হারামের ছালাতের জামা‘আতের সাথে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/৪১৯) : মেয়েরা পর্দার মধ্যে থেকে তোলা ছবি নিজের ফেসবুক পেজে শেয়ার করতে পারবে কি? বিশেষতঃ যে পেজের ফ্রেন্ড লিস্টে অনেক গায়ের মাহরাম পুরুষ রয়েছে?
প্রশ্ন (১৮/২৫৮) : কারো হেদায়াত কামনার জন্য বিশেষ কোন দো‘আ আছে কি? - ফারীহা পারভীন জয়পুরহাট।
প্রশ্ন (৩২/৭২) : আমি যে বিল্ডিং-এ থাকি সে বিল্ডিং-এ অনেকেই কুকুর পোষে। আর বিল্ডিং-এর ওয়াশিং মেশিনে সবাই কাপড় ওয়াশ করে। আমি যতটুকু জানি কুকুরগুলো তাদের মালিকের কাপড়ে কামড় দেয় অথবা লালা ফেলে বা চাটে। প্রশ্ন হচ্ছে- আমি কি সেই ওয়াশিং মেশিনে কাপড় ওয়াশ করাতে পারব?
প্রশ্ন (৩২/২৩২) : কোন ব্যক্তির মধ্যে যদি সাময়িকভাবে নিফাক্বী চলে আসে বা কিছুদিনের জন্য সে ছালাত পরিত্যাগ করে। এমতাবস্থায় তার স্ত্রী কি তালাক হয়ে যাবে? যদি পরবর্তীতে সে আবার ঈমানের হালতে ফিরে আসে, তাহ’লে তালাক হয়ে গেলে কি তাকে পুনরায় বিবাহ করতে হবে?
প্রশ্ন (৩২/৭২) : জনৈক ব্যক্তি ১০ দিন আগে বিষ পান করার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেছে। ঐ ব্যক্তিকে মুসলমানদের সাধারণ কবরস্থানে দাফন করা এবং জানাযা করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২১/১৮১) : ই‘তিকাফ-এর ফযীলত কি? মহিলারা কি এ ইবাদতে অংশগ্রহণ করতে পারবে?
প্রশ্ন (৩০/২৩০) : ব্যভিচারী ব্যভিচার করার সময় মুমিন থাকে কি? এ অবস্থায় মারা গেলে স্থায়ী জাহান্নামী হবে কি?
প্রশ্ন (৩১/৪৭১) : জনৈক ভদ্রলোকের দু’জন স্ত্রী। তার জীবদ্দশায় প্রথমা স্ত্রী, এক ছেলে ও এক মেয়ে রেখে মারা যায়। ঐ ব্যক্তি প্রথমা স্ত্রীর পৈতৃক সূত্রে পাওয়া (জমি) সম্পদ থেকে কিছু সম্পদ মীরাছ হিসাবে পেয়েছেন। এক্ষণে ঐ ব্যক্তি মৃত্যুকালে প্রথমা স্ত্রীর এক ছেলে, এক মেয়ে সহ দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী, পাঁচ ছেলে ও এক মেয়ে রেখে মারা যান। প্রশ্ন হচ্ছে প্রথমা স্ত্রী থেকে প্রাপ্ত সম্পদ কি শুধুমাত্র প্রথমা স্ত্রীর সন্তানেরা পাবে নাকি দ্বিতীয় পক্ষের স্ত্রী, সন্তানরাও পাবে?
প্রশ্ন (২/৩৬২) : স্ত্রী আমার চাহিদা মোতাবেক আমার সাথে নির্জনবাস করে না। বরং তার চাহিদা মত আমাকে তার কাছে যেতে হয়। এরূপ কারণে স্ত্রীকে তালাক দেয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/১৭৯) : ছালাত শেষে রুকূ-সিজদা কমবেশী হয়েছে কি-না বা তাশাহহুদ পাঠ করা হয়েছে কি-না এরূপ সন্দেহ হ’লে করণীয় কি?
প্রশ্ন (২০/২০) : একজন মেয়ে আল্লাহর কসম করে বলেছে, কোন গায়ের মাহরাম ছেলেদের সাথে কখনো কথা বলবে না। কিন্তু তাকে বাইরে যেতে হয়। অনেক সময় ছেলেদের সাথে যেমন রিকশাওয়ালাদের সাথে প্রয়োজনীয় কথা বলতে হয়। এক্ষণে তার করণীয় কি? তাকে কি নিয়মিত কাফফারা দিতে হবে নাকি একবার কাফফারা দিলেই যথেষ্ট হবে?
আরও
আরও
.