উত্তর : অনুরূপ বর্ণনা ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব ও আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে। ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) বলেছেন, ইমাম চারটি বিষয় নিঃশব্দে পড়বে। আঊযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ, আমীন ও রববানা লাকাল হামদ (ইবনু হযম, মুহাল্লা ২/২৯৪)। বর্ণনাটির পূর্ণ সনদ না থাকায় তা গ্রহণযোগ্য নয়।

আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ বলেছেন, ইমাম তিনটি বিষয় নিঃশব্দে পড়বে। আঊযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ এবং আমীন (ইবনু হাযম, মুহাল্লা ২/২৯৪)। উক্ত বর্ণনার কোন সনদ নেই। তাছাড়া ইব্রাহীম নাখঈ তাদলীস করেছেন, যা গ্রহণযোগ্য নয় (ত্বাবাক্বাতুল মুদাল্লিসীন, জীবনী নং ৩৫)। ইবনু হযম উক্ত বর্ণনা উল্লেখ করার পর বলেছেন ইমাম আবু হানীফা ও সুফিয়ান ছাওরী ওমর ও ইবনু মাসঊদ থেকে বর্ণনাটি নকল করেছেন। তবে তাদের কথা রাসূলের আমল ও কথার উপর দলীল নয় (মুহাল্লা ২/২৯৫)। 

প্রশ্নকারী : আহনাফ, বরিশাল।








বিষয়সমূহ: জায়েয-নাজায়েয
প্রশ্ন (১৪/২৫৪) : পাপের কারণে কেউ কি তার রিযিক থেকে বঞ্চিত হবে? - -ড. শিহাবুদ্দীন আহমাদ, গাবতলী, বগুড়া।
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : ইজতিহাদী মাসআলার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট কোন বিশুদ্ধ আক্বীদা ও আমল সম্পন্ন আলেমের সিদ্ধান্তকে অগ্রাধিকার দেওয়ায় শারঈ কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্নঃ (৯/১৬৯): সুন্নাত ছালাতের পর তাসবীহ গণনা সহ আয়াতুল কুরসী পড়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২৯/২৯) : রাসূল (ছাঃ)-এর কবর খনন, লাশ চুরির অপচেষ্টা ইত্যাদি সম্পর্কে অনেক ঘটনা শোনা যায়। এর কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (১০/৪১০) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, ওযূ করার জন্য যে পানির পাত্র ব্যবহার করা হয়, তা পেশাব-পায়খানায় ব্যবহার করলে চল্লিশ দিনের ইবাদত কবুল হবে না। এর কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৬/৪৪৬) : কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পরামর্শ অগ্রাধিকার পাবে, না-কি ইস্তেখারার ছালাত অগ্রাধিকার পাবে?
প্রশ্ন (২২/৩০২) : জেহরী ছালাতে ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা কখন পাঠ করতে হবে? ইমাম অন্য সূরা পাঠ করার সময় মুক্তাদী ইমামের সাথে মিলিয়ে পাঠ করতে পারবে কি? - -সিজান হোসাইন, বাহেরপুর, যশোর।
প্রশ্ন (১৬/৩৭৬) : জমি বন্ধক নেওয়া বা দেওয়ার ব্যাপারে শরী‘আতের বিধান কি?
প্রশ্ন (৩২/৭২) : পুরুষরা কি পরিমাণ স্বর্ণ ব্যবহার করতে পারবে? শুনেছি তারা সর্বোচ্চ ২ আনা পরিমাণ ব্যবহার করতে পারে। এর কোন সত্যতা আছে কি? - -রিমোন* আহমাদগোদাগাড়ী, রাজশাহী।* কেবল ‘আহমাদ’ নাম রাখুন (স.স.)।
প্রশ্ন (৩৫/১৯৫) : আমি সাব রেজিষ্ট্রি অফিসে নকল বিভাগে চাকুরী করি। সরকার আমাদের ভলিউম লেখা তথা প্রতি পৃষ্ঠা লেখার জন্যে পারিশ্রমিক হিসাবে ৪০ টাকা করে প্রদান করে থাকে। কিন্তু সেটা ৬ মাস বা ১ বছর পর পর পরিশোধ করে। আর ৪০ টাকা থেকে উপরের মহল ১৫ টাকা করে কেটে রেখে আমাদের ২৫ টাকা হিসাব ভাতা দেয়। সেকারণ আমরা দলীলের অবিকল নকল কপি করার ক্ষেত্রে নকলের সরকারী ফিসের সাথে অতিরিক্ত কিছু টাকা পারিশ্রমিক হিসাবে নিয়ে থাকি, যা স্থানীয় অফিস কর্তৃপক্ষ কর্তৃক নির্ধারিত। এক্ষণে এই অতিরিক্ত টাকা নেওয়া কি জায়েয হবে কি? - -মুহাম্মাদ রায়হান, মারিয়ালী, গাযীপুর।
প্রশ্ন (৭/৪০৭) : কারু সুস্থতা কামনা বা বিপদমুক্তির জন্য ছিয়াম রাখা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৯/৩৩৯) : যাকাতের অর্থ অমুসলিমদেরকে প্রদান করা কি নিষিদ্ধ?
আরও
আরও
.