
উত্তর : পাপমুক্তির জন্য এরূপ চেষ্টা ও পরিকল্পনা প্রশংসনীয়। তবে এতে সত্যিকার পাপমুক্তি ঘটবে না। কেননা এক্ষেত্রে শিরক-বিদ‘আত ও হারামযুক্ত কার্যাবলী বন্ধ করে কেবল বৈধ ও শিরক-বিদ‘আত মুক্ত কাজ করার সুযোগ রয়েছে। সুতরাং যদি ব্যবসায়িক ক্ষতির সম্মুখীন হ’তে হয়, তবুও তা-ই করতে হবে। কারো অন্যায়ের সহযোগী হওয়া যাবে না। প্রয়োজনে এ ব্যবসা ত্যাগ করে অন্য হালাল ব্যবসা করতে হবে। আল্লাহর প্রতি ভরসা করে কাজ করলে তিনি রিযিকের হাযারও দুয়ার খুলে দিবেন। আল্লাহ বলেন, ‘যে আল্লাহ্কে ভয় করে, তিনি তার জন্যে উত্তরণের পথ তৈরী করে দেন এবং তিনি তাকে এমন উৎস থেকে রিযিক দিবেন যা সে কল্পনাও করতে পারবে না। আর যে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে আল্লাহ তার জন্যে যথেষ্ট’ (তালাক ৬৫/৩)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যদি তোমরা আল্লাহর প্রতি যথার্থভাবে ভরসা কর, তবে তিনি তোমাদেরকে সেইভাবে রূযী দান করবেন, যেভাবে পাখীদের দান করে থাকেন। তারা সকালে ক্ষুধার্ত অবস্থায় বের হয় এবং সন্ধ্যায় উদর পূর্ণ করে (বাসায়) ফিরে’ (তিরমিযী হা/২৩৪৪; ছহীহাহ হা/৩১০)। অতএব আল্লাহর উপর ভরসা রেখে যথাসাধ্য অন্যায়ের সহযোগিতা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক।