উত্তর: বিবাহের উদ্দেশ্যে পাত্রী পাত্রকে দেখতে পারে। কারণ সাধারণভাবেই প্রবৃত্তির বশবর্তী না হয়ে নারী যেকোন পুরুষকে দেখতে পারে (বুখারী হা/৯৮৮)। তবে এক্ষেত্রে অভিভাবকের উপস্থিতিতে দেখবে। কেননা তার সম্মতি ব্যতীত বিবাহ জায়েয নয় (বুখারী, মুসলিম, মিশকাত হা/৩১২৬)






প্রশ্ন (৩৬/১১৬) : চার ইমামের জন্ম ও মৃত্যুর তারিখ ও স্থান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২০/৩৪০) : পাঁচ ওয়াক্ত ছালাতের আগে-পিছের সুন্নাত অলসতাবশতঃ আদায় না করলে গোনাহগার হ’তে হবে কি?
প্রশ্ন (২৫/২৫) : এক্সিডেন্টে আহত মুমূর্ষু ছাগল, গরু, মুরগীর ক্ষেত্রে করণীয় কি? - -আলতাফ হোসেন, তেরখাদিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩২/১৯২) : কবরে নবী-রাসূলকে কয়টি প্রশ্ন করা হবে?
প্রশ্ন (৫/১৬৫) : মূখের দুই চোয়ালের লোম কি দাড়ির অন্তর্ভুক্ত? - -আব্দুল হামীদ, নওগাঁ।
প্রশ্ন (২/১২২) : রজব মাসের বিশেষ ছালাত-ছিয়ামসহ বিভিন্ন ইবাদতের গুরুত্ব সম্পর্কে জানা যায়। এসব ইবাদত পালন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৬/১০৬) : সাত বছর যাবৎ সংসার করার পরও স্বামীর সাথে জনৈক স্ত্রীর বনিবনা হয় না। মাঝে মাঝে ঝগড়া হ’লে স্বামী তালাক দেয়, আবার ক্ষমা চেয়ে নেয়। স্ত্রী ডিভোর্স চায় কিন্তু স্বামী রাযী হয় না। এক্ষণে উক্ত স্ত্রীর করণীয় কি?
প্রশ্ন (৫/৪৫) : জনৈক বক্তা বলেন, মসজিদে জামা‘আতে ছালাত আদায় করলে যেমন ২৭ গুণ বেশী ছওয়াব পাওয়া যায়, তেমনি বাড়িতে সুন্নাত ছালাত আদায় করলে ২৭ গুণ বেশী ছওয়াব পাওয়া যায়। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৯/৩৫০) : বিতর ছালাতের কুনূত হিসাবে আমাদের এলাকায় আল্লাহুম্মা ইন্না নাস্তাঈনুকা ওয়া নাস্তাগফিরুকা... পড়া হয়। কিন্তু জনৈক আলেম বলেন, বিতরের কুনূতে উক্ত দো‘আ পড়ার কোন দলীল নেই। উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (০৭/৪০৭) : মসজিদ কর্তৃপক্ষ কর্তৃক এক বিঘা জমি নেওয়া হয়েছে পঞ্চাশ হাযার টাকার বিনিময়ে। যতদিন টাকা পরিশোধ না হবে ততদিন কর্তৃপক্ষ উক্ত জমি অন্যের কাছে লীজ দিয়ে লাভবান হচ্ছে। এরূপ লেনদেন কি বৈধ? - নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ঘোড়াঘাট পূর্বপাড়া, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১/৪০১) : বর্তমানে বাংলাদেশে ‘রেডিয়াম ইন্টারন্যাশনাল’ নামক একটি কোম্পানী ‘ক্রিপ্টোকারেন্সি বিনিয়োগে’র আহবান জানাচ্ছে। তাদের নিয়ম অনুযায়ী ১০ ইউএস ডলার দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করতে হয়। এর বিনিময়ে তারা ‘রিপটন কয়েন’ নামে দুইশ’ কয়েন দিচ্ছে। যেটা একদিনে দেওয়া হয় না। বরং ন্যূনতম ছয় মাসে মাইনিং হিসাবে প্রতিদিন ১/২টা করে ছয় মাসের মধ্যে প্রদান করা হয়। তাদের দাবী অনুযায়ী আগামী ৬ মাসের মধ্যে এর রেট একটা উচ্চ পর্যায়ে যেতে পারে। আনুমানিক প্রতি কয়েন ১০ ডলার থেকে ১০০ ডলার হ’তে পারে। দ্বিতীয়তঃ তাদের সাথে কাজ করলে অর্থাৎ একাধিক ব্যক্তিকে রেফার করলে কোম্পানির পক্ষ থেকে ঐ ব্যক্তির বিনিয়োগের ৫% হারে মুনাফা প্রদান করবে। কিন্তু বিনিয়োগকারীর বিনিয়োগের কোন কমতি হবে না। এইভাবে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজের বিনিময়ে তারা আরো পারসেন্টেজ লাভের ব্যবস্থা রাখছে। আবার এই কারেন্সির বিনিময় মূল্য রয়েছে এবং তারা বলছে অদূর ভবিষ্যতে বিশ্ববাজারে ভার্চুয়াল কারেন্সির ব্যাপক ব্যবহার শুরু হবে। ইতিপূর্বে ‘বিটকয়েন’ নামে এই ক্রিপ্টোকারেন্সি বাযারে এসেছিল ২০০৯ সালে। তখন তার মূল্য ছিল ৮/৯ টাকা। বর্তমানে ২০২০ সালে সেই কয়েনের মূল্য ৮ লক্ষ টাকা (১৩১১৯ সিঙ্গাপুরী ডলার)। ঠিক তেমনি ‘রিপটন কয়েন’ থেকে আয় আসবে বলে দাবী করা হচ্ছে। এখন প্রশ্ন হ’ল অধিক মুনাফা লাভের আশায় এ ধরনের কোম্পানিতে বিনিয়োগ করা যাবে কি? বিষয়টি সম্পর্কে বিস্তারিত জানালে উপকৃত হব।
প্রশ্ন (১৮/১৮) : রাসূল (ছাঃ) পড়া-লেখা না শিখে মারা যাননি মর্মে বর্ণিত হাদীছটির বিশুদ্ধতা জানতে চাই।
আরও
আরও
.