উত্তর : চারটি বিষয়ের মধ্যে আরশ ব্যতীত বাকীগুলো ভিত্তিহীন। যদিও এর সমর্থনে কিছু জাল বর্ণনা রয়েছে যা মুসলমানদের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টির জন্যই শী‘আরা বানিয়েছে (ছহীহাহ হা/৪৫৮-এর আলোচনা; ইরাকী, তাখরীজু আহাদীছিল ইহইয়া পৃ. ৯৯; বাহারুল আনওয়ার ৫৪/১৭০-৭৫)। মূলত সর্বপ্রথম আল্লাহ তা‘আলা পানি সৃষ্টি করেছেন। এরপর পানির উপর তার আরশ স্থাপন করেছেন। এরপর বস্ত্ত জগতের মধ্যে আল্লাহ তা‘আলা সর্বপ্রথম কলম সৃষ্টি করেছেন। আর এই কলমই আল্লাহর আদেশে পৃথিবীতে ক্বিয়ামত পর্যন্ত যা কিছু হবে তা লিখে দিয়েছে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আল্লাহ আসমান ও যমীন সৃষ্টি করার পঞ্চাশ হাযার বছর আগে সকল মাখলূকের তাক্বদীর লিখে রেখেছেন। তিনি বলেন, ‘তখন তাঁর আরশ পানির উপর ছিল’ (মুসলিম হা/২৬৫৩)। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেছেন, ‘এ হাদীছ থেকে প্রমাণিত হয় যে, আল্লাহ যখন তাক্বদীর নির্ধারণ করেছিলেন তখন তাঁর আরশ পানির উপর ছিল। অর্থাৎ তাক্বদীর লিপিবদ্ধ করার সময় আরশ বিদ্যমান ছিল। তাক্বদীর লিপিবদ্ধ হওয়ার পর আরশ সৃষ্টি হয়নি’ (আছ-ছাফদিয়াহ, ২/৮২)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘আল্লাহ তা‘আলা ছিলেন, আর তাঁর আগে কিছুই ছিল না। আর তাঁর আরশ ছিল পানির উপর। এরপর তিনি আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করলেন এবং যিকর (লাওহে মাহফূয)-এ সবকিছু লিখে দিলেন’ (বুখারী হা/৭৪১৮; মিশকাত হা/৫৬৯৮)

ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যায় বলেছেন, ‘এটিও প্রমাণ করে যে, যিকর (লওহে মাহফূয)-এ লেখা তখনই হয়েছিল, যখন আরশ পানির উপর ছিল’ (আছ-ছাফদিয়াহ, ২/৮২)। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বপ্রথম কলম সৃষ্টি করলেন। অতঃপর তিনি তাকে বললেন, লিখ। কলম বলল, হে আমার প্রতিপালক! আমি কি লিখব? তিনি বললেন, পুনরুত্থান দিবস পর্যন্ত যা কিছু ঘটবে সমস্ত কিছুর তাক্বদীর লিখে দাও’ (আবুদাউদ হা/৪৭০০; মিশকাত হা/৯৪, সনদ ছহীহ)। আবূ হুরায়রা (রাঃ) বলেন, ‘আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনাকে দেখলে আমার মন শান্ত হয়, হৃদয় প্রশান্ত হয়ে যায়। দয়া করে আমাকে সবকিছুর বিষয়ে জানান। তখন তিনি বললেন, ‘সমস্ত সৃষ্টিই পানির মাধ্যমেই সৃষ্টি হয়েছে’ (আহমাদ হা/৭৯১৯, সনদ ছহীহ)। ইবনু হাজার (রহঃ) বলেন, ‘সুতরাং কলমের প্রথম সৃষ্টি হওয়া এ কথাটি পানি ও আরশের তুলনায় অন্যান্য সৃষ্টির ক্ষেত্রে তার অগ্রবর্তী হওয়াকে বোঝায়। অথবা এর অর্থ হ’তে পারে, যে লিপিবদ্ধকরণ কলমের মাধ্যমে সংঘটিত হয়েছে, তার দিক থেকে কলমই প্রথম। অর্থাৎ কলম সৃষ্টি করা হ’লে তাকে সর্বপ্রথম বলা হয়েছিল-লিখ’ (ফাৎহুল বারী ৬/২৮৯)

প্রশ্নকারী : মীযান, দিনাজপুর।  








প্রশ্ন (২৮/৬৮) : আমার পিতাকে নিষেধ করা সত্ত্বেও জমি বন্ধক নিয়ে চাষাবাদ করেন। একাজে পিতাকে সহযোগিতার জন্য জমিতে চাষ করলে গুনাহগার হ’তে হবে কি?
প্রশ্ন (২৩/৪৬৩): পেটে বাচ্চা ওয়ালী গাভী অসুস্থ হলে যবেহ করে খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২১/২৬১) : মসজিদে প্রবেশের সময় আগে ডান পা এবং বের হওয়ার সময় আগে বাম পা দিতে হবে এবং পায়খানায় প্রবেশ করার সময় আগে ডান পা এবং বের হওয়ার সময় বাম পা দিতে হবে মর্মে কোন হাদীছ আছে কি?
প্রশ্ন (২/৩২২) : জনৈক বক্তা বলেন, ‘যে ব্যক্তি সকালে আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য তার মুসলিম ভাইয়ের সাথে সাক্ষাৎ করবে, আল্লাহ তার জন্য সত্তুর হাযার ফেরেশতা নিয়োগ করবেন যারা বলবে, ‘হে আল্লাহ! তুমি সাক্ষাৎকারী ও সাক্ষাৎকৃত ব্যক্তিকে ক্ষমা কর’। উক্ত হাদীছের বিশুদ্ধতা জানতে চাই। - -আব্দুল হান্নান, নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম।
প্রশ্নঃ (৯/৯) : যাকারিয়া (আঃ)-কে তার সম্প্রদায়ের লোকেরা হত্যা করার জন্য ধাওয়া করলে তিনি গাছের কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করেন। গাছ তাকে আশ্রয় দেয়। শয়তান তাদেরকে এ খবর জানিয়ে দিলে গাছটিকে তারা করাত দিয়ে চিরে ফেলে। এ ঘটনার সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৪/৮৪) :পারিবারিকভাবে ছেলে-মেয়ের বিবাহ ঠিক করা হয়েছে। কিন্তু আকদ হবে ৮ মাস পর। এমতাবস্থায় ছেলে-মেয়ে একে অপরের সাথে যোগাযোগ বা ফোনে কথা বলতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৪/৪) : সহো সিজদা দেওয়ার বিধান কি? কেউ যদি তা দিতে ভুলে যায় এবং অনেকদিন পর তা স্মরণ হয় তার জন্য করণীয় কি? সহো সিজদা সালাম ফিরানোর পূর্বে না পরে দেওয়া উত্তম? - -জাহাঙ্গীর আলম, বাড্ডা, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৯/২৯৯) : নাপাক কাপড় পরিহিত অবস্থায় ওযূ করে পবিত্র কাপড় পরিধান করে ছালাত আদায় করলে ছালাত শুদ্ধ হবে কি?
প্রশ্ন (৩৩/২৩৩) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, আল্লাহর সাথে কাউকে শরীক করবে না। যদিও তোমাকে হত্যা করা হয় বা জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। এক্ষণে আমাদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শহীদ মিনারে ফুল দিতে না গেলে সরকারী চাকুরী চলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এক্ষেত্রে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩/৪০৩) : কুরআন খতমের বিশেষ কোন দো‘আ পাঠ বা দলবদ্ধ মুনাজাতের নিয়ম আছে কি? কুরআনের মুছহাফে যে সকল দো‘আ লেখা থাকে, সেগুলোর কোন ভিত্তি আছে কি? - -বদীউয্যামান, নাচোল, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (১/১) : কোন পাপাচারী ব্যক্তি সুন্দর স্বপ্ন দেখতে পারে কি?
প্রশ্ন (১৬/২৫৬) : ‘সৌভাগ্যবান হওয়ার চারটি জিনিস (১) সতী-সাধ্বী স্ত্রী (২) প্রশস্ত বাসস্থান বা বাড়ি (৩) সৎ প্রতিবেশী (৪) আরামদায়ক যানবাহন। আর দুর্ভাগা হওয়ার চারটি জিনিস (১) খারাপ প্রতিবেশী (২) মন্দ স্ত্রী (৩) বিপদজনক যানবাহন (৪) সংকীর্ণ বাসস্থান (সিলসিলা ছহীহাহ হা/২৮৩ ও ১৯০৩)। উক্ত হাদীছের ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.