উত্তর : এ অবস্থায় মাকে এড়িয়ে চললে গুনাহ হবে না ইনশাআল্লাহ। তবে সুন্দরভাবে মাকে স্বামীর প্রতি ইতিবাচক হওয়ার জন্য অনুরোধ জানাবে এবং স্বামীকেও বুঝানোর চেষ্টা করবে। ইমাম আহমাদ (রহঃ) বলেন, ‘স্বামীর আনুগত্য করা তার (স্ত্রীর) জন্য মায়ের আনুগত্যের চেয়ে অধিক আবশ্যক, যদি না স্বামী তাকে (মায়ের কথা মানার বিষয়ে) অনুমতি দেন’ (শরহু মুনতাহাল ইরাদাত ৩/৪৭)। ইমাম মারদাভী বলেন, ‘স্ত্রীর জন্য স্বামীকে তালাক দেওয়ার ব্যাপারে কিংবা স্বামীর ঘর ছেড়ে অন্যত্র (যেমন পিতামাতার বাসায়) ভ্রমণ করার ক্ষেত্রে পিতা-মাতার আদেশ মানা ওয়াজিব নয়। বরং স্বামীর আনুগত্যই তার জন্য অধিক যরূরী (আল-ইনছাফ ৮/৩৬২)। ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘যে সকল আনুগত্য এক সময় পিতা-মাতার প্রতি আবশ্যক ছিল, বিবাহের পর তা স্বামীর প্রতি স্থানান্তরিত হয়ে যায়। বিবাহের পর স্ত্রীর উপর পিতা-মাতার আনুগত্য অপরিহার্য থাকে না। পিতা-মাতার হক ছিল রক্তের সম্পর্কের কারণে, আর স্বামীর হক এসেছে চুক্তি (নিকাহ) ও অঙ্গীকারের মাধ্যমে’ (মাজমূঊল ফাতাওয়া ৩২/২৬০-২৬১)।
প্রশ্নকারী : আনিকা, বগুড়া।