উত্তর : সূদ হচ্ছে প্রদানকৃত বা গ্রহণকৃত বস্ত্ত বা টাকার বিনিময়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে বর্ধিত আকারে তা প্রদান বা গ্রহণ করা। আর ঘুষ হচ্ছে কিছু লাভ বা পাওয়ার উদ্দেশ্যে কাউকে হাদিয়া হিসাবে কিছু প্রদান করা। এমনকি কখনও সূদের উপর ঋণ নেয়ার জন্যও ঘুষ দেয়া হয়ে থাকে। অতএব পার্থক্য স্পষ্ট।  অযোগ্য বা হকদার নয় এরূপ কোন ব্যক্তি ঘুষ দিয়ে চাকুরী নিয়ে থাকলে তার উপার্জন হারাম হিসাবে গণ্য হবে। কারণ সে ঘুষ দিয়ে অন্যের হক নষ্ট করেছে। এ ক্ষেত্রে দাতা ও গ্রহীতা উভয়েই অভিশপ্ত (ছহীহ তিরমিযী হা/১৩৩৬, ১৩৩৭; ছহীহ ইবনু মাজাহ হা/২৩১৩; ছহীহ আবু দাঊদ হা/৩৫৮০)। এমতাবস্থায় যে যোগ্য তার জন্য এ চাকুরী ছেড়ে দিয়ে কৃত কর্মের জন্য তাকে তওবা করতে হবে। আর যদি যোগ্যপ্রার্থী হওয়া সত্ত্বেও ঘুষ দিতে বাধ্য হতে হয় তাহলে এর জন্য ঘুষ প্রদানকারী দোষী হবে না। বরং ঘুষ গ্রহণকারী ব্যক্তি গুনাহ্গার হবে। তাকে ঘুষের অর্থ ফেরত দিয়ে তওবা করতে হবে।






প্রশ্ন (২৯/৪২৯) : জনৈক ব্যক্তির প্রথমা স্ত্রীর দু’সন্তান ও দ্বিতীয় স্ত্রীর সাত সন্তান। প্রথমা স্ত্রীর বড় ছেলের পাঁচ সন্তান ও ছোট ছেলে নিঃসন্তান। প্রথমা স্ত্রীর বড় ছেলে মারা গেছে এবং তার দুই ছেলে আছে। এক্ষণে প্রথমা স্ত্রীর ছোট ছেলে মারা গেলে বৈমাত্রেয় ভাইয়েরা সম্পত্তির ওয়ারিছ হবে, নাকি আপন ভাতিজারা ওয়ারিছ হবে?
প্রশ্ন (৩৪/৩৯৪) : পিতা-মাতার নিকট মিথ্যা কথা বলে টাকা নিয়ে দান করা জায়েয কি?
প্রশ্ন (২৭/২৭) : জনৈক ইমাম টাকা ঋণ দিয়ে মাসে নির্দিষ্ট পরিমাণ লাভ গ্রহণ করেন। এভাবে লাভ গ্রহণ করা সূদের আওতায় পড়বে কি? এটা সূদ হ’লে ঐ ইমামের পিছনে ছালাত আদায় করা বৈধ হবে কি?
প্রশ্ন (২৮/৩৮৮) : জুম‘আর খুৎবায় ইমাম ছাহেব সবাইকে তালবিয়া পাঠ করিয়ে বলেন এটি পাঠে অনেক ছওয়াব রয়েছে। এটা সঠিক কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩৫৮) : ভুলবশতঃ তিন তাকবীরে জানাযার ছালাত আদায় করা হয়ে গেলে করণীয় কী?
প্রশ্ন (১৯/৪১৯) : আমি প্রকাশ না করার ব্যাপারে ওয়াদাবদ্ধ থাকা সত্ত্বেও একজনের গোপন পাপ তার পিতা-মাতার নিকটে প্রকাশ করে দিয়েছি। আমার লক্ষ্য ছিল তার অভিভাবককে বলে তাকে সংশোধন করা। এক্ষণে ওয়াদা ভঙ্গের জন্য আমি গোনাহগার হব কি? এজন্য তার নিকটে ক্ষমা না নিলে ক্ষমা হবে কি? - -মাহদী হাসান, মুগদা, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৩/১৩) : যমযম কূপ ঈসমাঈল (আঃ)-এর পায়ের আঘাতে সৃষ্টি হয়েছে না ফেরেশতা কর্তৃক খননকৃত? - -আলমগীর, পটুয়াখালী।
প্রশ্ন (১৪/১৪) : শোনা যায়, পিতা-মাতা আছে এমন শিশুদের মাথায় হাত বুলালে দশ নেকী হয়। কিন্তু ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলালে তার মাথার চুলের সমপরিমাণ নেকী পাওয়া যায়, এ কথার ছহীহ দলীল জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : জনৈক লেখক দাবী করেছেন, ইমাম আবু হানীফার জন্ম ৮০ হিজরীতে আর মৃত্যু ১৫০ হিজরীতে। ইমাম বুখারীর জন্ম ১৯৪ হিজরীতে আর মৃত্যু ২৫৬ হিজরীতে। সুতরাং আবু হানীফার কথা বাদ দিয়ে ইমাম বুখারীর সংগৃহীত হাদীছ গ্রহণ করা যাবে না। কারণ ইমাম বুখারীর চেয়ে ইমাম আবু হানীফা অনেক পূর্ববর্তী। উক্ত দাবীর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৯/২৬৯) : যে ব্যক্তির জীবনের প্রথম ও শেষ বাক্য ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ হবে তাকে কোন পাপ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে না। যদিও সে পৃথিবীতে এক হাযার বছর বসবাস করে। উক্ত হাদীছের সত্যতা সম্পর্কে জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৯/৪২৯) : জনৈক আলেম বলেন, পার্শ্ববর্তী মুসলিম দেশের সাথে হিন্দুস্থানের যুদ্ধ হবে। ঐ যুদ্ধে যে মুসলিম ব্যক্তি মারা যাবে সে শহীদের মর্যাদা লাভ করবে। একথার সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৩/১৯৩) : কুরআন পড়ে অন্যের নামে বখশাতে পারে কি?
আরও
আরও
.