উত্তর : এটি বিবাহের উদ্দেশ্য বিরোধী কাজ। অতএব এ থেকে বিরত থাকা উচিৎ। রাসূল (ছাঃ) সর্বদা অধিক সন্তানদায়িনী নারীকে বিবাহ করার জন্য উৎসাহিত করেছেন (আবুদাঊদ, নাসাঈ, মিশকাত হা/৩০৯১)। তবে বাধ্যগত অবস্থায় সাময়িকভাবে আযল করলে গুনাহ হবে না ইনশাআল্লাহ (বুখারী হা/৫২০৯; মুসলিম হা/৩৬২৯; মিশকাত হা/৩১৮৪-৮৫)






প্রশ্ন (৩৫/১৯৫) : ছালাত শেষে সালাম ফিরানোর সময় কি বলে সালাম ফিরাতে হবে? - -ডা. মুহসিন আলী, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৬/২৬৬) : কুরবানীর পশু যবেহ করার সময় পশুর চোখ ঢেকে রাখা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : ই‘তিকাফ করার সময় কারো যদি মসজিদে খাবার দেওয়ার কেউ না থাকে, তবে সে সামান্য দূরে বাড়ি থেকে সাহারী ও ইফতার করে আসতে পারবে কি? - -ফাতেহ উল হোসাইনমীরপুর, ঢাকা।*[নাম সঠিক করুন। আব্দুল ফাত্তাহ রাখতে পারেন (স.স.)]
প্রশ্ন (৩৪/২৭৪) : মাযহাবী পরিবারে বিবাহ করায় শারঈ কোন বাধা আছে কি? - -মাহদী হাসান, বাগাতীপাড়া, নাটোর।
প্রশ্ন (৮/২০৮) : আরব দেশে নামের সাথে পিতা এমনকি দাদার নাম যোগ করা হয়। কিন্তু আমাদের দেশে এর প্রচলন নেই। এর কারণ কি? কিভাবে নাম রাখা উত্তম?
প্রশ্ন (৮/২০৮) : বাস বা ট্রেনে যেখানে ছালাতের কোন স্থান নেই এবং ক্বিবলা কোন্ দিকে তাও জানা যায় না। এরূপ অবস্থায় ছালাত আদায় করা যাবে কি? এছাড়া ছালাতের সময় অবশিষ্ট থাকতেই গন্তব্যে পৌছানোর সম্ভাবনা থাকলে গাড়িতে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৫/৮৫) : আমার ভাই-ভাতিজা পুরোপুরি কবরপূজারী মুশরিক। তাই তারা আমার সম্পত্তিতে অংশীদার হবে ভেবে আমি আমার তিন মেয়ের নামে সকল সম্পদ লিখে দিয়েছি। এটা জায়েয হয়েছে কি? কবরপূজারীরা সম্পদের অংশীদার হবে কি? - -আব্দুল্লাহ আল-মামূন, নিজখামার, খুলনা।
প্রশ্ন (৩৪/৪৭৪) : আত্মরক্ষার কোন উপায় না থাকলেও যদি কেউ জীবন, সম্মান বা সম্পদ রক্ষার জন্য দলবদ্ধ অস্ত্রধারী ছিনতাইকারী বা ডাকাতদের প্রতিরোধ করতে গিয়ে আহত বা নিহত হয়, তাহ’লে সে শহীদ হিসাবে গণ্য হবে কি? আর যদি প্রতিরোধে নিশ্চিত মৃত্যুর আশঙ্কা জেনেও কেউ তা করে, তবে কি তা আত্মহত্যা হিসাবে ধরা হবে, না-কি শরী‘আতে বৈধ সাহসী পদক্ষেপ হিসাবে গণ্য হবে?
প্রশ্ন (১৫/৪৫৫) : তাওহীদকে কে প্রথম তিন ভাগে বিভক্ত করেন? এই প্রকরণের দলীল কি?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (৩৪/৩১৪) : আমাদের এলাকায় একদল ভাই নির্দিষ্টভাবে জুম‘আর দিন তাহাজ্জুদের জন্য যুবকদের একত্রিত করে। এভাবে তাহাজ্জুদ তথা রাত্রি জাগরণ করা জায়েয হবে কি? - আব্দুল কুদ্দূস, নাটোর।
প্রশ্ন (২১/২৬১) : কোন কোন সাবান কোম্পানী শূকরের চর্বিকে কাঁচামাল হিসাবে ব্যবহার করে। জেনেশুনে উক্ত সাবান ব্যবহার করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.