উত্তর : অন্য মসজিদের চেয়ে জুম‘আ মসজিদে ছালাত আদায় করলে পাঁচশত ছালাত আদায়ের ছওয়াব পাওয়া যাবে মর্মে বর্ণিত হাদীছটি যঈফ (ইবনু মাজাহ হা/১৪১৩; মিশকাত হা/৭৫২)। সুতরাং মসজিদ ছোট হোক আর বড় হোক একটির উপর অপরটির কোন প্রাধান্য নেই মসজিদুল হারাম, মসজিদে নববী ও মসজিদুল আক্বছা ব্যতীত (মুত্তাফাক্ব আলাইহ, মিশকাত হা/৬৯৩)। তবে যে মসজিদে মুছল্লী যত বেশী হবে, সে জামা‘আতে নেকী তত বেশী হবে (আবুদাঊদ, নাসাঈ, মিশকাত হা/১০৬৬)






প্রশ্ন (২৭/২২৭) : বৃষ্টির কারণে আছরের ছালাত যোহরের সময়ে পড়া যাবে কি? আছরের সময়ে বৃষ্টি না থাকলে ঐ ছালাত আছরের সময় আবার আদায় করতে হবে কি?
প্রশ্ন (২১/২১) : বিশ বছর পূর্বে আমার দাদারা আমাদের মসজিদটি আহমাদিয়া জামা‘আতের নামে লিখে দিয়ে তাদের অন্তর্ভুক্ত হন। বর্তমানে তারা কুরআন ও ছহীহ হাদীছ অনুযায়ী আমল করছেন। কিন্তু মসজিদ তাদের নামেই লেখা আছে। এক্ষণে আমাদের করণীয় কি? - -আবু সাঈদ, গোদাগাড়ী, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩০/১১০) : জনৈক ব্যক্তি ৫০ হাযার টাকায় গরু ক্রয় করে বিক্রির সময় ৮০ হাযার টাকা দিয়ে ক্রয় করেছে বলে ৯০ হাযার টাকায় বিক্রি করেছে। এক্ষণে মিথ্যার আশ্রয় নিয়ে বেশী দামে বিক্রি করার কারণে প্রাপ্ত পুরো টাকা হারাম হয়ে যাবে কি? না কেবল মিথ্যা বলার জন্য গুনাহগার হবে?
প্রশ্ন (২৫/৩৪৫) : আমরা জানি আল্লাহ এক ও অদ্বিতীয়। কিন্তু মাসিক আত-তাহরীক-এ প্রকাশিত ‘পবিত্র কুরআনে বর্ণিত ২৫ জন নবীর কাহিনী’ প্রবন্ধে বিভিন্ন স্থানে আল্লাহর শানে ‘আমরা’ ব্যবহার করা হয়েছে। এর কারণ কী?
প্রশ্ন (১৩/৯৩) : ওযূ অবস্থায় শরীরে বা কাপড়ে কুকুরের স্পর্শ লাগলে ওযূ ভেঙ্গে যাবে কি? এমতাবস্থায় করণীয় কি? - -আব্দুল্লাহ, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৬/২৬) : বহু পুরাতন খানজাহান আলীর সময়কার কবরস্থানের জমি বায়না করার পর এলাকাবাসী বলছে, এটা কবরস্থান ছিল। মালিক অস্বীকার করছেন। এখানে ঘর-বাড়ি করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৭/১৯৭) : নফস ও রূহের মধ্যে পার্থক্য কি?
প্রশ্ন (১৯/১৩৯) : একসাথে একাধিক মাইয়েতের উপর একবার জানাযার ছালাত পড়লে তা কি ছহীহ হবে? নাকি প্রত্যেকের জন্য পৃথক জানাযা করতে হবে? - -তাওহীদুল ইসলামমাষ্টারপাড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৩/১০৩) : যোহরের পূর্বে চার রাক‘আত সুন্নাত ছালাত এক সালামে পড়তে হবে কি? - -রেযা, হালসা, নাটোর।
প্রশ্ন (১/৪১) : ‘গাযওয়াতুল হিন্দ’ নামে এক যুদ্ধের কথা কোন কোন বক্তা প্রচার করে থাকেন। উক্ত যুদ্ধের সত্যতা ও বিবরণ সম্পর্কে জানতে চাই। এছাড়া আরেক শতাব্দী পর মুসলমানরা ইসলামী খেলাফত ফিরে পাবে মর্মে কোন ভবিষ্যদ্বাণী আছে কি? - -ছাদিক, দাপুনিয়া, ময়মনসিংহ।
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (২১/১৮১) : রাসূল (ছাঃ)-এর বংশতালিকা জানিয়ে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.