উত্তর : পারবে। মু‘আয বিন জাবাল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সাথে পিছনে এশার ছালাত পড়তেন এবং পরে নিজ মহল্লায় গিয়ে আবার তাদের ইমামতি করতেন (বুখারী হা/৭১১, মুসলিম হা/৪৬৫)। এক্ষণে ইমাম না পাওয়ার কারণে যদি এরূপ করতে হয়, তাহ’লে তাতে কোন বাধা নেই।






প্রশ্ন (২৩/৬৩) : আমাদের বাড়ির সাথে অন্য মানুষের মালিকানাধীন ডোবা আছে। যেখানে প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো কৈ, টাকি, শোল ইত্যাদি মাছ পাওয়া যায়। এসব মাছ তাদের না জানিয়ে ধরা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৮/৬৮) : ‘আমার উম্মতের মধ্যে সবার আগে আমি মদীনাবাসীর জন্য শাফা‘আত করব, অতঃপর মক্কাবাসীর, অতঃপর ত্বায়েফবাসীর জন্য’-মর্মে ত্বাবারাণীতে বর্ণিত হাদীছটি ছহীহ কি? - -রোকনুয্যামান, সরকারী আযীযুল হক কলেজ, বগুড়া।
প্রশ্ন (১৬/২১৬) : খাবার দাওয়াত দেওয়ার ক্ষেত্রে মুসলমানদের বা অমুসলিমদের অগ্রাধিকার দিতে হবে এরূপ কোন শারঈ নির্দেশনা আছে কি?
প্রশ্ন (১৫/৯৫) : রাসূল (ছাঃ) ক্বাদারিয়া বা তাকদীরকে অস্বীকারকারীদের মাজূসী বা অগ্নিউপাসক বলে আখ্যায়িত করেছেন কি? করলে তার কারণ কি? - -যুবায়ের হাসান, বাগেরহাট।
প্রশ্ন (৪০/২৮০) : ছিয়াম অবস্থায় গান শোনা, মিথ্যা কথা বলা, মেয়েদের দিকে কুদৃষ্টি দেওয়া প্রভৃতি পাপ কাজ করলে ছিয়াম বাতিল হয়ে যাবে কি? - -যুবায়ের, সাঘাটা, গাইবান্ধা।
প্রশ্ন (২০/১৪০) : আমি একজনের সাথে যেনা করে ফেলেছি। এখন তওবা করেছি। ছেলেটি দ্বীনদার না হওয়ায় বর্তমানে আমি তাকে বিবাহ করতে চাই না। এক্ষণে তাকে বাদ দিয়ে অন্য কোন দ্বীনদার পাত্র বিবাহ করতে চাই। এতে উক্ত ছেলের অধিকার বিনষ্ট হবে কি?
প্রশ্ন (১৭/৩৭৭) : জুম‘আর ছালাত আদায়রত অবস্থায় মাইকের লাইন বন্ধ হয়ে গেলে এবং কিছু মুছল্লী ইমাম ছাহেবের আওয়ায শুনতে না পেলে তাদের জন্য করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩৩/১১৩) : আমার কবরপূজারী জনৈক আত্মীয় জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত এক পীরের মুরীদ হিসাবে কবরপূজায় লিপ্ত ছিলেন। এক্ষণে তার জানাযা পড়া বা তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা জায়েয হবে কি? - -জালালুদ্দীন, ধুনট, বগুড়া।
প্রশ্ন (১৮/২৫৮) : দু’বছরের পুরাতন কবর ভেঙ্গে পড়লে করণীয় কি? - -সাইফুল ইসলাম, কাজলা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৭/৩৮৭) : ছিয়াম অবস্থায় ডায়াবেটিস রোগীদের ইনসুলিন গ্রহণের বিধান কি? বিশেষতঃ যাদের দিনে কয়েকবার গ্রহণের প্রয়োজন হয়।
প্রশ্ন (৩৪/৪৩৪) : ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় না খেয়ে ছিয়াম রাখায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (৭/৩২৭) : আমাদের গ্রামে কারো কোন জিনিস হারিয়ে গেলে বা চুরি হ’লে হারানো বস্ত্ত খুঁজে পাওয়ার জন্যে অথবা চোর ধরার জন্য কয়েকজন ওযূ করে একটি পিতলের বদনা নিয়ে বসে তাতে পানি দিয়ে কাঁঠালের পাতায় বিভিন্ন জনের নাম লিখে বদনাতে দিয়ে দেয়। আর পাশে বসে একজন সূরা ইয়াসীন পড়তে থাকে। আর বদনা দু’জনের দুই আঙ্গুলের উপর ধরে রাখে। এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়তে পড়তে যখন বদনাতে চোরের নাম আসে তখন বদনা এমনিতেই ঘুরতে শুরু করে দেয়। তাদের ভাষ্যমতে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই নাকি আসল চোরের নাম উঠে আসে। প্রশ্ন হ’ল এভাবে সূরা ইয়াসীন পড়ে পিতলের বদনা নিয়ে চোর ধরার পদ্ধতি অথবা এগুলোর উপর বিশ্বাস করা কিসের মধ্যে পড়ে? - -সামিয়া আখতার, আম্বরখানা, সিলেট।
আরও
আরও
.