উত্তর : মিষ্টি খাওয়ায় দোষ নেই। কেননা সেটা বৈধ হাদিয়া হিসাবে প্রদান করা হয়েছে। শায়েখ ওছায়মীন বলেন, ‘যদি কেউ অবৈধ উপার্জন থেকে অর্থ পায় যেমন প্রতারণা, সূদ, মিথ্যা বা অনৈতিক উপায়ে, তাহ’লে যিনি সেই অর্থ উপার্জন করেছেন, তার জন্য এটি হারাম। কিন্তু কেউ যদি সেই ব্যক্তি থেকে বৈধ পথে অর্থ পায়, তবে তার জন্য সেটি গ্রহণ করা হারাম নয়। নবী করীম (ছাঃ)-এর সময় ইহূদীদের সঙ্গে ব্যবসা হ’ত। তিনি তাদের কাছ থেকে বৈধভাবে পণ্য নিতেন (তাফসীরুল কুরআন ১/১৯৮)। এছাড়া রাসূল (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরাম অমুসলিমদের দেওয়া হালাল খাদ্য হাদিয়া হিসাবে গ্রহণ করতেন। অতএব এসব মিষ্টি গ্রহণে দোষ নেই। তবে এমতবস্থায় তাকে অবশ্যই নছীহত করতে হবে যেন সে যে কোন মূল্যে সূদী প্রতিষ্ঠান ত্যাগ করে বিকল্প হালাল রূযীর অনুসন্ধান করে, কেননা সূদ আল্লাহ ও তার রাসূলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার শামিল (বাক্বারা ২/২৭৯)

প্রশ্নকারী : নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক, ঘোড়াঘাট, দিনাজপুর।








বিষয়সমূহ: হালাল-হারাম
প্রশ্ন (২১/৪২১) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, হযরত নূহ (আঃ) ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা ব্যতীত সারা বছর ছিয়াম পালন করতেন। এক্ষণে এভাবে ছিয়াম পালন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৯/২৮৯) : পুকুরে চাষ করা মাছের যাকাত দিতে হবে কি এবং যদি দিতে হয় তাহ’লে কিভাবে দিতে হবে?
প্রশ্ন (২৮/৩৪৮) : কুরবানীর পশু যবহ করার সুন্নাতসম্মত তরীকা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২/২৪২) : আমি গর্ভবতী। সন্তান প্রসবের সম্ভাব্য সময় রামাযান মাসের শেষের দিকে। চিকিৎসকের পরামর্শ এবার ছিয়াম পালন করা যাবে না। এক্ষেত্রে আমার করণীয় কী?
প্রশ্ন (২৭/৪৬৭) : কুরআন বা হাদীছে আদম (আঃ) থেকে মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর মধ্যে কত বছরের ব্যবধান সে ব্যাপারে কিছু বর্ণিত আছে কি? আজ থেকে ৩ লাখ বছর পূর্বেও পৃথিবীতে মানুষ ছিল মর্মে বিজ্ঞানীদের দাবী বিশ্বাস করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩৯৯) : ফুলের তোড়া দিয়ে কাউকে বরণ করা কি ইসলামে জায়েয?
প্রশ্ন (২৪/১৪৪) : যরূরী কোন কাজ করার ক্ষেত্রে ছালাত ক্বাযা হওয়ার সম্ভাবনা থাকলে ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বেই ছালাত আদায় করে নেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৩/২৮৩) : অনেক সময় গণকদের কথা সত্য হয়। এর ব্যাখ্যা জানতে চাই। - -খন্দকার নাসীফ, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১২/৩৭২) : দিনের বেলায় স্বপ্নদোষ হ’লে ছিয়ামের কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (১১/২৫১) : আমরা তিন ভাই। বড় ভাই পরিবার থেকে ভিন্ন হয়ে আলাদা সংসার করছে। বোনেরা বিবাহিতা। আমরা দুই ভাই পিতার সংসারে কাজ করে ধান-গমসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদন করছি। এক্ষণে আমাদের পিতা আমাদের কষ্টোপার্জিত সম্পদ থেকে আমাদের দুই ভাইকে কিছু টাকা দিয়ে জায়গা ক্রয় করে দিলে তা জায়েয হবে কী? উল্লেখ্য যে, আমাদের কষ্টার্জিত সম্পদ থেকে তিনি যে জায়গা ক্রয় করেন তা তার নামেই রেজিষ্ট্রি করেন, যা পরবর্তীতে সকল ওয়ারিছরা পেয়ে যাবে।
প্রশ্ন (১৮/৪১৮) : আমি একটি ফ্যাক্টরিতে কাজ করি যেখানে মাছ, গরু ও শূকরের গোশত প্রসেস করে প্যাকেটজাত করা হয়। অনেক ক্ষেত্রেই আমাকে শূকরের গোশত প্যাকেট করতে হয়। এটা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.