উত্তরঃ উক্ত বিবাহে মোহর নির্ধারণের ক্ষেত্রে ধোঁকাবাজির আশ্রয় নেওয়া হয়েছে। তবে বিয়ে বৈধ হয়েছে। ধার্য মোহরানা অবশ্যই পরিশোধ করতে হবে। পুনরায় মোহর নির্ধারণের কোন সুযোগ নেই। অবশ্য স্ত্রী স্বেচ্ছায় কিছু অংশ ক্ষমা করতে পারেন (নিসা ৪)। কিন্তু তার কাছে এজন্য কিছু চাওয়া যাবে না।






বিষয়সমূহ: বিবাহ ও তালাক
প্রশ্ন (৩০/৪৩০) : কারো উপরে জিন আছর করলে কবিরাজের নিকট থেকে তদবীর করা যাবে কি? এরূপ করা না গেলে কিভাবে তার চিকিৎসা করতে হবে?
প্রশ্ন (২২/২২২) : আমার ৬ ভরি স্বর্ণ আছে। আমি টাকার যাকাত নিয়মিত দিই। কিন্তু কোনদিন স্বর্ণের যাকাত দিইনি। এক্ষণে এই স্বর্ণের যাকাত দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩৭৮) : পিতা সরকারী চাকুরীজীবী হিসাবে বিভিন্ন যেলায় ছিলেন। সে সুবাদে সেসব অফিসের পরিত্যক্ত চেয়ার, নষ্ট ফ্যান সহ বিভিন্ন জিনিস ঠিক করে বাসায় ব্যবহার করেন। একাজ ঠিক হচ্ছে কি? ঠিক না হ’লে করণীয় কি? - -আব্দুল আলীম, সিরাজগঞ্জ।
প্রশ্ন (১/৪০১) : আমলে শিরক থাকলে কি ঈমান বাতিল হবে?
প্রশ্ন (৩৭/৩৯৭) : জনৈক আলেম বলেন, পুরুষেরা কেবল আতর ব্যবহার করতে পারবে। তারা পারফিউম জাতীয় কিছু ব্যবহার করতে পারবে না। এটা সঠিক কি?
প্রশ্ন (১১/৫১) : মেয়েদের নাক ফুটিয়ে অলংকার ব্যবহার করা জায়েয কি? এটি কি সৃষ্টিগত আকৃতি পরিবর্তনের শামিল?
প্রশ্ন (৫/৫) : সিজদারত অবস্থায় দুই পায়ের আঙ্গুল কি অবস্থায় রাখতে হবে? - তানযীলুর রহমান - শিক্ষক, বাউটিয়া দাখিল মাদ্রাসা, রাজশাহী
প্রশ্ন (৭/২৪৭) : রাতে কাজ শেষ করতে করতে ১২টা কখনো ১টা পার হয়ে যায়। এসময় তাহাজ্জুদের ছালাত আদায় করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৬/৫৬) : ছালাতরত অবস্থায় কোন বিশেষ কারণে কয়েক ধাপ স্থান পরিবর্তন করতে হ’লে ছালাত হবে কি?
প্রশ্ন (১/৪৪১) : ইসলামিক টিভি-র প্রশ্নোত্তর পর্বে জনৈক মুফতী বলেন, ফজরের আযানের পর এবং মাগরিবের আযানের কিছু পূর্বে মসজিদে প্রবেশ করার পর তাহিইয়াতুল ওযূ বা দুখূলুল মসজিদের ছালাত আদায় করা যাবে না। তবে ফজরের সুন্নাতের সাথে বা মাগরিবের আযানের পর সুন্নাতের সাথে দুখুলুল মসজিদের নিয়তে ছালাত আদায় করলে একই সঙ্গে উভয় সুন্নাত আদায় হয়ে যাবে। উক্ত কথার দলীল আছে কি?
প্রশ্ন (২২/৪২২) : হাদীছে বর্ণিত জামা‘আত বলে কি বুঝায়? হকপন্থী তথা নাজাতপ্রাপ্ত জামা‘আতের বৈশিষ্ট্য কি?
প্রশ্ন (৩৪/২৩৪) : আমরা দুই ভাই বিদেশে আছি। এখানে কাজের অভাব। আমার ভাই একটি নাইট ক্লাব ভবনে কাজ করে। যেহেতু নির্মাণের পর ঘরগুলো হারাম কাজে ব্যবহার হবে, তাই এর নির্মাণ কাজ করা আমার কাছে হারাম মনে হয়। অন্যদিকে অন্য কাজ না পাওয়ায় বসে থেকে ভাইয়ের হারাম ইনকামে চলতে হচ্ছে। আবার বাড়িতেও দরিদ্র পরিবারে সহযোগিতা করতে পারছি না। আবার অনেক অর্থ ব্যয় করে বিদেশে এসে দেশেও ফিরতে পারছি না। এক্ষণে আমার করণীয় কি? উক্ত কাজটি হারাম হবে কি?
আরও
আরও
.