উত্তর : সূরা হজ্জের ৩৪ ও ৩৬ নং আয়াতে البدن ও الأنعام শব্দদ্বয় উল্লিখিত হয়েছে, যা উট, গরু বা গরু জাতীয় পশুকে বুঝায়। আর মহিষ ও গরু যে একই জাতীয় পশু এ ব্যাপারে সকল বিদ্বান একমত। হাসান বাছরী বলেন, ‘মহিষ গরুর স্থলাভিষিক্ত’ (মুছান্নাফ ইবনু আবী শায়বা হা/১০৮৪৮; মির‘আত ৫/৮১ ‘কুরবানী’ অনুচ্ছেদ)। অতএব মহিষ কুরবানী দেওয়াতে কোন দোষ নেই (মাজমূ‘ ফাতাওয়া ওছায়মীন ২৫/৩৪, ‘কুরবানী’ অধ্যায়)।






প্রশ্ন (৩১/২৭১) : বিবাহের সময় মোহর নির্ধারণ না করা হ’লে বিবাহের পর করণীয় কি?
প্রশ্ন (১৬/৩৩৬) : জনৈক ব্যক্তি পবিত্র কুরআন নিয়ে দৃঢ়ভাবে শপথ করে যে, আল্লাহর কসম! আমি বাকী জীবনে এই পাপ আর করব না। কিন্তু শয়তানের ধোঁকায় পড়ে পুনরায় ঐ পাপে লিপ্ত হ’লে তার হুকুম কী?
প্রশ্ন (২৮/২৬৮) : আমাদের গ্রামে অনেকেই শুক্রবারে ছিয়াম রাখেন। এ ব্যাপারে শরী‘আতের নির্দেশনা কি?
প্রশ্ন (৩৮/৩৯৮) : ‘আক্বীদার মানদন্ডে তাবিজ’ বইয়ের ৬২ পৃষ্ঠায় রয়েছে ছালাত ত্যাগকারীর প্রতি শরীয়তের বিধান? প্রথমতঃ তাকে কোন মুসলিম মহিলার সাথে বিবাহ দেয়া শুদ্ধ হবে না। ছালাত না পড়া অবস্থায় যদি তার আকদ বা বিবাহ সম্পাদন করা হয় তাহলেও তার বিবাহ বাতিল বলে গণ্য হবে। এই বিবাহ বন্ধনের মাধ্যমে উক্ত স্ত্রী স্বামীর জন্য হালাল হবে না। দ্বিতীয়তঃ বিবাহ বন্ধন সম্পাদন হওয়ার পর যদি সে ছালাত ত্যাগ করে তাহ’লেও তার বিবাহ বাতিল হয়ে যাবে। বিবাহ বাতিল হওয়ার ব্যাপারে স্ত্রী মিলনের আগে হউক বা পরে হউক এতে কোন পার্থক্য নেই। তৃতীয়তঃ যে ব্যক্তি ছালাত পড়ে না, তার জবাইকৃত পশু খাওয়া যাবে না। উক্ত জবেহকৃত পশু হারাম। যদি কোন ইহুদী অথবা নাসারা খৃষ্টান জবেহ করে তা আমাদের জন্য খাওয়া হালা। এ বিষয়ে দলীল ভিত্তিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৯/৩০৯) : রুকূ‘ ও সিজদায় কত বার তাসবীহ পাঠ করতে হবে?
প্রশ্ন (৩১/৩৫১) : টয়লেটে বালতি ভরে পানি রেখে সেই পানিতে পরের দিন ওযূ করা যাবে না। কেননা শয়তান তাতে প্রস্রাব করে দেয়- একথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৭/২৭৭) : আমার ফরয ছালাতে ভুল হয়েছে। সালাম ফিরানোর পরে মনে হ’ল আমার সহো সিজদা করা হয়নি। ততক্ষণে আমার ওযূ নষ্ট হয়ে গেছে। এক্ষণে আমার করণীয় কী?
প্রশ্ন (১০/১৩০) : জনৈক ব্যক্তি তার পিতা-মাতার জন্য প্রতি ওয়াক্তে দু’রাক‘আত ছালাত অতিরিক্ত আদায় করে বখশিয়ে দেন। উক্ত আমল সঠিক হচ্ছে কি? - -ইমদাদুল হকবড়গাছি, পবা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২১/৬১) : আমি ২য় পক্ষ গ্রহীতা। আমার জমি ক্রয়ের প্রয়োজনে নগদ টাকার দরকার হওয়ায় ১ম পক্ষ দাতার কাছ থেকে নগদ ১ লক্ষ টাকা গ্রহণ করি। এর বিপরীতে ১ম পক্ষকে উক্ত টাকার উপর লাভ-লোকসানের ভিত্তিতে মাসিক আনুমানিক ১৫০০/= হারে প্রদান করতে বাধ্য থাকি। বছর শেষে তখনকার সময় জমির হারাহারি মূল্যের উপর লভ্যাংশ বিবেচনা করে চূড়ান্ত লাভ-লোকসান হিসাব করা হবে। উক্ত লভ্যাংশ গ্রহণ করা সূদ হবে কি-না। যদি সূদ হয়, তবে কোন পদ্ধতিতে সূদ হবে না জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৮/২১৮) : রামাযানে কারো অজ্ঞান হয়ে যাওয়া কি ছিয়াম ভঙ্গ হওয়ার কারণ?
প্রশ্ন (৩৮/২৭৮) : আমি দর্জির কাজ করি। মেয়েরা আমার নিকট থেকে টাইটফিট পোশাক তৈরী করে নেয়। এ জন্য কি আমি দায়ী হব?
প্রশ্ন (৩২/৩৯২) : ঋণ গ্রহণ করে কুরবানী দেওয়া যাবে কি?
আরও
আরও
.