উত্তর : দাহিয়াতুন অর্থ সেনাপ্রধান (আল-মু‘জামুল ওয়াসীত্ব)। ‘কালব’ একটি গোত্রের নাম (আল-ইস্তী‘আব, ক্রমিক ৭০১)। ছাহাবায়ে কেরাম ও সৎকর্মশীল মুমিনদের নামে নাম রাখা যাবে। আশারায়ে মুবাশশারাহর অন্যতম বিখ্যাত ছাহাবী হযরত যুবায়ের ইবনুল ‘আওয়াম (রাঃ) বলেন, ত্বালহা (রাঃ) তার সন্তানদের নাম নবীদের নামে রেখেছেন। মুহাম্মাদ (ছাঃ)-এর পরে আর কোন নবী নেই। অতএব আমি আমার পুত্রদের নাম শহীদদের নামে রাখব। ফলে তিনি তাঁর নয়জন পুত্রের নাম নয়জন শহীদের নামে রেখেছিলেন। যেন তারা তাদের মত আল্লাহর রাস্তায় শহীদ হয় (ইবনু সা‘দ, আত-ত্বাবাক্বাতুল কুবরা ৩/১০১ পৃ.)। 

প্রশ্নকারী : আহমাদ, পরশুরাম, ফেনী।






প্রশ্ন (২৫/৩৮৫) : হাফহাতা বা স্যান্ডো গেঞ্জি পরে ছালাত আদায় করা যাবে কি? - রফীক আহমাদ - বিরামপুর, দিনাজপুর
প্রশ্ন (২৩/৬৩): অপারেশনের মাধ্যমে তিনটি সন্তান হওয়ার পর পুনরায় গর্ভ ধারণ করা জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। এমতাবস্থায় স্থায়ী জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি গ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৯/৩৯) : আহলে ছহীহ হাদীছ বলা যাবে কি? কোন ইমাম কি এরূপ নাম ব্যবহার করেছেন? - -রূহুল আমীনবোঁচাগঞ্জ, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (২২/২২) : ছালাত অবস্থায় চোখ দিয়ে অনবরত পানি পড়ে। এতে ছালাতের কোন ক্ষতি হবে কি?
প্রশ্ন (৩/৮৩) : যারা সঊদী আরবের সাথে একই দিনে ছিয়াম ও ঈদ পালন করে, তাদেরকে খারেজী বলা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৮/২১৮) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, ‘মহিলাদের পবিত্রতা অর্জনের জন্য প্রথমে ঢিলা-কুলুখ ব্যবহারের পর পানি ব্যবহার করতে হবে। এ বক্তব্যের কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (১২/৩৭২) : সূরা হূদের ১০৭ ও ১০৮ নং আয়াতে জান্নাতবাসী ও জাহান্নামীদের ব্যাপারে বলা হয়েছে, তারা অনন্তকাল সেখানে থাকবে, যে পর্যন্ত আসমান ও যমীন স্থায়ী থাকবে। তবে আল্লাহ অন্য কিছু চাইলে ভিন্ন কথা’। উক্ত আয়াত থেকে বুঝা যায় যে, এক সময় জাহান্নামের শাস্তি থেকে সবাইকে রেহাই দেয়া হবে। চিরস্থায়ীভাবে কাউকে জাহান্নামে থাকতে হবে না। উক্ত আয়াতের ব্যাখ্যা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১০/২৫০) : এক মুষ্টি গম বা খেজুর দান করা বা মসজিদ থেকে ময়লা সরিয়ে ফেলা জান্নাতের হূরের মোহর হবে মর্মে বর্ণিত হাদীছগুলোর বিশুদ্ধতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৬/২৯৬) : জনৈক মেয়ে বিয়ের তিনদিনের মাথায় ‘খোলা‘ করে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। তাদের মধ্যে কোন নির্জনবাস হয়নি। এক্ষণে ঐ মেয়েকে কতদিন ইদ্দত পালন করতে হবে? - -আতাউর রহমান, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৮/২৪৮) : জনৈক বক্তা বলেন, কোন ব্যক্তি যদি গোনাহ করে, তাহ’লে গোনাহ লেখক ফেরেশতা ছয় ঘন্টা অপেক্ষা করে। এর মধ্যে যদি সে তওবা করে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে তাহ’লে উক্ত গোনাহ লেখা হয় না। আর তওবা না করলে একটি গোনাহ লেখা হয়। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানতে চাই। - -জাহিদ হাসান রাজীব, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৯/১৪৯) : মহিষ, ঘোড়া ও গাধার দুধ ও গোশত হালাল কি?
প্রশ্ন (২৯/১৪৯) : ফরয ছিয়ামরত অবস্থায় ইচ্ছাকৃত পানাহার করলে তার জন্য কাফফারা কি হবে? - -আব্দুল ক্বাইয়ূম, চট্রগ্রাম।
আরও
আরও
.