উত্তর : মসজিদ নির্মাণ করা হয় ইবাদতের জন্য। রাসূল (ছাঃ) বলেন, এই মসজিদগুলো এমন কিছু কাজের জন্য নির্মাণ করা হয়নি। যেমন পেশাব বা নাপাক কাজ। এগুলো শুধুই আল্লাহর যিকির, ছালাত এবং কুরআন তেলাওয়াতের জন্য নির্মাণ করা হয় (মুসলিম হা/২৮৫)। আর মানুষের রক্ত অপবিত্র যা মসজিদে পড়লে স্থান অপবিত্র হয়ে যাবে। সুতরাং রক্তদান কর্মসূচী জনকল্যাণমূলক হ’লেও তা মসজিদের বাইরে করতে হবে (বাহূতী, কাশশাফুল কেনা‘ ২/৩৭০; শরহ মুখতাছারে খলীল ২/২৭৬)

প্রশ্নকারী : ছাবের, বাগমারা, রাজশাহী।








বিষয়সমূহ: বিধি-বিধান
প্রশ্ন (৩/৪৪৩) : শিরকের গুনাহ থেকে ফিরে আসার জন্য তওবা করার পর নতুনভাবে কালেমা পাঠ এবং নতুনভাবে বিবাহ নবায়ন করতে হবে কি? - -ছাবীহা আফরীন, আজিমপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৫/১৭৫) : জনৈক ব্যক্তি একটি গার্মেন্টসে কাজ করে, যেখানে তার দায়িত্ব হ’ল কর্মীদের কাজ পর্যবেক্ষণ করা এবং তাদের দিয়ে টার্গেট পূরণ করানো। অনেক সময় কর্মীরা ঠিকমতো কাজ করে না। তখন সে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করতে বাধ্য হয় এবং অশিক্ষিত হওয়ায় মন্দ ভাষাও ব্যবহার করতে হয়। অন্যথা তারা কাজ করে না। টার্গেট পূরণ করতে না পারলে মালিকও মন্দ ভাষা ব্যবহার করেন। সে জানে ইসলামে গালাগালি নিষিদ্ধ। এক্ষণে একাজ করা তার জন্য জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১/১) : হেযবুত তওহীদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই। - -হাফীযুর রহমান, মাদারটেক, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৩/১৩) : দাড়ি রাখা নিষেধ এরূপ প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/১৫৪) : ‘তুমি যদি ছেলেটার সাথে আরেকবার কথা বল তাহ’লে তালাক’। এক্ষণে যদি স্ত্রী সেই ছেলের সাথে কথা বলে তাহ’লে কি তিন তালাক হয়ে যাবে নাকি এক তালাক হবে? - -তরীকুল ইসলাম, ঢাকা।
প্রশ্নঃ (১৫/১৭৫) : গরু ও ছাগল খাসী করার শারঈ কোন বিধি-নিষেধ আছে কি?
প্রশ্ন (১/১২১) : ওছমান (রাঃ) জুম‘আর দ্বিতীয় আযান চালু করে কি সুন্নাতবিরোধী আমল করেছিলেন? - -মোবারক হোসাইন, রাণীবাজার, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২/৩২২) : জনৈক বিদ্বান বলেন, দাজ্জাল ও ইমাম মাহদী আসার পূর্বে ছোট ছোট দাজ্জাল ও ইমাম মাহদী আসবে। একথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৩৫/১১৫) : মুওয়াযযিন ফজরের ১৫ থেকে ৩০ মিনিট পূর্বে আযান দেন। এভাবে ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বে আযান দেওয়া জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৫/৩২৫) : অসুস্থতার কারণে ইমাম বসে ছালাত আদায় করলে মুক্তাদীরা দাঁড়িয়ে ছালাত আদায় করতে পারবে কি? হাদীছটির ইবারতসহ জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৪/২০৪) : আমি সেনাবাহিনীতে কর্মরত আছি। বাহিনীর নিয়ম অনুযায়ী কোন সেনা সদস্য চাকুরীরত অবস্থায় ব্যবসা-বাণিজ্য করতে পারবে না। এক্ষণে চাকুরীরত অবস্থায় কোন ব্যবসায়িক পণ্য যেমন-স্বর্ণ, জমি ইত্যাদি কিনে রেখে পেনশনে গিয়ে বিক্রি করা এবং তার লভ্যাংশ ভোগ করা হারাম হবে কি?
প্রশ্ন (১৩/১৭৩) : আমার শ্রম আর বন্ধুর টাকায় আমরা ব্যবসা করি এবং লাভ নেই সমান হারে। এক্ষণে যদি ব্যবসায় লোকসান হয় তাহ’লে আমার বন্ধুর টাকাতেই সেটা হচ্ছে। তাহ’লে এ ক্ষেত্রে লোকসানের ভাগীদার কে হবে? দু’জনেই, নাকি বন্ধু একাই হবে? - -মুহাম্মাদ তরীকুল ইসলাম, বখশী বাযার, ঢাকা।
আরও
আরও
.