উত্তর : বিভিন্ন কারণে প্রচলিত শেয়ার বেচাকেনার ব্যবসা জায়েয নয়। যেমন- (১) ক্রেতার অনেক সময় সম্যক জ্ঞান থাকে না যে কী বস্ত্তর শেয়ার তিনি ক্রয় করেছেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) হারাম বস্ত্তর ক্রয়-বিক্রয় হারাম করেছেন (আবুদাঊদ হা/৩৪৮৮)। (২) যে বস্ত্তর শেয়ার কেনা-বেচা হয়, তা অস্পষ্ট ও অজ্ঞাত থাকে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এমন ক্রয়-বিক্রয়কে ধোঁকা বলেছেন (তিরমিযী হা/১২৩৪; মিশকাত হা/২৮৭০)। (৩) শেয়ার ব্যবসায় পণ্য নিজ আয়ত্বে না নিয়েই ক্রয়-বিক্রয় করা হয়। অথচ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বস্ত্ত ক্রয়ের পর তা নিজ মালিকানায় নিয়ে আসার পূর্বে বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন (মুসলিম, বুলূগুল মারাম হা/৭৮৫)। (৪) শেয়ার ব্যবসায় ফাটকাবাজারীর প্রচুর সুযোগ রয়েছে। যেখানে ক্রেতা-বিক্রেতা কেউ পণ্য দেখে না। অথচ ঘণ্টায় ঘণ্টায় দর উঠা-নামা হয়। তাছাড়া অনেক সময় কোম্পানী প্রকৃত তথ্য গোপন রাখে। কখনো কারখানা তৈরী না করেই বাজারে তার শেয়ার ছাড়া হয় এবং নতুন শেয়ারে অধিক লাভ ধারণা করে সেটিকে লোকেরা অধিক মূল্যে ক্রয় করে। এছাড়াও নিত্যনতুন ছলচাতুরী শেয়ারবাজারে প্রতিনিয়ত যুক্ত হচ্ছে। (৫) এতে সূদের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে। বর্তমানে অধিকাংশ শেয়ার ব্যবসা সূদী ঋণের ভিত্তিতে করা হচ্ছে। অতএব শেয়ার ব্যবসা থেকে বিরত থাকা আবশ্যক। উল্লেখ্য যে, যদি সাধারণভাবে কোন শেয়ার ব্যবসা সূদমুক্ত, প্রতারণাবিহীন ও ছলচাতুরীমুক্ত হয়, তাহ’লে তা জায়েয (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৪/২৯৯-৩০০)

প্রশ্নকারী : ওছমান গণী, মীরপুর, ঢাকা।








প্রশ্ন (৭/৭) : বিবাহ ঠিক হওয়ার সময় শারঈ জ্ঞান না থাকায় মোহরানা অধিক পরিমাণে নির্ধারণ করা হয়। ছাত্রজীবনে থাকায় ব্যক্তিগত কোন উপার্জন নেই। ফলে পরিশোধেরও সামর্থ্য নেই। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৭/১০৭) : মোবাইল অপারেটরের পক্ষ থেকে মোবাইল ব্যালান্স লোন হিসাবে দেওয়া হয়। এটা পরিশোধ না করে যদি কেউ মৃত্যুবরণ করেন তাহ’লে তিনি অপরাধী হবেন কি?
প্রশ্ন (৭/৮৭) : ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াদাহু... আহাদান ছামাদান লাম ইয়ালিদ... ওয়ালাম ইয়াকুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ। এ দো‘আটি পাঠ করলে ৪০ লক্ষ নেকী হয়’ এ বক্তব্যের সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৪/১৬৪) : আল্লাহর ৯৯টি নামের হাদীছটি ছহীহ না যঈফ। জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৩/৬৩) : হজব্রত পালনরত অবস্থায় কেউ মৃত্যুবরণ করলে তার জন্য বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি? - -সফীউদ্দীন আহমাদপাঁচদোনা, নরসিংদী।
প্রশ্ন (৫/৪৫) : আইয়ামে বীযের ছিয়াম মাসের যেকোন দিন রাখতে পারবে কি? - -আহমাদুল্লাহ, নওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২/৪০২) : ঘুমানোর সময় বা অন্য সময় ক্বিবলার দিকে পা রাখা যাবে কি? অনেক আলেম এটাকে কঠোরভাবে নিষেধ করেন। সঠিক সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৩/২৯৩) : জনৈক আলেম বলেন, কসম ভঙ্গের কাফফারা হচ্ছে একটানা ৩টি ছিয়াম পালন করা। মাঝে একটি ছুটে গেলে তিনটির সাথে আরো একটি যোগ করতে হবে। এ বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৪/১৪) : শোনা যায়, পিতা-মাতা আছে এমন শিশুদের মাথায় হাত বুলালে দশ নেকী হয়। কিন্তু ইয়াতীমের মাথায় হাত বুলালে তার মাথার চুলের সমপরিমাণ নেকী পাওয়া যায়, এ কথার ছহীহ দলীল জানতে চাই।
প্রশ্ন (১০/৫০) : তিন/চার রাক‘আত বিশিষ্ট ছালাতে প্রথম বৈঠকের পর ভুল করে সালাম ফিরিয়ে ফেললে করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৮/৪৬৮) : নফল ছিয়ামের মধ্যে কোনটি অধিক উত্তম; আইয়ামে বীয না সোম ও বৃহস্পতিবারের ছিয়াম? - -ডা. যিয়া, ইবনে সিনা হাসপাতাল, ঢাকা।
প্রশ্ন (৮/৪৪৮) : অধিকাংশ আলেম বলেন, তারাবীহ ও তাহাজ্জুদ পৃথক ছালাত। তাহাজ্জুদ ১১ রাক‘আত আর তারাবীহ ২০ রাক‘আত। উক্ত বক্তব্য কি সঠিক?
আরও
আরও
.