উত্তর : স্ত্রী যদি মনে করে স্বামী জানতে পারলে মেনে নিবেন না, তাহ’লে দান করতে পারবে না। কারণ স্বামীর অনুমতি ছাড়া দান করা নিষেধ (তিরমিযী, মিশকাত হা/১৯৫১, সনদ হাসান)। সংসার ধ্বংসকর নয় এমন দান করা যাবে। এতে স্ত্রী, স্বামী এবং রক্ষণাবেক্ষণকারীও ছওয়াব পাবে (বুখারী হা/১৪২৫; মুসলিম হা/১০২৪; মিশকাত হা/১৯৪৭)। অন্য হাদীছে এসেছে, স্বামীর নির্দেশ ছাড়া দান করলে স্ত্রী অর্ধেক ছওয়াব পাবে’ (বুখারী হা/২০৬৬; মিশকাত হা/১৯৪৮)




বিষয়সমূহ: মীরাছ
প্রশ্ন (২৮/১৮৮) : পিতা আমাকে নটরডেম কলেজে ভর্তি হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। মিশনারী স্কুল হওয়ায় সেখানে ক্রুশ চিহ্ন সম্বলিত ইউনিফর্ম পরিধান করা অপরিহার্য। এরূপ প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা গ্রহণ করা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (১/১৬১) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কি কোন কারণে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন?
প্রশ্ন (৩৪/১৯৪) : মরণোত্তর চক্ষুদান বা দেহ দান করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২২/৪৬২) : আমার এক আত্মীয় মারা যাওয়ার সময় এমন এক অছিয়ত করে গেছেন, যা পূরণ করতে তার রেখে যাওয়া সব সম্পদ লাগবে। এমতাবস্থায় করণীয় কী?
প্রশ্ন (৩৭/১৯৭) : চকলেট সহ বিভিন্ন খাবারের লোভ দেখিয়ে শিশুদের মসজিদে এনে ছালাত পড়ানো যাবে কি?
প্রশ্ন (১/৩২১) : তরকারীর লবণ চেখে স্বাদ পরীক্ষা করে দেখলে ছিয়াম ভঙ্গ হয়ে যাবে কী?
প্রশ্ন (৩৯/৪৩৯) : কোন ব্যক্তির মাঝে মুনাফিকের আলামত দেখা গেলে তাকে মুনাফিক বলে ডাকা যাবে কি? - -আব্দুল মাজেদ, কাউনিয়া, রংপুর।
প্রশ্ন (১৯/২১৯) : আমার স্বামীর একাধিক স্ত্রী আছে। এক্ষণে আমার কাছে না থাকার দিনে আমি স্বামীর অনুমতি ব্যতীত নফল ছিয়াম পালন করতে পারব কি?
প্রশ্ন (৩০/১১০) : চুরি, মদ্যপান, জুয়া খেলা ও মিথ্যা কথা বলায় অভ্যস্ত জনৈক ব্যক্তি রাসূল (ছাঃ)-এর নিকটে এসে তওবা করতে চাইলে তিনি তাকে কেবল মিথ্যা বলা থেকে নিষেধ করেন। লোকটি তা মেনে নিয়ে বাকী তিনটি কাজ করতে চায়। কিন্তু সত্য কথা বলতে গিয়ে পর্যায়ক্রমে সে বাকী কাজগুলি থেকে তওবা করতে বাধ্য হয়। এ কাহিনীটির কোন সত্যতা আছে কি? - -মামূন, মালিটোলা, ঢাকা।
প্রশ্ন (১৭/১৭) : জুম‘আর দিন ফজরের পর থেকে জুম‘আর ছালাতের পূর্ব পর্যন্ত মসজিদের ভিতরে কোন ইসলামী আলোচনা বৈঠক করা যাবে কি? - -আলে-ইমরানগ্রীণ ইউনিভার্সিটি, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩৭/১৫৭) : সফরে বের হওয়ার পূর্বে যোহরের সময় যোহর-আছর একত্রে জমা ও ক্বছর করে বের হওয়া যাবে কি? - -মুহাম্মাদ ফখরুল ইসলাম, মাহিলাড়া, বরিশাল।
প্রশ্ন (৩৯/১৫৯) : আমরা তিন জন পার্টনার মিলে একটা অনলাইন ভিত্তিক কোচিং সেন্টার খুলেছি। যেখানে জজ, উকিল ইত্যাদি পেশার কোচিং করানো হয়। আমি সেন্টারের ওয়েবসাইট তৈরী, এড পরিচালনা, রেকর্ডিং করা ইত্যাদি কাজগুলো করি। আমাদের শিক্ষিকারা বেপর্দা অবস্থায় জুম-এ ভিডিও ক্লাস নেন। সেকারণ একদল বেপর্দা নারীদের ভিডিও, ছবি ইত্যাদি নিয়েই আমাকে কাজ করতে হয়। এরূপ চাকরী করা জায়েয হবে কি?
আরও
আরও
.