উত্তর : ছালাতে সাধারণভাবে দৃষ্টি থাকবে সিজদার স্থানে। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূল (ছাঃ) যখন কা‘বা ঘরে ঢুকে ছালাত আদায় করলেন, তখন তাঁর দৃষ্টি ছালাত শেষ হওয়া পর্যন্ত সিজদার স্থান থেকে সরেনি (হাকেম হা/১৭৬১; ছহীহ ইবনু খুযায়মা হা/৩০১২; ছিফাতু ছালাতিন নবী (ছাঃ) ১/৬৯)। অন্যত্র তিনি বলেন, রাসূল (ছাঃ) যখন রুকূ করতেন, মাথা উপরেও করতেন না এবং নীচুও করতেন না। বরং তার মাঝামাঝি রাখতেন (মুসলিম হা/৪৯৮, মিশকাত হা/৭৯১)। আর তাশাহহুদে বসা অবস্থায় রাসূল (ছাঃ) তর্জনী আঙগুল দ্বারা ইশারা করতেন এবং তাঁর দৃষ্টি আঙগুলের ইশারা বরাবর থাকত, তার বাইরে যেত না (আবুদাউদ হা/৯৮৮, ৯৯০; নাসাঈ হা/১২৭৫; মিশকাত হা/৯১২)। ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, তাশাহহুদের সময় দৃষ্টি আঙগুলের উপর রাখাই সুন্নাত (নববী, শারহ মুসলিম হা/৯১০, নায়লুল আওত্বার ২/৩১৭)।

প্রশ্নকারী : মাস‘ঊদ, রাজশাহী।








বিষয়সমূহ: ছালাত
প্রশ্ন (২/২৪২) : আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন ছাত্র এক সাথে থাকি। অনেকে ছালাত আদায় করে না; বরং অশ্লীল কাজের সাথে জড়িত। তাদের সাথে থাকা যাবে কি?
প্রশ্ন (২/১৬২) : বিতর ছালাতে কুনূত পড়ার সময় হাত তোলা যাবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/১১৬) : প্রাণীর ছবি খোদাই করা পাত্রে পানি খেলে উক্ত খাবার হারাম হয়ে যাবে কি?
প্রশ্ন (১৭/৪১৭) : বর্তমানে সেলিব্রিটি বা অমুসলিমদের অনুকরণে বিভিন্ন স্টাইলে মাথার চুল কাটা হয়। এরূপ করা জায়েয কি?
প্রশ্ন (২/২০২) : জনৈক তালাক প্রাপ্তা মহিলার আরেকজন পুরুষের সাথে বিবাহ হয়েছে। মহিলাটির আগে থেকে একটি মেয়ে এবং পুরুষটির একটি ছেলে রয়েছে। উভয়ের মাঝে বিবাহ জায়েয হবে কি? - আরিফ খান, ত্রিশাল, ময়মনসিংহ।
প্রশ্ন (৫/১৬৫) : ওকালতি পেশা গ্রহণ করা শরী‘আতসম্মত কি? এ পেশায় থাকতে হ’লে কোন কোন বিষয় থেকে সতর্ক থাকা যরূরী?
প্রশ্ন (৩৩/৪৩৩) : রামাযান মাসে ক্বদরের রাত্রে পশু-পাখি, গাছপালা, কীট-পতঙ্গ ইত্যাদি সবই আল্লাহকে সিজদা করে। একথা কি সঠিক?
প্রশ্ন (২৮/৩৮৮) : সামাজিক ঐক্য রক্ষার্থে সাময়িকভাবে বিদ‘আতী আমল করা যাবে কি? - -সজীব আহমাদ, সফীপুর, গাযীপুর।
প্রশ্ন (২০/৩৮০) : মাথার চুল রাখার সুন্নাতী তরীকা কি কি? - আলতাফ হোসাইন, জামিরা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৯/৪২৯) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) তাঁর পালক পুত্র যায়েদ বিন হারিছার স্ত্রী যয়নাবকে বিবাহ করেন। এটা কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৮/৯৮) : বহু দিন হায়েয বন্ধ থাকার পর কালো রক্ত আসলে সেটি হায়েয হিসাবে গণ্য হবে কি?
প্রশ্ন (৩২/২৭২) : বুখারীতে এসেছে আল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি আমার কোন অলীর সাথে শত্রুতা পোষণ করে আমি তার বিরুদ্ধে লড়াই ঘোষণা করি।... যখন আমি তাকে ভালবাসি তখন আমি তার কর্ণ হয়ে যাই, যা দিয়ে সে শুনে। আমি তার চক্ষু হয়ে যাই, যা দিয়ে সে দেখে। আমি তার হাত হয়ে যাই, যা দিয়ে সে ধরে। আমি তার পা হয়ে যাই, যা দিয়ে সে চলাফেরা করে। সে আমার কাছে কিছু প্রার্থনা করলে, আমি তাকে তা দেই। সে যদি আমার নিকট আশ্রয় চায়, তাহ’লে আমি তাকে আশ্রয় দেই।- এ হাদীছের ব্যাখ্যা কি? কারণ এ হাদীছ থেকে বাতিলপন্থীরা দলীল গ্রহণ করে।
আরও
আরও
.