উত্তর : বারো ইমামের অনুসারী শী‘আ ও রাফেযী নারীদের বিবাহ করা যাবে না। কারণ তাদের আক্বীদা মুশরিকদের ন্যায়। আল্লাহ বলেন, আর তোমরা মুশরিক নারীদের বিয়ে করো না, যতক্ষণ না তারা ঈমান আনে (বাক্বারাহ ২/২২১)। শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, রাফেযা নারীকে বিয়ে করা কোন মুসলমানের জন্য সমীচীন নয় (মাজমূ‘উল ফাতাওয়া ৩২/৬১)। সঊদী আরবের সর্বোচ্চ ওলামা পরিষদ অনুরূপ মত ব্যক্ত করেছে (ফৎওয়া লাজনা দায়েমাহ ২/৩৭৩)। যদি তওবা করে ও সঠিক দ্বীনে ফিরে আসে তাহ’লে বিবাহে কোন বাধা নেই।






প্রশ্ন (৪/৪৪) : কবরে যারা মুক্তি পেয়ে সুখে-শান্তিতে অবস্থান করবে, বিচারের পর তাদের জাহান্নামে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে কি? - -জসীমুদ্দীন, দক্ষিণপাড়া, মহাখালী, ঢাকা।
প্রশ্ন (৫/২৪৫) : কোন বিষয়ের সমাধানকল্পে গুরুত্ব বুঝানোর জন্য মসজিদের ভিতর কসম করা যাবে কি? - -হাফেয লুৎফর রহমান, গাবতলী, বগুড়া।
প্রশ্ন (১৬/৩৩৬) : জনৈক আলেম বললেন, মানুষের মাথা, কান ও গালে আঘাত করতে রাসূল (ছাঃ) নিষেধ করেছেন। এক্ষণে স্কুল শিক্ষকগণ এরূপ করলে ছাত্রদের করণীয় কি?
প্রশ্ন (২/২৮২): ফরয ছালাতের শেষ বৈঠকে আত্তাহিইয়াতু, দরূদ না পড়ে কেউ যদি ঘুমিয়ে যায়, তাহ’লে তার ছালাত হবে কি?
প্রশ্ন (৫/৪৪৫): আমাদের সমাজে সন্তানের খাৎনা উপলক্ষে বড় অনুষ্ঠান করে মানুষকে খাওয়ানো হয় এবং সন্তানকে নতুন কাপড় কিনে দিয়ে ধারণা করা হয় যে, সে আজ থেকে প্রকৃত মুসলমান হ’ল। শরী‘আতে এসব কাজের কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (২০/৪৬০) : যাকাতের টাকা ইসলাম প্রচারের কাজে ব্যয় করা যাবে কি? যেমন ইসলামিক সিডি, বই, ক্যাসেট ইত্যাদি কিনে বিতরণ করা হয়।
প্রশ্ন (১৮/৪৫৮) : মহিলাদের জন্য বাড়িতে থাকা অবস্থায় ফরয ছালাত জামা‘আতে না একাকী পড়া উত্তম?
প্রশ্ন (২২/২২) : সূরা বাক্বারার ৬২ ও মায়েদার ৬৯ আয়াত অনুযায়ী বুঝা যায় যে, ইহূদী, নাছারা ও অগ্নিপূজকেরাও কেবল আল্লাহ ও পরকালে বিশ্বাস করলে এবং সৎকর্ম করলে জান্নাতে চলে যাবে। হাদীছ অস্বীকারকারীরা এর দ্বারা বলতে চায় যে, তারাও জান্নাতে যাবে। এর সঠিক ব্যাখ্যা জানতে চাই।
প্রশ্ন (১৪/২১৪) : কোন মুছল্লী জেহরী ছালাতের কিছু অংশ পাওয়ার পর বাকী অংশে সরবে না নীরবে ক্বিরাআত করবে? - একরামুল হক, গোবিন্দগঞ্জ, গাইবান্ধা।
প্রশ্ন (২২/১০২) : ই‘তিকাফে প্রবেশ করার ও বের হওয়ার সঠিক সময় জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : জনৈক লেখক দাবী করেছেন, ইমাম আবু হানীফার জন্ম ৮০ হিজরীতে আর মৃত্যু ১৫০ হিজরীতে। ইমাম বুখারীর জন্ম ১৯৪ হিজরীতে আর মৃত্যু ২৫৬ হিজরীতে। সুতরাং আবু হানীফার কথা বাদ দিয়ে ইমাম বুখারীর সংগৃহীত হাদীছ গ্রহণ করা যাবে না। কারণ ইমাম বুখারীর চেয়ে ইমাম আবু হানীফা অনেক পূর্ববর্তী। উক্ত দাবীর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৫/১৯৫) : মসজিদের সামনে আরবীতে ‘লা ইলা-হা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ’ লেখা এবং মিম্বরে টাইল্স বসানো যাবে কি?
আরও
আরও
.