উত্তর : ইহরাম বাঁধা হয় হজ্জ ও ওমরাহ পালনের উদ্দেশ্যে। এ সময় বলতে হয় ‘লাববাইক ওমরাতান’ অথবা ‘হাজ্জান’ (হে আল্লাহ! আমি ওমরাহ অথবা হজ্জের উদ্দেশ্যে তোমার দরবারে হাযির) (মুসলিম হা/১২৩২)। সেকারণ ইহরাম বেঁধে বায়তুল্লাহ ব্যতীত অন্যত্র যাওয়ার কোন সুযোগ নেই। রাসূল (ছাঃ) হজ্জ ও ওমরাহ পালনকারীদের জন্যই মীক্বাত নির্ধারণ করেছেন (বুখারী, মুসলিম; মিশকাত হা/২৫১৬ ‘হজ্জ’ অধ্যায়)। তবে সফরসূচী যদি জেদ্দা থেকে মদীনা হয়, সেক্ষেত্রে ইহরাম না বেঁধেই মদীনা গমন করবেন। অতঃপর সেখান থেকে আসার পথে যুল-হুলায়ফা মীক্বাত থেকে ইহরাম বেঁধে মক্কায় এসে ওমরাহ ও হজ্জ পালন করবেন।






প্রশ্ন (৬/৩২৬) : রাতে ঘুমানোর পূর্বে ওযূ করে শুয়ে পড়ার কিছুক্ষণ পর পুনরায় পেশাব করতে হয়েছে। সেক্ষেত্রে কি পুনরায় ওযূ করতে হবে?
প্রশ্ন (৬/২৮৬) : জনৈক ব্যক্তি একটি কঠিন পাপকর্ম থেকে তওবা করার পর শয়তানের ধোঁকায় পড়ে পুনরায় উক্ত গোনাহে লিপ্ত হয়েছে। এক্ষণে উক্ত ব্যক্তির করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৬/৬৬) : আমার বন্ধু বিবাহের সময় কবরপুজার শিরকে পুরোপুরি লিপ্ত ছিল। অন্যদিকে তার স্ত্রী বিশুদ্ধ আক্বীদাসম্পন্ন ছিল। পরবর্তী সে শিরকী কার্যক্রম থেকে ফিরে আসে। বিবাহের সময় ভ্রষ্ট আক্বীদাসম্পন্ন হওয়ায় এখন পুনরায় বিবাহ পড়াতে হবে কি? - -যিয়াউর রহমান, মহাখালী, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৩/১৯৩) : ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছিলেন, ‘প্রত্যেক উম্মতের একজন ফেরাউন থাকে, আর আমার উম্মতের ফেরাউন হ’ল আবু জাহল’। মর্মে বর্ণিত হাদীছটির বিশুদ্ধতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৫/৩৫৫) : আমি হজ্জে যাওয়ার ক্ষেত্রে আমার কিছু বন্ধু আমাকে রাসূল (ছাঃ)-এর কবর যিয়ারতের সময় সালাম পৌঁছানোর দায়িত্ব দিয়েছে। এভাবে সালাম পাঠানো শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (২৬/৬৬) : প্রভিডেন্ট ফান্ডে জমাকৃত টাকার যাকাত দিতে হবে কি? সেখানে সূদ সহ টাকা জমা হয়। এক্ষণে এর যাকাত দিবে কিভাবে?
প্রশ্ন (৩৭/৩৭) : মেয়ের অভিভাবক অশিক্ষিত হওয়ায় ছেলে পক্ষের জনৈক ব্যক্তিকে উকীল বানিয়ে বিবাহ পড়ানো হয়েছে। উক্ত বিবাহ সঠিক হয়েছে কি? - -আব্দুস সালামইসলামপুর, নিয়ামতপুর, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৪/৮৪) : আমার এক ছেলে অনেক ঋণের মধ্যে পড়েছে যা পরিশোধ করতে ২ বিঘা জমি বিক্রয় করতে হবে। এক্ষণে অন্য সন্তানদের অবহিত না করে আমার স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করে তার ঋণ পরিশোধ করা জায়েয হবে কী?। - -মুনীরুল ইসলাম, নাচোল, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (১/৩২১) :এশার ছালাতের পর বিতর আদায় করলে বিতরের পর বসে নির্ধারিত সূরা দিয়ে দুই রাক‘আত ছালাত আদায়ের কথা হাদীছে এসেছে। এক্ষণে রামাযানে এশার পর তারাবীহ পড়ে উক্ত ছালাত পড়া যাবে কি?
প্রশ্ন (১২/১৭২) : বিতর ছালাতের শেষ রাক‘আতে দো‘আ কুনূতের সাথে আর কি কি দো‘আ পড়া যাবে?
প্রশ্ন (২৮/৪৬৮) : আলহামদু লিল্লাহি ওয়াহদাহ, ওয়াছ ছালাতু ওয়াস সালামু মাল্লা নাবিইয়া বা‘দাহ খুৎবাটি কোন হাদীছের আলোকে বলা হয়? দলীলসহ জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (১৬/১৭৬) : জনৈক আলেম সূরা মায়েদাহ ৩৩ আয়াত এবং আবুদাঊদ হা/৪৩৫৩ উল্লেখ করে ৪ প্রকার দন্ডের কথা উল্লেখ করেন। আমরা জানি মুরতাদের শাস্তি কেবল মৃত্যুদন্ড। এক্ষণে এ ব্যাপারে সমাধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.