উত্তর : এমতাবস্থায় আন্তরিক তওবা করতে হবে। বার বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকবে এবং দান-ছাদাক্বার মাধ্যমে নিজেকে পবিত্র করার চেষ্টা করবে। আল্লাহ চাইলে তাকে ক্ষমা করে দিতে পারেন। তাতে তার কবরে পাপের বোঝা যুক্ত হবে না ইনশাআল্লাহ। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, অনুশোচনাই হ’ল তওবা। আর যে ব্যক্তি গুনাহ থেকে তাওবা করে, সে যেন গুনাহহীন ব্যক্তির মত (তাবারানী কাবীর হা/৭৭৫; ছহীহুল জামে‘ হা/৬৮০৩)। তবে এসব ক্ষেত্রে তার এবং তার উত্তরসূরীদের জন্য কর্তব্য হচ্ছে সম্ভবপর অশ্লীলতার উৎসগুলো মুছে ফেলা। কেননা তওবা না করলে বা কবুল না হ’লে এসমস্ত কাজ ‘গুনাহ-এ-জারিয়া’ বা চলমান পাপ হিসাবে অব্যাহত থাকে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে কেউ ইসলামে খারাপ কাজের পথ চালু করল, তার নিজের গুনাহের পাশাপাশি সে পথে যারা চলবে তাদের গুনাহও তার ওপর বর্তাবে (মুসলিম হা/১০১৭; মিশকাত হা/২১০)।
প্রশ্নকারী : কামারুয্যামান, ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক।