উত্তর : এমতাবস্থায় আন্তরিক তওবা করতে হবে। বার বার আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইতে থাকবে এবং দান-ছাদাক্বার মাধ্যমে নিজেকে পবিত্র করার চেষ্টা করবে। আল্লাহ চাইলে তাকে ক্ষমা করে দিতে পারেন। তাতে তার কবরে পাপের বোঝা যুক্ত হবে না ইনশাআল্লাহ। কারণ রাসূল (ছাঃ) বলেন, অনুশোচনাই হ’ল তওবা। আর যে ব্যক্তি গুনাহ থেকে তাওবা করে, সে যেন গুনাহহীন ব্যক্তির মত (তাবারানী কাবীর হা/৭৭৫; ছহীহুল জামে‘ হা/৬৮০৩)। তবে এসব ক্ষেত্রে তার এবং তার উত্তরসূরীদের জন্য কর্তব্য হচ্ছে সম্ভবপর অশ্লীলতার উৎসগুলো মুছে ফেলা। কেননা তওবা না করলে বা কবুল না হ’লে এসমস্ত কাজ ‘গুনাহ-এ-জারিয়া’ বা চলমান পাপ হিসাবে অব্যাহত থাকে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে কেউ ইসলামে খারাপ কাজের পথ চালু করল, তার নিজের গুনাহের পাশাপাশি সে পথে যারা চলবে তাদের গুনাহও তার ওপর বর্তাবে (মুসলিম হা/১০১৭; মিশকাত হা/২১০)। 

প্রশ্নকারী : কামারুয্যামান, ঠিকানা প্রকাশে অনিচ্ছুক।








বিষয়সমূহ: পাপ
প্রশ্ন (৩৬/১৫৬) : ক্বিয়ামত ততক্ষণ পর্যন্ত সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ না ব্যবসার কাজে স্ত্রী তাঁর স্বামীকে সহযোগিতা করবে- মর্মে বর্ণিত হাদীছটির ব্যাখ্যা কি?
প্রশ্ন (২৯/৩৫০) : বিতর ছালাতের কুনূত হিসাবে আমাদের এলাকায় আল্লাহুম্মা ইন্না নাস্তাঈনুকা ওয়া নাস্তাগফিরুকা... পড়া হয়। কিন্তু জনৈক আলেম বলেন, বিতরের কুনূতে উক্ত দো‘আ পড়ার কোন দলীল নেই। উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৪/৪৫৪) : তাজবীদ শিক্ষা ব্যতীত কুরআন পাঠ করা জায়েয কি?
প্রশ্নঃ (৩/২৮৩) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কি নিজ পরিবারের জন্য এক বছরের খাদ্য জমা রাখতেন?
প্রশ্ন (৩৬/২৩৬) : মহিলাদের কণ্ঠে ইসলামী গান শোনা শরী‘আতসম্মত হবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৪৩৬) : পিতা সন্তানকে অছিয়ত করে গেলেন জানাযার ছালাত পড়ানোর জন্য, তবে পিতা যখন মারা গেলেন তখন সন্তানের জানাযার দো‘আ মুখস্থ নেই। মৃতের মেয়ে জামাই একজন আলেম। এমতাবস্থায় সন্তানের করনীয় কি?
প্রশ্ন (২৪/২৬৪) : ঘোড়া ও গাধার গোশত খাওয়া কি হালাল?
প্রশ্ন (১০/৫০) : কোন মানুষের নাম রববানী রাখা যাবে কি? এছাড়া কাউকে নাম হিসাবে রাববী বলে ডাকা যাবে কি? - -ফযলে রাববী, বঙ্গবন্ধু কলেজ, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১৮/২৯৮) : মসজিদে নববীতে একাধারে ৪০ ওয়াক্ত ছালাত আদায়কারী জাহান্নামের আগুন ও মুনাফিকের আলামত থেকে মুক্তি পাবে মর্মে কোন বিধান আছে কি?
প্রশ্ন (২১/৩০১) : পিতার অবর্তমানে আমার অমতে বড় ভাই আমাকে বিবাহ দেন। বিবাহে আমি কবুল বলিনি এবং কাবিননামায় স্বাক্ষর করিনি। এরপর সংসার হয়, সন্তান হয়। একসময় আমরা আলাদা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেই। কিন্তু স্বামী তালাক দিতে রাযী নন। আর আমার পরিবার ডিভোর্সের ব্যাপারে রাযী নয়। পরে সরকারী নিয়ম অনুযায়ী খোলা তালাকের চিঠি দেই। তারপর বড় ভাইয়ের অনুমতি ছাড়া নিজে ব্যক্তিগতভাবে অন্যজনের সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হই। পরে জানতে পারি অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া বিবাহ জায়েয নয়। বর্তমানে আলাদা আছি। অভিভাবকের সম্মতি আদায়ের চেষ্টা চলছে। কিন্তু তাদের কথা পূর্বের স্বামীর কাছে ফিরে না গেলে তারা কোন সম্পর্ক রাখবে না। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৩/২২৩) : ইয়াতীম ক্রন্দন করলে আরশ কেঁপে ওঠে এবং ইয়াতীমকে যে সন্তুষ্ট করে আল্লাহ তার প্রতি সন্তুষ্ট হয়ে যান। একথা ছহীহ হাদীছ দ্বারা প্রমাণিত কি? - -আহমাদ, গাবতলী, বগুড়া।
প্রশ্ন (২৯/৬৯): কুরবানীর পশু ক্রয়ের পর খুঁতযুক্ত হয়ে গেলে সে পশু দিয়ে কুরবানী হবে কি?
আরও
আরও
.