উত্তর: অন্যায় আক্রমণের শিকার হ’লে প্রতিহত করতে হবে। তবে প্রতিশোধ গ্রহণ না করে ধৈর্য্যধারণ করলে উক্ত ব্যক্তি আল্লাহর নিকটে উত্তম প্রতিদান লাভ করবে (শূরা ৪২/৩৯-৪৩, ফুছছিলাত ৪১/৩৪)। জনৈক ব্যক্তি রাসূল (ছাঃ)-কে বলল, কেউ এসে আমার মাল জোর করে নিতে চাইলে আমি কি করব? তিনি বললেন, দিবে না। লোকটি বলল, যদি সে আমার সাথে লড়াই করে? তিনি বললেন, তুমিও লড়াই করবে। সে বলল, যদি সে আমাকে হত্যা করে? তিনি বললেন, তুমি শহীদ হবে। সে বলল, যদি আমি তাকে হত্যা করি? তিনি বললেন, তাহ’লে সে জাহান্নামী হবে’ (মুসলিম, মিশকাত হা/৩৫১৩)

তবে ফিৎনা ঘরে ঘরে ছড়িয়ে পড়লে সে সময় প্রতিশোধ না নিয়ে ধৈর্য্যধারণ করাই উত্তম। যেমন এমতাবস্থায় করণীয় সম্পর্কে সা‘দ ইবনু আবী ওয়াক্কাছ (রাঃ) রাসূল (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করেন, যদি কেউ আমার ঘরে ঢুকে আমাকে হত্যা করতে উদ্যত হয়, তখন আমি কি করব? জওয়াবে রাসূল (ছাঃ) বললেন, كُنْ كَخَيْرِ ابْنَىْ آدَمَ তুমি আদমের দুই ছেলের মধ্যে উত্তমটির মত হও’ (আবুদাঊদ হা/৪২৫৭, মশকাত হা/৫৩৯৯)

প্রশ্নকারী : শামসুদ্দীন, মিরপুর, ঢাকা।






প্রশ্ন (১৯/২৯৯) : আমার পিতা ধার্মিক মানুষ। কিন্তু নকশবন্দী তরীকার কঠোর অনুসারী। এর পিছনে বহু অর্থ ব্যয় করেন। কুরআন-হাদীছের অবমাননায় নানা কথা বলেন। আমরা ভাই-বোন তার সাথে বসলেই পীরের ওয়ায শুরু করেন। এমতাবস্থায় পিতার সাথে আমাদের সম্পর্ক কেমন হওয়া উচিৎ?
প্রশ্ন (৫/৫): মসজিদের ডান পাশে আল্লাহ এবং বাম পাশে মুহাম্মাদ কেন লিখা যাবে না? দলীল সহ জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২০/৬০) : মসজিদের নামে সভা করে তা থেকে আদায়কৃত অর্থ অন্যকোন জনকল্যাণমূলক কাজে বা গোরস্থানের উন্নয়নে ব্যয় করা যাবে কি? - -বেলাল হোসাইনপাঁচরুখী, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৪/১৪৪) : কোম্পানীর মালিক আমাকে চুক্তি অনুযায়ী বেতনের চাইতে কম দিত। ফলে আমার কাছে মালিকের যে ক্যাশ থাকত তা থেকে মালিককে না বলে উক্ত টাকা প্রতিমাসে নিয়ে নিতাম। এভাবে আমি পাঁচ বছর চাকুরী শেষে চলে আসি। আমার পক্ষে উক্ত অর্থ ফেরৎ দেয়ার সামর্থ্য নেই। এখন আমার করণীয় কি? - -আব্দুল্লাহ, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩০/১৯০) : গীবত শ্রবণকারী গীবতকারীর সমপরিমাণ গোনাহগার হয়। সভা-সমিতিতে এরূপ গীবত হ’লে সেক্ষেত্রে শ্রবণকারীর করণীয় কি?
প্রশ্ন (৪/৮৪) : জনৈক বক্তা বলেন, ওছমান (রাঃ)-কে ‘যুন নূরাইন’ বলা হয়। যা থেকে প্রমাণ হয় যে রাসূল (ছাঃ)-এর কন্যারা একেকজন একেকটি নূর ছিলেন। অতএব রাসূল (ছাঃ) নূরের তৈরী ছিলেন। কথাটা কি ঠিক?
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : জনৈক লেখক দাবী করেছেন, ইমাম আবু হানীফার জন্ম ৮০ হিজরীতে আর মৃত্যু ১৫০ হিজরীতে। ইমাম বুখারীর জন্ম ১৯৪ হিজরীতে আর মৃত্যু ২৫৬ হিজরীতে। সুতরাং আবু হানীফার কথা বাদ দিয়ে ইমাম বুখারীর সংগৃহীত হাদীছ গ্রহণ করা যাবে না। কারণ ইমাম বুখারীর চেয়ে ইমাম আবু হানীফা অনেক পূর্ববর্তী। উক্ত দাবীর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২১/২৬১) : যবেহ না করে (মেরে না ফেলে) জীবিত অবস্থায় মাছের আঁইশ, পাখনা, পেট অথবা কাটার আগে মাথায় আঘাত বা মাটিতে আছাড় দিয়ে মারা এসব ব্যাপারে ইসলামের হুকুম কি? - -এজায আহমাদ, সারিয়াকান্দি, বগুড়া।
প্রশ্ন (২৯/১০৯) : ই‘তিকাফ এর ফযীলত কি? রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর ই‘তিকাফের পদ্ধতি কি ছিল?
প্রশ্ন (১/২৪১) আমাদের মসজিদে অনেক মুছল্লী ফজরের ছালাতে এসে নিয়মিতভাবে তাহিয়াতুল ওযূ, তাহিয়াতুল মসজিদ এবং ফজরের সুন্নাতসহ মোট ৬ রাক‘আত আদায় করেন। এতে কোন দোষ আছে কি?
প্রশ্ন (১০/১৩০) : জনৈক ব্যক্তি বলেন ছহীহ বুখারীতে হাদীছ আছে যে, মাথায় উকুন হ’লে ৩ দিন ছিয়াম বা ৬ জন মিসকীনকে অর্ধ ছা‘ করে খাওয়ালে মাথার উকুন থাকবে না। একথা কি সত্য? - -তা‘লীমুল হক, সোনারগাঁও, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (৩৩/১৯৩) : হারাম উপার্জনকারী ব্যক্তির সাথে শেয়ারে ব্যবসা করা যাবে কি?
আরও
আরও
.