উত্তর : আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে শরীক করাকে শিরক বলা হয়। সেটা একক স্রষ্টার মর্যাদার সাথে হোক, তাঁর গুণাবলী ও তাঁর ইবাদত সমূহের সাথে হোক। এমনটিা মনে করা যে আল্লাহ ছাড়া অন্যরাও আহারদাতা, জীবন ও মৃত্যর মালিক, ধনদৌলত, সন্তানাদী, উপকার অপকারের ক্ষমতা রাখে। ইবাদতগুলোর মধ্য হতে কোন ইবাদত অন্য কারো জন্য সাব্যস্ত করা। যেমন ছালাত, ছিয়াম, হজ্জ, যাকাত, দো‘আ, মানত কুরবানী, ভালবাসা, ভয়ভীতি, ইত্যাদি অন্য কারো জন্য করা শিরকের অন্তর্ভুক্ত। অনুরূপ আল্লাহর নাম ও গুণাবলীর মধ্যে কোন ধরনের বিকৃতি বা অস্বীকৃতির মাধ্যমে শিরক করা। সমাজে বহু শিরকী কাজ চালু রয়েছে। যেমন মাযার ও কবরপূজা, মাযারে শিরনী দেয়া, কবরবাসীর কাছে কিছু চাওয়া, কবরে চাদর চড়ানো, ফুল দেয়া, মানত করা, তাবীয লটকানো, গায়রুল্লার নামে যবহ করা ও কসম করা ইত্যাদি।






প্রশ্ন (১৮/৫৮) : তাহাজ্জুদ ও বিতরের ছালাতে ক্বিরাআত নীরবে না সরবে পাঠ করতে হবে?
প্রশ্ন (১৬/৪৫৬) : ওযূর পর বা ছালাতরত অবস্থায় আমার মাঝে মাঝেই বায়ূর চাপ আসে। কখনো কখনো সন্দেহ হয় যে বেরিয়ে গেল কিনা। এরূপ সন্দেহ হ’লে ছালাত ভেঙ্গে ওযূ করে আসতে হবে কি? - -আকরাম হোসাইন, পল্লবী, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৬/১৪৬) : মসজিদের সিঁড়ির নীচে অথবা মসজিদের কোন এক পাশে বা কোণায় ইমাম ও মুওয়াযযিনের জন্য ঘর করায় শারঈ কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (১২/৪৫২) : পাত্রে রাখা পানিতে হাত বা পা ডুবালে সেই পানিতে ওযূ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১০/২১০) : জনৈক আলেম বলেন, ব্যক্তি মারা গেলে হানাফী মাযহাব অনুযায়ী এক বার ব্যতীত জানাযা পড়া জায়েয নয়। উক্ত বক্তব্যের শুদ্ধতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩২/৪৩২) : মাসিক আত-তাহরীকে নবী-রাসূলগণের সংখ্যা ১ লক্ষ ২৪ হাযার উল্লেখ করা হয়েছে এবং এ সংক্রান্ত হাদীছটিকে ছহীহ বলা হয়েছে। কিন্তু ড. আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর ‘হাদীসের নামে জালিয়াতি : প্রচলিত মিথ্যা হাদীস ও ভিত্তিহীন কথা’ বইয়ের ২২৯ পৃষ্ঠায় হাদীসটিকে দুর্বল বলেছেন। কোনটি সঠিক?
প্রশ্ন (১২/২৯২) : ফজরের আযানে ‘আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান নাউম’ বলতে ভুলে গিয়েছিলাম, পরে স্মরণ হ’লে বলেছি। আমার আযান শুদ্ধ হয়েছে কি?
প্রশ্নঃ (১০/৩৭০) : জনৈক আলেম তার ছালাত শিক্ষা বইয়ে লিখেছেন, ওযূ করার সময় ক্বিবলামুখী হয়ে বসতে হবে এবং উঁচু স্থানে বসতে হবে। উক্ত মর্মে কোন দলীল আছে কি?
প্রশ্ন (৯/৯) : মসজিদে অনেক সময় মুছল্লীরা দুনিয়াবী গল্প-গুজব, হৈ-চৈ ইত্যাদি করে। এটা শরী‘আতসম্মত কি?
প্রশ্ন (৩২/১৫২) : সূরা বাক্বারাহ ১১৫ আয়াতের সঠিক অর্থ জানতে চাই। - -আবু আব্দুল্লাহ, ইসলামপুর, জামালপুর।
প্রশ্ন (২৭/২৬৭) : আমাদের সমাজে প্রচলিত রীতি অনুযায়ী মেয়েরা তাদের পিতার ভিটা-বাড়ী অথবা আবাদী সম্পত্তির যেকোন একটির ওয়ারিছ হ’তে পারবে। আর ছেলেরা উভয় সম্পত্তির অংশীদার হবে। এরূপ করা জায়েয হবে কি? এছাড়া মা কি ছেলের সম্পদের ওয়ারিছ হবে? - -আলী আববাসকালিহাতী, টাঙ্গাইল।
প্রশ্ন (১৩/২৯৩) : ছেলে-মেয়ে বড় হয়ে যাওয়ার পর যাকাতের হকদার হলে পিতা স্বীয় যাকাতের অর্থ ছেলে-মেয়েকে দিতে পারবে কি? - আব্দুল মাজেদ, পুঠিয়া, রাজশাহী।
আরও
আরও
.