উত্তর : সূরা মুলক রাতে পাঠ করার যেমন ফযীলত রয়েছে তেমনি সাধারণভাবে যেকোন সময় পাঠেরও ফযীলত রয়েছে। তবে এটি রাতে পাঠ করাই উত্তম। সূরা মুলক সাধারণভাবে পাঠের ফযীলত সম্পর্কে রাসূল (ছাঃ) বলেছেন, এটি তাকে জাহান্নামের আগুন থেকে মুক্তি দিবে এবং জান্নাতে প্রবেশ করাবে (ছহীহুল জামে‘ হা/২০৯২)। তিনি আরো বলেন, ‘সূরা মুলক কবরের আযাব থেকে বাধাদানকারী’ (ছহীহাহ হা/১১৪০; ছহীহুল জামে হা/৩৬৪৩)। একটি বর্ণনা এসেছে, এই সূরাটি রাতে পাঠ করলে মৃত্যুর পরে যখন মাইয়েতকে কবরে রাখা হবে এবং মাটি সবদিকে থেকে চাপ দিবে, তখন এই সূরা সবদিক থেকে মাটিকে প্রতিহত করবে (হাকেম হা/৩৮৩৯; ছহীহুত তারগীব হা/১৪৭৫; ছহীহাহ হা/১১৪০)

অতএব দিনে বা রাতে এই সূরা নিয়মিত পাঠকারীর জন্য বিশেষ প্রতিদান রয়েছে (ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ৪/৩৩৪-৩৫)। এক্ষণে কেউ দিনে পাঠ করলে দিনে পাঠের ফযীলত পাবে। আর রাতে পাঠ করলে রাতের পাঠের জন্য বিশেষ ফযীলত পাবে (ওছায়মীন, লিক্বাউল বাবিল মাফতূহ ৫/১৫)। সুতরাং কেউ খালেছ নিয়তে সূরা মুলক দিনে পাঠ করলেও কবর আযাব থেকে রক্ষা ও জান্নাত লাভে ধন্য হ’তে পারবে ইনশাআল্লাহ।

প্রশ্নকারী : নাজিয়া তাসনীম, ঢাকা।






প্রশ্ন (৩/১২৩) : ইশরাক, চাশত ও আউওয়াবীনের ছালাতের সঠিক সময় কোনটি? প্রত্যেকটি পৃথক পৃথকভাবে আদায় করাই কি সুন্নাত? - -ফাহীম মুনতাছির, ধানমন্ডি, ঢাকা।
প্রশ্ন (৫/২০৫) : খত্বীবের জন্য দুই খুৎবার মাঝে বসার সময় পঠিতব্য কোন দো‘আ আছে কি? - -মুখতার হুসাইননিমতলা, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (২৭/২২৭) : ইয়াযীদ বিন মু‘আবিয়া কি ছাহাবী ছিলেন, না তাবেঈ ছিলেন? কারবালার মর্মান্তিক ঘটনার সাথে তিনি কি জড়িত ছিলেন?
প্রশ্ন (২৪/৩০৪) : জনৈক ইমাম সঠিক পথে ফিরে আসায় চাকুরী হারানোর ফলে পুনরায় হক ছেড়ে দিয়ে মাযহাবী আমল শুরু করে চাকুরী ফিরে পেয়েছেন এবং বলছেন, ধীরে ধীরে মানুষকে হকের পথে আনতে হবে। এক সময় সবাই ছহীহ হাদীছের অনুসারী হয়ে গেলে আমিও ছহীহ হাদীছ অনুযায়ী আমল শুরু করব। দাওয়াতের এ পদ্ধতি কি শরী‘আতসম্মত?
প্রশ্ন (১৬/৫৬) : দিনের নফল ছালাত কি দুই দুই রাক‘আত করে পড়তে হবে?
প্রশ্ন (৬/২০৬) : এক্বামতের সময় হাত ছেড়ে না বেঁধে রাখতে হবে? - -মুহাম্মাদ আরাফাত, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।
প্রশ্ন (১২/৩৩২) : ফরয ছালাতের পর যিকিরের সময় দরূদে ইবরাহীম পড়া যাবে কি? - -বাঁধন আখতার, ক্ষেতলাল, জয়পুরহাট।
প্রশ্ন (২৩/১৮৩) : বহুল প্রচারিত একটি ইসলামী পত্রিকার প্রশ্নোত্তর কলামে বলা হয়েছে যে, কবরের সামনে দাঁড়িয়ে সূরা ইয়াসীন ও ফাতেহাসহ অন্যান্য সূরা পাঠ করা যাবে। এতে কবরের আযাব মাফ হবে এবং মৃত ব্যক্তি উক্ত তেলাওয়াতের নেকী পাবে। এ বক্তব্যের সত্যতা জানতে চাই। - -ডা. মীযানুর রহমান, আমতলা, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (১৪/৪৫৪) : হযরত শব্দের অর্থ কি? ছাহাবীদের নামের পূর্বে হযরত লেখা হয়। এটা লেখা জায়েয কি?
প্রশ্ন (১০/১০) : রামাযান মাসে মৃত্যুবরণ করলে কবরে আযাব হয় না এবং সেখানে জিজ্ঞাসাবাদ হয় না মর্মে যে বক্তব্য সমাজে প্রচলিত রয়েছে, তার কোন ভিত্তি আছে কি?
প্রশ্ন (৯/১৬৯) : রাসূল (ছাঃ)-এর প্রশংসায় বাড়াবাড়ি করার ক্ষেত্রে শরী‘আতের বিধান জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৬/৪৭৬) : নমরূদ মশার কামড়ে মারা গিয়েছিল বলে সমাজে যে ঘটনা প্রসিদ্ধ আছে তা কতটুকু নির্ভরযোগ্য?
আরও
আরও
.