উত্তরঃ প্রত্যেক অমুসলিম মুসলমানের কাছে পূর্ণ সদাচরণ পাওয়ার হক রাখে। তবে তারা তাদের পূজার কোন সুযোগ-সুবিধা মুসলমানের কাছে পাওয়ার অধিকার রাখে না। কারণ পূজার সবকিছুই শিরকী কাজ, যা সবচেয়ে বড় গোনাহ। আর শিরক হ’ল সবচেয়ে বড় পাপ। আর পাপের সহযোগিতা করতে আল্লাহ নিষেধ করেছেন (মায়েদা ৫/২)






প্রশ্ন (৯/৯) : কুরবানীর গোশত তিনভাগ করার ব্যাপারে শারঈ নির্দেশনা আছে। কিন্তু আক্বীক্বা বা সাধারণভাবে পশু যবেহ করলেও তিনভাগ করতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৪/৭৪): মসজিদের জমির পিছনের জমিওয়ালারা বের হওয়ার জন্য রাস্তা চাচ্ছে। এমতাবস্থায় মসজিদের জমি বিক্রি বা দান করার মাধ্যমে তা দেয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (৫/৩৬৫) : আল্লাহর আকার আছে কি? আল্লাহর আকার থাকলে তা তাঁর ‘অসীম’ গুণ সসীম হয় না কি?
প্রশ্ন (২৭/২৭) : বৈষয়িক ব্যাপারে পিতা-মাতার আনুগত্য করতে হবে। কিন্তু মা যদি ছেলের বউ নির্দোষ হওয়া সত্ত্বেও তাকে তালাক দেওয়ার জন্য ছেলেকে নির্দেশ দেয়, তাহ’লে ছেলে কি তা শুনতে বাধ্য?
প্রশ্ন (১৭/৪৫৭) : মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে মসজিদে শিরনী বা শিন্নী দেওয়া হ’লে তা খাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২১/২৬১) : কিশোর বয়সে স্বপ্নদোষ ও উত্তেজনায় বীর্যপাত হ’লে যে গোসল ফরয হয় তা আমি জানতাম না। একারণে আমি অনেক সময় ফরয ছালাত ফরয গোসল না করেই শুধু নাপাকি ধুয়ে বা কাপড় পাল্টিয়েই আদায় করেছি। ঊক্ত ছালাতগুলো কি কবুল হবে, নাকি তা আবার আদায় করতে হবে? - -মামূন ইসলাম, পিরোজপুর।
প্রশ্ন (৩৯/৩৯৯) : ঈদুল আযহায় প্রত্যেক পরিবারের পক্ষ থেকে একটি পশু কুরবানী করাই কি সুন্নাতসম্মত?
প্রশ্ন (২/৪৪২) : ফেরেশতাগণের নামে সন্তানের নামকরণে শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি?
প্রশ্ন (১৯/৩৭৯) : জনৈক লেখক দাবী করেছেন, ইমাম আবু হানীফার জন্ম ৮০ হিজরীতে আর মৃত্যু ১৫০ হিজরীতে। ইমাম বুখারীর জন্ম ১৯৪ হিজরীতে আর মৃত্যু ২৫৬ হিজরীতে। সুতরাং আবু হানীফার কথা বাদ দিয়ে ইমাম বুখারীর সংগৃহীত হাদীছ গ্রহণ করা যাবে না। কারণ ইমাম বুখারীর চেয়ে ইমাম আবু হানীফা অনেক পূর্ববর্তী। উক্ত দাবীর সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২৩/১৪৩) : রামাযানে দিনের বেলায় স্বামী যদি স্ত্রীর সাথে জোরপূর্বক সহবাস করে তাহ’লে এজন্য স্ত্রীর গোনাহ হবে কি? এক্ষেত্রে স্ত্রীর করণীয় কি?
প্রশ্ন (৩১/২৭১) : জনৈক আলেম বলেন, ফজরের ছালাতের আযানে ‘আছ-ছালাতু খায়রুম মিনান নাউম’ বলা বিদ‘আত। এ কথা কি সত্য? - -আব্দুল মালেক আখন্দ, বাসাইল, টাঙ্গাইল।
প্রশ্ন (৬/৩২৬) : আমি ইসলামের বিধান মেনে চলার চেষ্টা করি। পর্দার খেলাফ হবে এই আশংকায় আমি গর্ভাবস্থায় দো‘আ করতাম যে, আমার প্রসব যেন অস্ত্রোপচারহীন হয়। কিন্তু বাধ্য হয়ে অপারেশন করতে হয়েছে এবং পরবর্তীতেও বাচ্চা নিলে অপারেশন করতে হবে বলে ডাক্তার জানিয়েছেন। এজন্য আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছি যে, আমি আর বাচ্চা নেব না। এরূপ সিদ্ধান্ত কি সঠিক হয়েছে?
আরও
আরও
.