উত্তর : স্বামীর যেকোন ইসলামী আদেশ পালন করা অপরিহার্য। অন্যকে দাওয়াত দেওয়া ফরযে কেফায়া। আর স্বামীর আনুগত্য করা ফরযে আইন। অতএব স্বামীর অনুমতি সাপেক্ষে পর্দার বিধান মেনে দাওয়াতী কাজ করা উত্তম কাজ। মনে রাখতে হবে যে, ফেসবুক-টুইটারে কেবল মেয়েরাই দাওয়াত শুনে না, বরং পর পুরুষেরাও দাওয়াত পায়। যা তাদেরকে প্রলুব্ধ করতে পারে। সেকারণ বাসায় বসে পর্দার মধ্যে প্রতিবেশী মা-বোনদের মধ্যে দাওয়াতী কাজ করাই সর্বোত্তম। যেভাবে উম্মাহাতুল মুমিনীন করতেন। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘নারী হ’ল পর্দার বস্ত্ত। যখন সে বের হয় শয়তান তার দিকে চোখ তুলে তাকায়’ (তিরমিযী হা/১১৭৩; মিশকাত হা/৩১০৯)।






প্রশ্ন (১২/১৭২) : বিদেশে কেউ মারা গেলে দেশে নিজ গ্রামের বাড়িতে লাশ এনে দাফন করা যাবে কি?
প্রশ্ন (১৩/৪১৩) : পুরুষদের জন্য আংটি ব্যবহার করায় শরী‘আতে কোন বাধা আছে কি? রাসূল (ছাঃ) কি সোলায়মানী পাথরের আংটি ব্যবহার করতেন?
প্রশ্ন (৩৩/৪৩৩) : কোন কোন এলাকায় আয়না দেখে হারানো বস্ত্ত খুঁজে বের করার প্রচলন রয়েছে। এই নিয়ম কি শরী‘আত সম্মত?
প্রশ্ন (১২/৫২) : স্ত্রীর জীবদ্দশায় যদি স্বামী মোহরানা পরিশোধ না করেন, তাহ’লে তার মৃত্যুর পর তা পরিশোধ করতে হবে কি? - -হালীমা খাতুন, কাটিয়া, সাতক্ষীরা।
প্রশ্ন (২৪/৪২৪) : আমাদের সমাজে নারী-পুরুষ সম্পর্ক করে অশ্লীল কাজে জড়িয়ে পড়ছে। পরে অনেকের বিবাহ হচ্ছে, অনেকের হয় না। এর পরিণতি কি?
প্রশ্ন (২১/২১) : জানাযার ছালাত জামা‘আতের সাথে হওয়া সত্ত্বেও সেখানে পায়ে পা মিলাতে হয় না কেন?
প্রশ্ন (১/১৬১) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) কি কোন কারণে আত্মহত্যা করতে চেয়েছিলেন?
প্রশ্ন (১০/৩৭০) : চাকুরী বা জীবিকা বৃদ্ধির জন্য দরূদে নারিয়াহ পাঠ করা যাবে কি? এর ফযীলত সম্পর্কে বলা হয়, যে ব্যক্তি এ দরূদ ৪৪৪৪ বার পাঠ করবে সেসব রকম বিপদাপদ থেকে নিরাপদে থাকবে এবং তার যেকোন ধরনের অভাব-অভিযোগ পূরণ হবে। এর কোন ভিত্তি আছে কি? - -মাখদূম আহমাদ, গাযীপুর।
প্রশ্ন (৪/১৬৪) : হাদীছ অনুযায়ী কোন মুসলিমের সাথে তিন দিনের বেশী কথা বন্ধ রাখা জায়েয নয়। কিন্তু জনৈক মাযহাবী বিদ‘আতী ভাইয়ের সাথে আমার বহুদিন যাবৎ সম্পর্ক নেই। এক্ষেত্রে উক্ত হাদীছের বিধান কি হবে?
প্রশ্ন (২১/২২১) : রাসূল (ছাঃ) চেয়ারে বসে খেয়েছেন কি? তিনি না খেয়ে থাকলে আমাদের খাওয়া জায়েয হবে কি? - -মুজীব, মণিপুর, গাযীপুর।
প্রশ্ন (২১/২১) : বিশ বছর পূর্বে আমার দাদারা আমাদের মসজিদটি আহমাদিয়া জামা‘আতের নামে লিখে দিয়ে তাদের অন্তর্ভুক্ত হন। বর্তমানে তারা কুরআন ও ছহীহ হাদীছ অনুযায়ী আমল করছেন। কিন্তু মসজিদ তাদের নামেই লেখা আছে। এক্ষণে আমাদের করণীয় কি? - -আবু সাঈদ, গোদাগাড়ী, রাজশাহী।
প্রশ্ন (১২/৪৫২) : জনৈক আলেম বলেন, ইবনু আববাস (রাঃ) হাজারে আসওয়াদকে চুম্বন করতেন এবং সিজদা করতেন (বায়হাক্বী, হাকেম)। তাহলে কি হাজারে আসওয়াদকে সিজদা করা যাবে?
আরও
আরও
.