উত্তর : হিসাবের দিন এক দিনই হবে। তবে সেই দিনটি পৃথিবীর হিসাবে পঞ্চাশ হাযার বছরের সমান হবে (মা‘আরেজ ৭০/৩-৪; মুসলিম হা/৯৮৭; মিশকাত হা/১৭৭৩)। উল্লেখ্য যে, আরবীতে ৭০, ৭০০, ১০০০, ৫০০০০ সংখ্যাগুলি সাধারণতঃ আধিক্য বুঝানোর অর্থে বলা হয়। সুতরাং উক্ত আয়াত ও হাদীছসমূহের বর্ণিত সময়টি আযাব বা শাস্তির সাথে সম্পৃক্ত। কাফেরদের উপর এই দিনটি ৫০ হাযার বছরের সমান ভারী হবে। অর্থাৎ দিনটি তাদের জন্য খুবই কষ্টকর হবে। কষ্ট ও শাস্তির আধিক্যের কমবেশীর কারণে ক্বিয়ামতের দিনের স্থায়িত্ব তাদের কাছে হাযার হাযার বছরের সমান মনে হবে। আরবরা খুশীর দিনকে ‘সংক্ষিপ্ত’ এবং কষ্টের দিনকে ‘দীর্ঘ’ বলে বুঝাতো (কুরতুবী)। অন্যদিকে মুমিনদের জন্য এই দিনটি হবে খুব সংক্ষিপ্ত। যেমন আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত হয়েছে যে, মুমিনদের জন্য কিয়ামতের দিনটি যোহর থেকে আছরের মধ্যবর্তী সময়ের মত হবে (হাকেম হা/২৮৪; ছহীহাহ হা/২৪৫৬; ছহীহুল জামে হা/৮১৯৩)। অপর হাদীছে এসেছে, এই দিনটি মুমিনের জন্য এক ওয়াক্ত ফরয ছালাত আদায় করার থেকেও সংক্ষিপ্ত মনে হবে (আহমাদ হা/১১৭৩৫, ইবনু হিববান হা/৭৩৩৪, সনদ দুর্বল; তবে হায়ছামী এবং ইবনু হাজার একে ‘হাসান’ বলেছেন)। সুতরাং এই দিনের দীর্ঘতা কিংবা সংক্ষিপ্ততা বিভিন্ন লোকের জন্য তার আমলের অবস্থা অনুযায়ী বিভিন্ন রূপ অনুভূত হবে।






প্রশ্ন (৪০/৪৪০) : ছালাতে আয়াতের জওয়াব সরবে দিতে হবে না নীরবে?
প্রশ্ন (২০/৪৬০) : আমার ৫০ দিনের ভ্রূণ নষ্ট হয়ে যাওয়ার পর ১৫ দিন যাবত রক্তপাত হচ্ছে। এক্ষণে উক্ত রক্ত নিফাসের রক্ত হিসাবে গণ্য হবে কি? - -হেলেনা আখতার,পদ্মা আবাসিক এলাকা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩১/৩১) : লাশ দাফনের সময় কবরের ভিতরে যে বাঁশ দেওয়া হয়, সে বাঁশ গজিয়ে বাঁশঝাড়ে পরিণত হ’লে সেই বাঁশ কাটা যাবে কি? এছাড়া কবরস্থানের গাছ কেটে বিক্রি করা যাবে কি?
প্রশ্ন (৬/৪৪৬) : যিনি মুরশিদ তিনি রাসূল। কখনো তিনি খোদা হন। এ কথা শুধু লালন নয় কুরআনও বলে। এর প্রমাণে তারা আলে ইমরান ৩১; নিসা ৮০, ১৫০; কাহ্ফ ১১০ আয়াত দলীল হিসাবে পেশ করে। উক্ত দাবী কি সঠিক? লালনের ভক্ত এই শ্রেণীর লোকদের অবস্থা পরকালে কী হবে?
প্রশ্ন (৫/২০৫) : অনেকের মুখে শোনা যায় যে, বানর পূর্বকালে মানুষ ছিল। এ কথার সত্যতা জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৮/৩৬৮) : রামাযান মাসে বা জুম‘আর দিনে মৃত্যুবরণ করলে এর বিশেষ কোন ফযীলত আছে কি?
প্রশ্ন (১৫/৩৭৫) : যখন আযানের জবাব দেয়া শেষ হবে তখন আল্লাহর নিকট প্রার্থনা কর, তাহলে তোমাকে প্রদান করা হবে’ (আবুদাঊদ) ‘আযান ও ইকামতের মাঝের দো‘আ ফেরত দেয়া হয় না’ (আহমাদ) এবং জুম‘আর দিনে একটি সময় রয়েছে সে সময় কিছু চাইলে আল্লাহ তাকে দান করেন (বুখারী, মুসলিম)। উক্ত স্থানগুলোতে হাত না তুলে মনে মনে বাংলায় চাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২১/৩৮১) : হতাশা-দুশ্চিন্তা থেকে পরিত্রাণের জন্য শরী‘আতে কি কি নির্দেশনা দেয়া হয়েছে?
প্রশ্ন (৪/৩৬৪) : হযরত ওমর (রাঃ) একবার একজন ছাহাবীকে সেনাপতি করে পাঠিয়েছিলেন। অতঃপর তিনি খুৎবা দিতে দিতে বলে উঠলেন তোমরা পিছনে তাকাও! শত্রু তোমাদের ঘিরে ফেলেছে। তার একথা সেনাপতি শুনতে পেলেন। এঘটনার সত্যতা আছে কি? যদি থাকে তবে গায়েব তো কেবল আল্লাহ জানেন? - -মুহাম্মাদ মা‘রূফ, পবা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৮/৬৮) : প্রভিডেন্ট ফান্ডে সরকারী নীতি অনুযায়ী প্রদত্ত সূদের টাকা গ্রহণ করে কোন ভাল কাজে দান করে দেওয়ায় কোন বাধা আছে কি? - -শাহ আলম, পাহাড়তলী, চট্টগ্রাম।
প্রশ্ন (১/৩৬১) : আযান চলাকালে মসজিদে প্রবেশ করলে বা জামা‘আত শুরুর পূর্বে তাহিইয়াতুল মাসজিদ পড়ে শেষ করা যাবে না, এমন সময় মসজিদে প্রবেশ করলে বসা যাবে কি? বসলে গুনাহ হবে কি?
প্রশ্ন (২/৪২) : কুরআনের বিভিন্ন স্থানে ‘আল্লাহ বান্দার সাথে আছেন’ মর্মে বহু আয়াত বর্ণিত হয়েছে। এর প্রকৃতি ও স্বরূপ কি?
আরও
আরও
.