উত্তর : আরবী হরফের নির্দিষ্ট মাখরাজ এবং উচ্চারণ পদ্ধতি রয়েছে। সুতরাং যে কোন দো‘আ পাঠের সময় তাজবীদ ঠিক রেখে পাঠ করা উচিৎ। কারণ তাজবীদের বিষয়টি কেবল কুরআন ও সুন্নাহর সাথে সংশ্লিষ্ট নয় বরং এটি আরবী ভাষার সঠিক উচ্চারণের সাথে সংশ্লিষ্ট। তবে কুরআনের মত অন্যান্য দো‘আ পাঠের সময় তারতীল বা সুর করে পড়ার বিষয়টি প্রযোজ্য নয় (কামাল ইবনু হুমাম, ফাৎহুল ক্বাদীর ১/৩৭০; ইবনু হাজার, ফাৎহুল বারী ৯/৭২; ওছায়মীন, ফাতাওয়া নূরুন আলাদ-দারব ৬/০২)।

প্রশ্নকারী : ওবায়দুর রহমান, চাঁপাই নবাবগঞ্জ।








প্রশ্ন (৩৪/৪৩৪) : ঋণ করে ফিৎরা দেওয়া ও কুরবানী করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২৮/১৪৮) : যিলহজ্জ মাসের ১ তারিখ হতে ১০ই যিলহজ্জ পর্যন্ত ছিয়াম রাখা যায় কি?
প্রশ্ন (৭/৭) : ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ)-কে রাসূলের মিম্বারে খুৎবা দিতে দেখে হুসাইন (রাঃ) বলেন, ‘আপনি আমার পিতার (নানার) মিম্বার থেকে নেমে যান’ মর্মে বর্ণিত হাদীছটির সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৯/১৫৯) : সমাজে প্রচলন আছে, মানুষ মারা গেলে লাশ ঘরের বাইরে রাখা হয়। শরী‘আতে এমন কোন বিধান আছে কি?
প্রশ্ন (১২/১৩২) : আমাদের এলাকায় প্রায় মসজিদের ইমামগণ ছালাত শেষে মুছল্লীদেরকে নিয়ে গোল হয়ে বসেন। বিভিন্ন রকমের দরূদ পড়ে থাকেন। যেমন- বালাগাল উলা, ছাল্লাল্লাহু, ইয়া মুহাম্মাদ, ইয়া রাসূলুল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ইত্যাদি। এসব দরূদ পড়া কি জায়েয।
প্রশ্নঃ (১০/৪৫০) : মসজিদে প্রদত্ত মানতের জিনিস বিক্রি করে সে অর্থ মসজিদের কাজে লাগানো যাবে কি?
প্রশ্ন (১০/৪১০) : ঈদগাহের সামনের দিকে সাড়ে তিন ফুট উচ্চতার একটি প্রাচীর আছে এবং প্রাচীরের মাঝামাঝিতে একটি মেহরাব বানানো আছে। এভাবে ঈদগাহে স্থায়ী মেহরাব বানিয়ে রাখা জায়েয হবে কি?
প্রশ্ন (৬/৩২৬) : ইমাম মাগরিবের ছালাতে তৃতীয় রাক‘আতে সন্দেহের বশবর্তী হয়ে সালাম ফিরানোর পূর্বে দাঁড়ানোর উদ্দেশ্যে তাকবীর বলায় মুক্তাদীগণ লোকমা প্রদান করেন। তখন ইমাম শেষ বৈঠকে বসে বাকী দো‘আ পড়ে সহো সিজদা না দিয়ে সালাম ফিরিয়ে দেন। পরে মুছল্লীদের দাবীতে ইমাম দু’টি সহো সিজদা দিয়ে সালাম ফিরান। উক্ত পদ্ধতি কি সঠিক হয়েছে?
প্রশ্ন (২১/৪২১) : শুনেছি, হিজরতের সময় রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও আবুবকর (রাঃ) যে গুহায় লুকিয়েছিলেন তার মুখে মাকড়সার জাল বুনানো ও কবতুরের ডিম পাড়া সংক্রান্ত হাদীছটি নাকি জাল। কিন্তু আমাদের এলাকার জনৈক হাজী হজ্জ করতে গিয়ে একটি সিডি নিয়ে এসেছেন। যাতে ঐসব বিষয়গুলে রয়েছে। যা তিনি মানুষকে দেখাচ্ছেন। ফলে আমরা বিভ্রান্তিতে পড়ে গেছি। সঠিক বিষয়টি জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (২৯/৪২৯) : জনৈক ব্যক্তির প্রথমা স্ত্রীর দু’সন্তান ও দ্বিতীয় স্ত্রীর সাত সন্তান। প্রথমা স্ত্রীর বড় ছেলের পাঁচ সন্তান ও ছোট ছেলে নিঃসন্তান। প্রথমা স্ত্রীর বড় ছেলে মারা গেছে এবং তার দুই ছেলে আছে। এক্ষণে প্রথমা স্ত্রীর ছোট ছেলে মারা গেলে বৈমাত্রেয় ভাইয়েরা সম্পত্তির ওয়ারিছ হবে, নাকি আপন ভাতিজারা ওয়ারিছ হবে?
প্রশ্ন (৭/২০৭) : কারো পাওনা টাকা ঐ ব্যক্তির কাছে পৌঁছে দিতে না পারলে তা যদি ঐ ব্যক্তির অজান্তে দান করা হয়, তাহ’লে কি ঐ ব্যক্তির পাওনা পরিশোধ করা হবে?
প্রশ্নঃ (২০/২৬০) : আমার একমাত্র মেয়েকে মৃত্যুর আগে বাড়ি ও সম্পত্তি লিখে দিতে পারি কি?
আরও
আরও
.