উত্তর : এখানে প্রশ্নকারীর বুঝতে ভুল হয়েছে। হাদীছটি বর্ণনা করেছেন প্রখ্যাত তাবেঈ সাঈদ ইবনু মুসাইয়িব (১৫-৯৪ হি.)। এখানে তিনি বলেন যে, প্রথম ফিৎনা অর্থাৎ ৩৫ হিজরীতে ওছমান হত্যাকান্ডের পর বদরী ছাহাবীদের আর কেউ বেঁচে ছিলেন না। দ্বিতীয় ফিৎনা অর্থাৎ ৬৩ হিজরীতে হার্রার ঘটনার পর হোদায়বিয়ার সন্ধিকালীন কোন ছাহাবী আর জীবিত ছিলেন না। এরপর ৬৪ হি. থেকে খারেজীদের তৃতীয় ফিৎনা শুরু হওয়ার পর তা আর কখনোই শেষ হয়নি। যতদিন না তা মানুষের সমস্ত শক্তি ও বিবেক-বুদ্ধি নিঃশেষ করে দেয়’ (বুখারী হা/৪০২৪; মিশকাত হা/৫৪০৯)।

এর ব্যাখ্যা এই যে, ওছমান (রাঃ)-এর হত্যাকান্ডের ফিৎনা থেকে হার্রার ফিৎনা (৬৩ হিজরীতে মদীনার নিকটবর্তী হার্রা নামক স্থানে ইয়াযীদ বিন মু‘আবিয়ার সৈন্যদের সাথে মদীনাবাসীদের যুদ্ধ, যাতে বহু ছাহাবী এবং তাবেঈ নিহত হন) পর্যন্ত সময়কালের মধ্যে সকল বদরী ছাহাবী মারা যান, যাদের মধ্যে আলী (রাঃ)ও ছিলেন। সর্বশেষ বদরী ছাহাবী সা‘দ বিন আবু ওয়াক্কাছ (রাঃ) মারা যান এ যুদ্ধের কয়েক বছর পূর্বে। আর হার্রার ফিৎনা শুরু হওয়ার পর থেকে তৃতীয় ফিৎনা (৬৪ থেকে ৭৮ হিজরী সময়কালে বছরায় বিস্তৃত আযারিকাহ নামক খারেজী সম্প্রদায়ের বিদ্রোহ) পর্যন্ত সময়ে হুদায়বিয়ায় অংশগ্রহণকারী সকল ছাহাবী মারা যান। এই তৃতীয় ফিৎনার সময় সকল ছাহাবী মারা যান। মোটকথা ওছমান হত্যার সূত্র ধরে অবশিষ্ট বদরী ছাহাবীগণ একে একে সকলে শাহাদাত বরণ করেন (ফাৎহুলবারী ৭/৩২৫; মিরক্বাত ৮/৩৪০৪; ঊমদাতুল ক্বারী ১৭/১১৯)।






প্রশ্ন (২০/৩৮০) : জনৈক আলেম বলছেন, স্ত্রীর দুধপান করলে স্ত্রী হারাম হয়ে যাবে। এ ব্যাপারে সঠিক মত কি?
প্রশ্ন (১৪/৪১৪) : পর্দাসহ মেয়েরা বাইসাইকেল বা মটর সাইকেল চালাতে পারবে কি?
প্রশ্ন (৩৬/৩৫৬) : রামাযান মাসে লায়লাতুল ক্বদরের বেজোড় রাত্রিগুলোতে ওয়ায-নছীহত করে তারপর ইবাদত করা হয়। এই রাতে ওয়ায করে সময় ব্যয় করা কি হাদীছ সম্মত? - -হাফেয শহীদুল ইসলাম বাংলা বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩১/৭১) : মাসবূক বাকী ছালাত আদায়ের ক্ষেত্রে সূরা ফাতিহার সাথে অন্য সূরা যোগ করবে কি? - -রাযিয়া খাতুন, উত্তরা, ঢাকা।
প্রশ্ন (৯/১২৯) : আমি প্রবাসে থাকি। দেশে থাকা পিতা-মাতা আমার পুরো উপার্জনই ভোগ করতে চান। আমার স্ত্রী-সন্তানদের জন্য খরচ করতে অনীহা পোষণ করেন। এক্ষণে আমার করণীয় কি? - -বদরুল আলম, দক্ষিণ কোরিয়া।
প্রশ্ন (৩৩/৩৫৩) : শিরক এবং বিদ‘আতকারীকে আল্লাহ তা‘আলা ক্বিয়ামতের দিন কেমন শাস্তি দিবেন? শিরক ও বিদ‘আত হতে বাঁচার উপায় কি?
প্রশ্ন (২১/১০১) : আমার স্ত্রী সন্তান সম্ভাবা হয়েছিল। কিন্তু আমার অজান্তে সে সন্তানটিকে নষ্ট করেছে। এতে আমার সম্মতি ছিল না। এখন এ স্ত্রীর প্রতি আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৪/২৬৪) : বিবাহের সময় বরকে কবুল না বলে আলহামদুলিল্লাহ বলতে বলা হয়। বরও মুখে কবুল না বলে কবুলের নিয়তে মুখে শুধু আলহামদুলিল্লাহ বলে। অভিভাবক ও সাক্ষীরা বরের সম্মতি ধরতে পেরেছে। এক্ষণে বিবাহ শুদ্ধ হয়েছে কি? নাকি পুনরায় বিবাহের প্রয়োজন আছে? - -আলমগীর, কাহারোল, দিনাজপুর।
প্রশ্ন (১৩/৫৩) : জনৈকা হিন্দু মহিলা মুসলিম হয়েছে। তার একজন ভাইও মুসলমান হয়েছে। কিন্তু ভাই বিদেশে থাকে। এক্ষণে এরূপ নওমুসলিম নারীর বিবাহের অভিভাবক কে হবে?
প্রশ্ন (৭/১৬৭) : কারু উপকার করার কারণে ‘জাযাকাল্লাহু খায়রান’ বললে তার উত্তরে কি বলা উচিত? - -মিনহাজুদ্দীন, আশুগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।
প্রশ্ন (৩৯/৩৯৯) : বাহাঈ কারা? এদের মতবাদ সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই। - মুহতাসিন ফুয়াদ, মালিবাগ, ঢাকা।
প্রশ্ন (৩৪/৭৪) : জনৈক ব্যক্তির আমল ও আক্বীদায় স্পষ্ট শিরক ছিল। তিনি তওবা করেছেন কি-না সেটাও আমার জানা নেই। এক্ষণে তার জানাযায় তার জন্য মাগফিরাতের দো‘আ করতে পারব কি?
আরও
আরও
.