উত্তর : কোন বান্দা কি পাপ করবে এবং তার জন্য কি শাস্তি ভোগ করবে এবং কতদিন শাস্তি ভোগ করবে সবই আল্লাহ তা‘আলার জ্ঞানের অন্তর্ভুক্ত। সেকারণ তিনি তাদের ভবিষ্যৎ শাস্তি অগ্রিম প্রদর্শন করাতেও সক্ষম, যা রাসূল (ছাঃ)-কে মি‘রাজ রজনীতে বা বিভিন্ন সময়ে স্বপ্নে দেখানো হয়েছে। তবে সাধারণ মানুষের পক্ষে জান্নাতের সুখ এবং জাহান্নাম ও কবরের শাস্তি তথা অদৃশ্যের বিষয় সমূহ প্রত্যক্ষ করা সম্ভব নয়। অতএব এ বিষয়ে রাসূল (ছাঃ) আমাদেরকে যেভাবে সংবাদ দিয়েছেন সেভাবেই বিশ্বাস করতে হবে, যা ঈমানের অংশ (ওছায়মীন, মাজমূফাতাওয়া ২/৫৩)

প্রশ্নকারী : হাসীবুর রশীদঢাকা।







প্রশ্ন (১৪/৩৭৪) : রাসূল (ছাঃ) জীবনে কতবার ইতেকাফ করেছিলেন? শেষ বছরে কেন তিনি ২০ দিন ইতেকাফ করেন? - -আল-আমীন, মধ্য নওদাপাড়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২/১৬২) : জেনে-শুনে সুদ-ঘুষ গ্রহীতা, মদ বিক্রেতা ইত্যাদি হারাম উপার্জন কারী ব্যক্তিদের অর্থ মসজিদ নির্মাণের জন্য গ্রহণ করা যাবে কি?
প্রশ্ন (২০/২০) : হজ্জব্রত পালনকালে মহিলারা অলংকার ব্যবহার করতে পারবে কি? - -নাসরীন, পুঠিয়া, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৭/৩৪৭) : তাবলীগী নেছাবে বলা হয়েছে, যারা ছালাত আদায় করে না তাদেরকে ১৫ প্রকারের শাস্তি দেওয়া হবে। উক্ত কথার দলীল জানিয়ে বাধিত করবেন।
প্রশ্ন (৩৮/২৩৮) : ফজর ছালাতের সুন্নাত আদায় না করে জামা‘আতে শরীক হওয়া যাবে কি? জনৈক ব্যক্তি বলেছেন সুন্নাত আদায় করে জামা‘আতে শরীক হ’তে হবে। অন্যথা সূর্যোদয়ের পরে সুন্নাত পড়তে হবে। এ বক্তব্য কি সঠিক?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : নতুনভাবে ছালাত শুরু করার ক্ষেত্রে যদি কোন সূরা বা দো‘আ মুখস্থ না থাকে তাহ’লে তার জন্য করণীয় কি?
প্রশ্ন (২৭/৩৮৭) : ছালাতের শেষ তাশাহহুদে যোগদান করলে যেহেতু তা রাক‘আত হিসাবে গণ্য হয় না, সেহেতু তাশাহহুদে পঠিতব্য দো‘আগুলি পাঠ করতে হবে কি? - -রাকীবুল ইসলাম, তানোর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৬/৩৪৬) : ইমাম যখন সালাম ফিরাবে তখন মুছল্লীরা কি তার জবাব দিবে?
প্রশ্ন (৩৬/২৩৬) : ছহীহ বুখারীতে ‘যাব’ নামক প্রাণী খাওয়া হালাল বলা হয়েছে। এর দ্বারা কোন প্রাণী বুঝায়? - -আব্দুর রঊফ, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৩০/৩৯০) : জনৈক ব্যক্তি বলেন, সূরা ইয়াসীনের ২১ নং আয়াত অনুযায়ী বিনিময় নিয়ে ছালাত আদায় করানো ইমামের পিছনে ছালাত হবে না। এ বক্তব্যের কোন সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (১৬/৯৬) : জনৈক আলেম বলেন, সাত প্রকারের ঘুম আছে। যেমন ১. নাওমুল গাফেলীন, ওয়ায মাহফিলে ঘুমানো। ২. নাওমুল আশক্বিয়া, ছালাতের সময় ঘুমানো। ৩. নাওমুল মালঊনীন, ফজরের ছালাতের সময় ঘুমানো। ৪. নাওমুল মু‘আয্যিবীন, ফজরের আযান থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত ঘুমানো। ৫. নাওমুর রাহাহ অর্থ প্রশান্তির ঘুম। এসময়ের স্বপ্ন সত্য হয়। ৬. নাওমুল মারখূছ, মাগরিব ও এশার ছালাতদ্বয়ের পরে ঘুমানো। এসময় ঘুমানোয় কোন দোষ নেই। ৭. নাওমুল হাসরাহ অর্থ ক্ষতির ঘুম। এটি হ’ল জুম‘আর রাতের ঘুম। এমন ভাগাভাগির কোন শারঈ ভিত্তি আছে কি? - -আনছারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও।
প্রশ্ন (১৪/৫৪) : আমরা পাঁচ বোন ও এক ভাই। আববা ও আম্মা জীবিত আছে। আমরা কিছু সম্পত্তি নিয়ে বাকী সম্পত্তি আমার একমাত্র ভাইকে লিখে দিতে চাই। এরূপ করলে কি আমার পিতা-মাতা গুনাহগার হবেন? - -রোকসানা, চারঘাট, রাজশাহী।
আরও
আরও
.