উত্তর : ফরয হজ্জ করার পূর্বে ওমরা করা যাবে। রাসূল (ছাঃ) হজ্জের পূর্বে ওমরা করেছেন (বুখারী হা/১৭৭৪; মিশকাত হা/২৫১৯)। বারা ইবনু আযেব বলেন, রাসূল (ছাঃ) হজ্জের পূর্বে দু‘বার ওমরা করেছেন (বুখারী হা/১৭৮১; মিশকাত হা/২৫১৯)। ইমাম নববী বলেন, হজ্জের পূর্বে ওমরা করা জায়েয। চাই সে পরবর্তীতে হজ্জ করুক বা না করুক (আল-মাজমূ‘ ৭/১৭০)






প্রশ্ন (২০/৬০) : মসজিদের নামে সভা করে তা থেকে আদায়কৃত অর্থ অন্যকোন জনকল্যাণমূলক কাজে বা গোরস্থানের উন্নয়নে ব্যয় করা যাবে কি? - -বেলাল হোসাইনপাঁচরুখী, নারায়ণগঞ্জ।
প্রশ্ন (১৯/৩৩৯) : ইমাম ফখরুদ্দীন রাযী কে ছিলেন? জনৈক বক্তা বলেন, ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) তাকে কাফের ঘোষণা করেছিলেন। এ কথার সত্যতা আছে কি?
প্রশ্ন (৯/৪৯) : আমরা জানি যে, মৃতের পক্ষ থেকে কুরবানী দেওয়া যায় না। এক্ষণে যারা মৃতের পক্ষ থেকে হজ্জে তামাত্তু করবে, তারা কার পক্ষ থেকে কুরবানী করবে? হজ্জের সময় তাদের নাম কিভাবে উল্লেখ করতে হবে? - -আমীনুল ইসলাম, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২৭/২৬৭) : নামের শেষে অনেকে জিহাদী, ইউসুফী, ফারুকী, ছিদ্দীক্বী, আনছারী, কুরায়শী যুক্ত করেন, যা তার মূল নামের অংশ নয়। বিষয়টি কতটুকু শরী‘আতসম্মত? - -আমজাদ হোসাইন, কাটাখালী, পাবনা।
প্রশ্ন (৩৮/১৯৮) : পুত্র সন্তান লাভের জন্য কোন ঝাড়-ফুঁক বা তেল পড়া, পানি পড়া খাওয়া যাবে কি? - -আবুল কালাম, মাকলাহাট, নওগাঁ।
প্রশ্ন (৫/২৮৫) : অন্ধকার ঘরের মধ্যে ছালাত আদায়ে কোন বাধা আছে কি? - খোরশেদ, মক্কা, সঊদী আরব।
প্রশ্ন (৩৮/১১৮) : ব্যবসায়ীকে কোন পণ্য কিনে দেওয়ার বিনিময়ে নির্ধারিত কোন লাভ নেওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২০/৩৮০) : পর্দা রক্ষার্থে কোন নারী তার দুলাভাই বা অন্য কোন গায়ের মাহরাম নিকটাত্মীয়র সাথে মোবাইলে বা সরাসরি কথা না বললে সম্পর্ক বিনষ্টের শামিল হবে কি? - -মুখতারুল ইসলাম, বাঘা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৩১/৩১১) : যোগ্য প্রার্থীকে বাদ দিয়ে কম যোগ্য প্রার্থীকে সুফারিশ করে চাকুরী দিলে এবং সে ঘুষ গ্রহণ করলে সুফারিশকারীর উপর দায়ভার বর্তাবে কি?
প্রশ্ন (২৯/৪৬৯) : জনৈক ব্যক্তির দু’জন স্ত্রী ছিল। এক্ষণে প্রথমা স্ত্রীর ছেলের সাথে দ্বিতীয়া স্ত্রীর নাতনীর বিয়ে দেওয়া যাবে কি? - -শহীদুল ইসলাম, বাগমারা, রাজশাহী।
প্রশ্ন (২০/১০০) : জনৈক আলেম বলেন, রাসূল (ছাঃ) তার সমগ্র জীবনে চারটি ওমরা এবং দু’টি হজ্জ করেছেন। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানতে চাই।
প্রশ্ন (২১/৬১) : আমি ২য় পক্ষ গ্রহীতা। আমার জমি ক্রয়ের প্রয়োজনে নগদ টাকার দরকার হওয়ায় ১ম পক্ষ দাতার কাছ থেকে নগদ ১ লক্ষ টাকা গ্রহণ করি। এর বিপরীতে ১ম পক্ষকে উক্ত টাকার উপর লাভ-লোকসানের ভিত্তিতে মাসিক আনুমানিক ১৫০০/= হারে প্রদান করতে বাধ্য থাকি। বছর শেষে তখনকার সময় জমির হারাহারি মূল্যের উপর লভ্যাংশ বিবেচনা করে চূড়ান্ত লাভ-লোকসান হিসাব করা হবে। উক্ত লভ্যাংশ গ্রহণ করা সূদ হবে কি-না। যদি সূদ হয়, তবে কোন পদ্ধতিতে সূদ হবে না জানিয়ে বাধিত করবেন।
আরও
আরও
.