উত্তর : হতাশা-দুশ্চিন্তা থেকে পরিত্রাণ লাভের জন্য নিম্নোক্ত আমলগুলো করা যেতে পারে। যেমন- ১. আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা রাখা। আল্লাহ বলেন, যে আল্লাহর উপর ভরসা করে, তাঁর জন্য তিনিই যথেষ্ট (তালাক ৬৫/৩)। ২. ছালাত ও ধৈর্যের মাধ্যমে সাহায্য প্রার্থনা করা (বাক্বারাহ ২/৪৫)। ৩. আল্লাহর যিকির করা। আল্লাহ বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহর যিকিরেই অন্তরসমূহ প্রশান্ত হয়’ (রা‘দ ১৩/২৮)। ৪. বিশেষ দো‘আর মাধ্যমে শয়তানের ধোঁকা, প্ররোচনা, হতাশা থেকে বাঁচার চেষ্টা করা। রাসূল (ছাঃ) দো‘আয় বলতেন, আল্ল-হুম্মা ইন্নী আ‘ঊযুবিকা মিনাল হাম্মে ওয়াল হাযানে, ওয়াল ‘আজঝে ওয়াল কাসালে, ওয়াল জুব্নে ওয়াল বুখলে, ওয়া যালা‘ইদ দায়নে ওয়া গালাবাতির রিজা-ল’ (হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকটে আশ্রয় প্রার্থনা করছি দুশ্চিন্তা ও দুঃখ-বেদনা হ’তে, অক্ষমতা ও অলসতা হ’তে, ভীরুতা ও কৃপণতা হ’তে এবং ঋণের বোঝা ও মানুষের যবরদস্তি হ’তে’ (বুখারী হা/২৮৯৩; মিশকাত হা/২৪৫৮)। ৫. তাকদীরে দৃঢ় বিশ্বাস রাখা ও হতাশ না হওয়া। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘তোমার প্রতি যা ঘটেছে, তা তোমার ভুলের জন্য ছিল না; আর যা তোমার ভুলের জন্য হয়েছে, তা তোমার ভাগ্যে ছিল না’ (আবূদাউদ হা/৪৬৯৯; মিশকাত হা/১১৫, সনদ ছহীহ)। ৬. তাহাজ্জুদের সময় ইস্তিগফার ও কেঁদে আল্লাহকে নিজ কষ্টের কথা বলা (যারিআত ৫১/১৮)। ৭. সৎ সঙ্গী ও ভালো পরিবেশ বেছে নেওয়া। কারণ সৎ ব্যক্তির সাহচর্য হতাশাকে দূর করে এবং ঈমানকে জাগ্রত করে। ৮. নিয়মিত কুরআন তিলাওয়াত ও আমল করা। কারণ আল্লাহ বলেন, ‘কুরআন আল্লাহর পক্ষ থেকে শিফা (আরোগ্য) ও রহমত বা দয়া’ (ইসরা ১৭/৮২)। (৯) বেশী বেশী ইবাদতের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা (নাহল ৯৭)। উপরোক্ত আমলগুলো নিয়মিত করলে আশা করা যায় হতাশা দূর হবে ইনশাআল্লাহ।

প্রশ্নকারী : আ‘রাফ, মহাদেবপুর, নওগাঁ।








বিষয়সমূহ: দো‘আ
প্রশ্ন (৭/৪৪৭) : জনৈকা মহিলা ঢাকায় থাকে এবং তার স্বামী রাজশাহীতে চাকুরী করে ও সেখানেই থাকে। মহিলা মাঝে মাঝে স্বামীর কাছে গিয়ে ৩/৪ দিন থাকে। এসময় সে ছালাত ক্বছর করতে পারবে কি?
প্রশ্ন (১০/১০) : বাঁশের বাঁশি বাজানো বা শোনা শরী‘আত সম্মত কি?
প্রশ্ন (২৮/২৮) : অনেক গর্ভবতী মহিলা রাত্রে ঘর হতে বের হওয়ার সময় জিন-ভূতের আছর হতে রক্ষা পাওয়ার জন্য হাতে আগুন, ম্যাচ কিংবা লোহা জাতীয় কোন জিনিষ নিয়ে বের হয়। এটা কি জায়েয?
প্রশ্ন (২৯/১০৯) : জেনে-বুঝে কোন অত্যাচারী ব্যক্তি বা শাসককে সহযোগিতা করা, তাকে শক্তিশালী করা ইসলাম থেকে খারিজ হয়ে যাওয়ার মত পাপ কি?
প্রশ্ন (৩/৮৩) : রাবেয়া বছরী (রাঃ) সম্পর্কে একটি বইয়ে লেখা হয়েছে, তিনি চির কুমারী ছিলেন। হজ্জ পালন করতে গেলে কা‘বা ঘর তাকে সম্মান জানানোর জন্য এগিয়ে আসে। রাতের অন্ধকারে আলোর জন্য শাহাদাত আঙ্গুলে ফুঁক দিলে ঘর আলোকিত হ’ত ইত্যাদি। লেখকের উক্ত দাবী কি সঠিক?
প্রশ্ন (২২/৬২) : জনৈক ব্যক্তি তার ৪ মেয়েকে বঞ্চিত করে সমস্ত সম্পদ ছেলের নামে লিখে দিয়েছেন। মৃত্যুকালে একজন মেয়ে জামাই এ ব্যাপারে তাকে ভীতি প্রদর্শন করলে তিনি ক্রুদ্ধ হন। এক্ষণে এরূপ ভীতি প্রদর্শন জায়েয হয়েছে কি? - -ইয়াসীন আলী, ধুনট, বগুড়া।
প্রশ্ন (১/২৪১) : রাসূল (ছাঃ)-এর কবর কারা খুঁড়েছিলেন?
প্রশ্ন (১৬/৫৬) : সরকারী প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করায় বিভিন্ন বিদ‘আতী অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করতে হয়। এক্ষেত্রে করণীয় কি?
প্রশ্ন (৭/৭) : মসজিদে অনেক সময় মুছল্লী পাওয়া যায় না। দেখা যায়, মুওয়াযযিন আযান দিয়ে একা ছালাত পড়ে সময়ের পূর্বেই বাসায় চলে গেছেন। সেক্ষেত্রে মসজিদে একাই ছালাত আদায় করতে হয়। এভাবে একাকী ছালাত আদায় করলে জামা’আতের নেকী পাওয়া যাবে কি?
প্রশ্ন (২২/৩৮২) : আমার পিতা মারা গেছেন। তার রেখে যাওয়া সম্পত্তির মধ্যে রয়েছে আধা কাঠা জমির উপর তিন তলা বাড়ী এবং ভিন্ন ভিন্ন দামের আরো প্রায় ৩৯ শতাংশ জমি। আমরা ৪ ভাই ৩ বোন, আমার মা এবং দাদী জীবিত আছেন। আমরা ভাই-বোনেরা চাই তিন তলা বাড়ীটি মায়ের নামে দিতে এবং ভাই-বোনেরা কম দাম এবং বেশী দামের জমি মিলিয়ে বণ্টন করে নিতে এবং কম মূল্যের জমি দাদীকে দিতে। আমার এক ভাই ও এক বোন এখনো নাবালক। এইভাবে বণ্টন করলে কি দাদীর সাথে বেইনছাফী করা হবে? অথবা কিভাবে বণ্টন করলে ইনছাফপূর্ণ বন্টন হবে জানালে উপকৃত হব। - -মুহাম্মাদ সাইফুল ইসলাম, ময়মনসিংহ।
প্রশ্ন (১৭/৩৩৭) : আমার দুই ভাগিনী হানাফী মাদরাসায় লেখাপড়া করে। আমি তাদের মাদরাসার মাসিক বেতন দেই। কিন্তু তাদের পিতামাতা আহলেহাদীছ লোকদের ছালাত পসন্দ করে না এবং যে দুই ভাগিনী মাদরাসায় লেখাপড়া করে তারাও পসন্দ করে না। এ ক্ষেত্রে আমার করণীয় কি? আমি যে টাকা দিচ্ছি তাতে তারা যে ভুল জিনিস শিক্ষা নিয়ে ভুল আমল করবে তাতে আমি গোনাহগার হব কি? - -আব্দুল্লাহ, মিরপুর, ঢাকা।
প্রশ্ন (২৩/৩৮৩) : ছালাতে ভুলের কারণে সহো সিজদা দিতে ভুলে গেলে এবং কয়েকদিন পর তা মনে আসলে কেবল সহো সিজদা দিলেই হবে না পুরো ছালাত আদায় করতে হবে? - -মুহাম্মাদ ফাতেহ, মীরপুর, ঢাকা।
আরও
আরও
.