উত্তর : সরকারের যে কোন বৈধ কর্মে সহযোগিতা করায় কোন বাধা নেই। ভ্রান্ত আক্বীদা-বিশ্বাস পোষণ করলে সেজন্য সরকারই দায়ী থাকবে। আল্লাহ বলেন, ‘প্রত্যেকেই স্বীয় অপকর্মের জন্য দায়ী হবে এবং কেউ অন্য কারো (পাপের) ভার বহন করবে না’ (আনআম ৬/১৬৪)। আর নির্বাচন কোন কুফরী কাজ নয়। অতএব এই দায়িত্ব পালন করলে তা কুফরী কাজে সহযোগিতা করা হবে না। এমনকি ‘জনগণই সার্বভৌম ক্ষমতার উৎস’ বলা বা ধারণা করা কুফরী মন্তব্য হ’লেও উক্ত বাক্যের কারণে কোন মুসলমানকে ঢালাওভাবে কাফের বলা যাবে না। তারা ফাসেক হ’তে পারে কিন্তু ইসলামের গন্ডি থেকে বহির্ভূত নয়। সূরা মায়েদাহ ৪৪, ৪৫ ও ৪৭ আয়াতে বর্ণিত কাফের, যালেম ও ফাসেক-এর ব্যাখ্যায় ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর হুকুম অস্বীকারকারী, সে কাফের। আর যে আল্লাহর হুকুমকে স্বীকার করে কিন্তু তা বাস্তবায়ন করে না বা কার্যক্ষেত্রে বিপরীত করে সে যালেম এবং ফাসেক (ফাৎহুল ক্বাদীর ২/৪৫; তাফসীর ইবনু কাছীর)

প্রশ্নকারী : আব্দুল্লাহচাঁপাই নবাবগঞ্জ






বিষয়সমূহ: রাজনীতি
প্রশ্ন (১৭/৫৭) : ছোট ভাই একাই পিতা-মাতার যাবতীয় দেখা-শোনার দায়িত্ব পালন করে। এক্ষণে পিতা-মাতার মৃত্যুর পর ছোট ভাইকে বড় ভাইদের তুলনায় অধিক সম্পদ দেওয়া যাবে কি? - -ছাদ্দাম হোসেন, রংপুর।
প্রশ্ন (১৮/৫৮) : তাহাজ্জুদ ও বিতরের ছালাতে ক্বিরাআত নীরবে না সরবে পাঠ করতে হবে?
প্রশ্ন (৬/৩৬৬) : ত্বাগূত সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে চাই।
প্রশ্ন (৩৫/১৫৫): একজন ইমাম ঈদের দিন ১ ঘন্টার ব্যবধানে একাধিক জামা‘আতে ইমামতি করতে পারে কি? ছাহাবায়ে কেরামের জীবনে এরূপ কোন আমল আছে কি? শরী‘আতে এ ব্যাপারে কোন নির্দেশনা আছে কি?
প্রশ্ন (৮/২৪৮) : জনৈক বক্তা বলেন, কোন ব্যক্তি যদি গোনাহ করে, তাহ’লে গোনাহ লেখক ফেরেশতা ছয় ঘন্টা অপেক্ষা করে। এর মধ্যে যদি সে তওবা করে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে তাহ’লে উক্ত গোনাহ লেখা হয় না। আর তওবা না করলে একটি গোনাহ লেখা হয়। উক্ত বক্তব্যের সত্যতা জানতে চাই। - -জাহিদ হাসান রাজীব, মোহনপুর, রাজশাহী।
প্রশ্ন (৫/২৪৫) : মাদরাসা, মসজিদ প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানের অর্থ ব্যাংকে জমা থাকলে তার যাকাত দিতে হবে কি?
প্রশ্ন (৩৮/২৩৮) : পিতা-মাতা আমাকে সব সম্পদ থেকে বঞ্চিত করে ১৮ বছর আগে আলাদা করে দিয়েছেন। তিন মেয়েকে সব সম্পদ দিয়েছেন। এখন শেষ বয়সে তারা অসহায়। আমার অবস্থার দিকে না দেখে তারা আমার কাছে অনেক সহযোগিতা চান। চাহিদামত দিতে না পারলে কথা বলেন না, রাগ করেন। এক্ষণে আমার করণীয় কি?
প্রশ্ন (১২/১৩২) : আমাদের এলাকায় প্রায় মসজিদের ইমামগণ ছালাত শেষে মুছল্লীদেরকে নিয়ে গোল হয়ে বসেন। বিভিন্ন রকমের দরূদ পড়ে থাকেন। যেমন- বালাগাল উলা, ছাল্লাল্লাহু, ইয়া মুহাম্মাদ, ইয়া রাসূলুল্লাহ, ইয়া হাবীবাল্লাহ ইত্যাদি। এসব দরূদ পড়া কি জায়েয।
প্রশ্ন (৮/২৪৮) : হোটেল বা রেষ্টুরেন্টে ছেলে-মেয়ে একসাথে খাওয়া-দাওয়া কিংবা পার্টি করলে এর জন্য কি মালিকের কোন গুনাহ হবে? এছাড়াও অনেক ক্ষেত্রে আলো-আঁধারীর মাধ্যমে প্রেমিক-প্রেমিকাদের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী করে রাখা হয়। সাধারণ মানুষরা কি এধরনের রেষ্টুরেন্টে খেতে যেতে পারবে? - মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক
প্রশ্ন (৩১/৩১১) : রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) ও ছাহাবায়ে কেরামের কেউ কি কখনো জিনদের সাহায্য গ্রহণ করেছেন এবং জিনদের সহায়তায় কারো চিকিৎসা করেছেন?
প্রশ্ন (১০/৯০) : শায়খুল ইসলাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) সহ অনেক সালাফী বিদ্বানের কবর পাকা দেখা যায়। এগুলো কারা করেছে? - -শিহাবুদ্দীন, শিবগঞ্জ, বগুড়া।
প্রশ্ন (২৮/১৮৮) : ছালাতে কোন কোন সময় চোখ বন্ধ রাখলে মনোযোগ বিঘ্ন হওয়া থেকে বাঁচা যায়। এক্ষণে চোখ বন্ধ রেখে ছালাত আদায় করা যাবে কি?
আরও
আরও
.