উত্তর : অশালীনতা প্রচার এবং দেখার কাজে সহযোগিতা করা যাবে না। যদি এটা করতে বাধ্য করা হয় তাহ’লে উক্ত চাকরী করাও যাবে না। কারণ আল্লাহ তা‘আলা বলেন, ‘তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘনের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করো
উত্তর : কষ্ট অনুপাতে রাতে ভাড়া বেশী নেওয়া যায়। তবে কারো প্রতি যুলুম করা, কারো বিপদের সুযোগ গ্রহণ করা বা অতিরিক্ত ভাড়া প্রদানে বাধ্য করা জায়েয নয়। বরং সমঝোতার ভিত্তিতে ভাড়া নির্ধারিত হবে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা পরস্পরের সম্পদ অন
উত্তর : অমুসলিমদের অনুদানে পরিচালিত প্রতিষ্ঠান বা এনজিওতে চাকুরী করা জায়েয। তবে কয়েকটি বিষয় লক্ষ্য রাখতে হবে, যেমন- (১) এনজিওটির কার্যক্রম যেন শরী‘আত বিরোধী না হয়। যেমন সূদী ঋণ, পরিবার-পরিকল্পনা ইত্যাদি। (২) যে কাজ করা হচ্ছে সে কাজটি যদি ইসলামের
উত্তর : যা খাওয়া হারাম, তা থেকে কোনভাবে লাভবান হওয়াও হারাম। সুতরাং উক্ত সিগারেট নষ্ট করে ফেলতে হবে। তা কাউকে দেয়া যাবে না, তা বিক্রয় করে লাভবানও হওয়া যাবে না। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেছেন, ‘যখন আল্লাহ তা‘আলা কোন বস্ত্ত হারাম করেন, তখন তা বিক্রি করাও
উত্তর : হুবহু এরূপ বর্ণনা কোন প্রসিদ্ধ হাদীছ গ্রন্থে পাওয়া যায় না। তবে ইমাম গাযালীসহ কতিপয় বিদ্বান ‘রাগ, হিংসা ও সম্পদ সম্পর্কে সতর্কতা’ পরিচ্ছেদে এ বিষয়ে আলোচনা করেছেন। তিনি বলেন, ইয়াহ্ইয়া (আঃ) ঈসা (আঃ)-কে বললেন, রাগ করো না। ঈসা (আঃ) বললেন, ‘আম
উত্তর : ডিএক্সএন মূলত MLM বা পিরামিড স্কিম পদ্ধতিতে পরিচালিত প্রতারণা মূলক ব্যবসা। তারা নানা আকর্ষণীয় প্যাকেজ দেখিয়ে সদস্য ভর্তি করে এবং প্রায় বিনা পরিশ্রমে মোটা অংকের লাভের প্রতিশ্রুতি দেয়। এতে ডাউনলাইন সদস্যদের কেনাকাটা থেকে লভ্যাংশ দেয়া হয়। অ
উত্তর : এটা ইসলাম পূর্ববর্তী যুগে ও বর্তমানে অমুসলিমদের মাঝে প্রচলিত অভিবাদন পদ্ধতি, যা ইসলামী শরী‘আত সমর্থন করে না। সেজন্য তা পরিহার করে সালাম আদান-প্রদানের অনুশীলন করতে হবে। একদা আনাস (রাঃ) রাসূল (ছাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদে
উত্তর : ইসলাম এবং রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার প্রয়োজনে গোয়েন্দা বিভাগকে পেশা হিসাবে গ্রহণ করা এবং ছদ্মবেশ ধারণ বা মিথ্যার আশ্রয় নেওয়া জায়েয (ইবনুল ক্বাইয়িম, যাদুল মা‘আদ ৩/৩১০)। উম্মে কুলছূম বিনতে উকবা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে কোন অবস্থ
উত্তর : জিনের সাথে কথা বলা এবং তাদের মাধ্যমে কোন ভালো কাজ করিয়ে নেওয়া জায়েয। তবে হারাম এবং অশ্লীল কাজে তাদের সহযোগিতা নেওয়া বা তাদের বিশ্বাস করা জায়েয নয়। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, এর তিনটি অবস্থা। (১) হারাম কাজে সহযোগিতা : এমন কাজে জিনের স
উত্তর : হুন্ডির মাধ্যমে অবৈধ লেনদেন করা জায়েয নয়। কেননা রাষ্ট্রীয় আইন শরী‘আত বিরোধী না হ’লে তা পালন করা আবশ্যক। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘মুসলমানরা তাদের স্বাক্ষরিত বা করা শর্তসমূহের প্রতি দায়বদ্ধ। যেহেতু কোন চুক্তি বা শর্ত তারা স্বীকৃতভাবে গ্রহণ করেছে
উত্তর : পুরো মাস কাজ করার পরেও যদি আগে বেতন নিলে কম, দেরীতে নিলে বেশী এভাবে চাকরির বেতন নির্ধারণ করা বৈধ নয়। কারণ এতে শ্রমিক পক্ষ যুলুমের শিকার হয়। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা অত্যাচার করো না এবং অত্যাচারিত হয়ো না’ (বাক্বারাহ ২/২৭৯)।প্রশ্নকারী :&nb
উত্তর : রোগমুক্তির জন্য ছাদাক্বা করা সুন্নাতসম্মত, যা রোগমুক্তির কারণ হ’তে পারে। এই ছাদাক্বা যবহের মাধ্যমে হ’তে পারে, আবার সরাসরি নগদ অর্থ দানের মাধ্যমেও হ’তে পারে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘তোমরা তোমাদের রোগীদের চিকিৎসা করো ছাদাকবার মাধ্যমে’&nbs
উত্তর : বর্তমান ফেৎনার যুগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের উন্মুক্ত অঙ্গনে নারীদের সরব বিচরণ গ্রহণযোগ্য নয় এবং নারীদের পর্দার বিধানের শারঈ উদ্দেশ্যের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয় (আহযাব ৩৩/৩৩)। তবে শারঈ সীমারেখা মেনে নিজেকে অন্তরালে রেখে শিক্ষামূলক বা
উত্তর : সঠিক তথ্য প্রদান করে বিবাহের ঘটকালি করা জায়েয। তবে কোন প্রতারণার আশ্রয় নেওয়া বা মিথ্যা তথ্য প্রদান করা যাবে না। আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘনের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করো না।
উত্তর : কোন শর্ত দিয়ে ঋণ প্রদান করলে তা সূদ হিসাবে গণ্য হবে। সুতরাং সময়ের বিপরীতে জরিমানা নির্ধারণ করা যাবে না। যদি ঋণদাতা ঋণগ্রহীতার ওপর এই শর্ত আরোপ করে বা তাকে বাধ্য করে যে, নির্ধারিত সময়ের পরে ঋণ পরিশোধ করলে তাকে একটি নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ ব
উত্তর : প্রথমত নিজের বৈধ অধিকার রক্ষার্থে বাধ্যগত অবস্থায় ঘুষ প্রদান করা যেতে পারে। এক্ষেত্রে ঘুষ গ্রহণকারী পাপী হবে, দাতা পাপী হবে না ইনশাআল্লাহ। ইমাম ইবনু তায়মিয়াহ (রহঃ) বলেন, ‘যদি কেউ অন্য একজনকে উপহার দেয় এই উদ্দেশ্যে যে, সে যেন তার উপর যুলু
উত্তর : যে সকল দেশে ইসলামী আইন চালু নেই এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো বিভিন্ন সংস্থা বা কমিটির মাধ্যমে পরিচালিত হয়, সে সকল প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ শৃংখলার স্বার্থে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িয়ে পড়া শিক্ষার্থীদের আর্থিক জরিমানা করতে পারে। তবে সেটা যেন কারো
উত্তর : প্রশ্নে বর্ণিত অবস্থায় খোলা‘ হয়েছে। খোলা‘ তথা বিবাহ বিচ্ছেদ যা নারীর পক্ষ থেকে হয়, স্বামী থেকে মোহর বা মোহরের অংশবিশেষ ফিরিয়ে দেওয়ার মাধ্যমে (ইবনু কুদামাহ, মুগনী ৮/১৮১)। এক্ষণে স্ত্রী এক ঋতু পর্যন্ত ইদ্দত পালন শেষে অন্যত্র বিবাহ বন্
উত্তর : এই প্রথা সমাজ কর্তৃক স্বীকৃত হ’লে লোকেরা মাছ ধরে খেতে পারে। কারণ সমাজে প্রচলিত পন্থাগুলো শরী‘আত বিরোধী না হ’লে শরী‘আত সেগুলোকে বাতিল করে না। ইবনু আবেদীন বলেন, ‘সামাজিকভাবে স্বীকৃত বিষয় (عرف) শর্তযুক্ত বিষয়ের মতো গণ্য, আর যা প্রচলিত
উত্তর : মেয়ের পৈতৃক সম্পত্তি তার নিজস্ব সম্পদ। এক্ষেত্রে উক্ত সম্পত্তির মালিকানা মেয়েরই। এই অংশ থেকে স্বাভাবিকভাবে বঞ্চিত করা যাবে না, যদি না মেয়ে স্বেচ্ছায় তা ছেড়ে দেয়। এক্ষণে বোনকে লালন-পালন এটি তার প্রতি ভাইদের ইহসান এবং তাদের পক্ষ থেকে এ কাজ
উত্তর : উক্ত প্রথা সঠিক নয়। আক্বীক্বার গোশত পিতা-মাতা, আত্মীয়-স্বজন, গরীম-মিসকীন সকলে খেতে পারে। ইমাম নববী (রহঃ) বলেন, ‘আক্বীক্বার গোশত থেকে নিজে খাওয়া, অন্যের জন্য উপহার দেওয়া ও দরিদ্রদের জন্য ছাদাক্বা করা মুস্তাহাব (আল-মাজমূ‘ ৮/৪২৭)। ইবনু
উত্তর : কেউ কোন পশু কুরবানী করার মানত করলে তা তাকে পালন করতে হবে। অন্যথায় গোনাহ হবে। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘যে ব্যক্তি আল্লাহর আনুগত্যমূলক কোন কাজের মানত করে, সে যেন তা পালন করে; আর যে ব্যক্তি আল্লাহর অবাধ্যতামূলক কোন কাজের মানত করে, সে যেন তা পালন
উত্তর : যদি নিশ্চিতভাবে জানা যায় যে পুরো অর্থ হারাম উৎসের, তাহ’লে ঐ টাকা ঋণ নেওয়া জায়েয নয়। কিন্তু যদি তার আয়ের মধ্যে হালাল ও হারামের সংমিশ্রণ থাকে, তাহ’লে ঋণ গ্রহণ করা জায়েয হবে। শায়খ উছায়মীন (রহঃ) বলেন, ‘যদি কেউ নির্দিষ্টভাবে কোন ব্যক্তির সম্প
উত্তর : উক্ত পদ্ধতিতে ব্যবসা করা জায়েয হবে না। কারণ এতে এমন পণ্য বিক্রয় করা হচ্ছে, যা নিজের মালিকানায় নেই। ব্যবসার ক্ষেত্রে যরূরী শর্ত হচ্ছে- (১) মালিকানা এমনভাবে সাব্যস্ত হওয়া, যাতে কোন প্রকার ধোঁকা, প্রতারণা, অপকৌশল না থাকে। (২) পণ্য হস্তগত হও
উত্তর : গরম পানি আগুন নয়। এটি আগুনের মতো হুবহু শাস্তির মাধ্যমও নয়। বরং এটি একটি তরল উপাদান, যা সাধারণত পরিচ্ছন্নতা, জীবাণু ধ্বংস বা কীটনাশক হিসাবে ব্যবহৃত হয়। গরম পানি বা কীটনাশক দিয়ে পোকা মারলে আগুনে পোড়ানো বলা হয় না। বরং এটি পোকামাকড় ধ্বংস করা
উত্তর : এভাবে অফিসের গোপন দরদামের তথ্য কাউকে জানিয়ে কাজ পাইয়ে দেওয়া এবং তার বিনিময়ে ব্যক্তিগত অর্থ গ্রহণ করা বৈধ নয়। কারণ এতে একাধিক গুনাহ রয়েছে। যেমন- আমানতের খেয়ানত, ঘুষ গ্রহণ এবং অপরের অধিকার হরণ। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘সরকারী বা দায়িত্বশীল কর্মচ
উত্তর : কয়েকটি শর্ত পূরণ সাপেক্ষে তা বাই‘য়ে সালাম এর আওতায় পড়বে। ১. মূল্য অগ্রিম পরিশোধ করতে হবে। অর্ডারের সময় সম্পূর্ণ মূল্য পরিশোধ করা আবশ্যক। পরবর্তী সময়ে কিস্তিতে দেওয়া হ’লে এটি সালাম হবে না। অথবা পণ্য হাতে পাওয়ার সাথে সাথে মূল্য পরিশোধ করতে
উত্তর : জনকল্যাণে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার করায় দোষ নেই। কিন্তু এআই প্রযুক্তি দিয়ে কোন আলেম, বক্তা বা সম্মানিত ব্যক্তি যিনি তা বলেননি তার কণ্ঠস্বর বা চেহারা নকল করে মিথ্যা বক্তব্য বানানো এবং তা ছড়ানো হারাম। কেননা এর মধ্যে রয়েছে ধোঁকা, মিথ্যাচার
উত্তর : ঔষধের প্রচারের জন্য স্যাম্পল প্রদানে এবং গ্রহণে কোন দোষ নেই। কারণ ঔষধ প্রচারের জন্য এটা প্রয়োজন। কিন্তু স্যাম্পল ব্যতীত উপহারের নামে বিভিন্ন দ্রব্যাদি প্রদান করা এবং গ্রহণ করা ঘুষের অন্তর্ভুক্ত হবে। কারণ অধিকাংশ ক্ষেত্রে ভালো-মন্দ নির্বি
উত্তর : এটা করা যাবে না। কারণ মুসজিদে গিয়ে খুৎবা শ্রবণ করায় নেকী আছে। কিন্তু বাড়ীতে মোবাইলে খুৎবা শ্রবণ করায় জামা‘আতের নেকী নেই। অতএব যত তাড়াতাড়ি সম্ভব গোসল করে সুগন্ধি মেখে সকাল সকাল মসজিদে গিয়ে নফল ইবাদতে নিজেকে নিয়োজিত করবে। যেমন দুই দুই রাক‘
উত্তর : এমন চুক্তি, যেখানে প্রকল্প শেষ করার সময় অনুযায়ী লভ্যাংশের পরিমাণ নির্ধারিত হয় (যেমন এক বছরে অর্ধেক, দুই বছরে এক-তৃতীয়াংশ, পাঁচ বছর পরে কিছুই না) তা শরী‘আতে বৈধ নয়। কারণ এতে অনিশ্চয়তা ও অনির্ধারিত শর্ত রয়েছে, যা মুশারাকা বা মুযারাবার চুক্
উত্তর : শূকরের গোশত ক্রয়-বিক্রয় বা প্যাকেটজাত করা নাজায়েয। তা মুসলমানদের জন্য করা হৌক বা কাফেরদের জন্য হোক। কারণ এতে পাপের কাজে সহযোগিতা করা হয়। আর আল্লাহ পাপ ও সীমালংঘনের কাজে সহযোগিতা করতে নিষেধ করেছেন (মায়েদাহ ৫/২)। আল্লাহ বলেন, ‘বল (হে
উত্তর: সান্ডা ও গুইসাপ এক জাতীয় প্রাণী নয়। সান্ডার আরবী প্রতি শব্দ যবব, যা তৃণভোজী এবং মরুভূমিতে বসবাস করে। ইবনু আববাস (রাঃ) বলেন, খালিদ ইবনু ওয়ালিদ (রাঃ) তাঁকে বলেছেন, তিনি একবার রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-এর সঙ্গে উম্মুল মুমিনীন মায়মূনা (রাঃ)-এর ঘ
উত্তর : এসময় সহবাস জায়েয। তবে শুধুমাত্র সহবাসের উদ্দেশ্যে হায়েয বন্ধ করা উচিৎ নয়। কারণ এতে একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে বাধাগ্রস্ত করা হয় এবং সন্তান ধারণেও বাধার সৃষ্টি করে। অতএব এমনটি না করাই উত্তম। তবে যদি কোন নারী হজ্জ বা রামাযান মাসে ছিয়াম রাখ
উত্তর : যেকোন হালাল পদ্ধতিতে চিকিৎসা করা যায়। শরীরে ট্যাটু অংকনের উদ্দেশ্য ছাড়া এমনিতে ত্বকের কালার ফিরিয়ে আনার উদ্দেশ্যে অনুরূপ কোন ব্যবস্থা নেয়া যাবে। তবে তা যেন কোন ধর্মের সাদৃশ্য না হয় তা নিশ্চিত করতে হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘নিশ্চয়ই আল
উত্তর : যদি তারা অশালীন আচরণ করে অশ্লীলতা ছড়ায়, তাহ’লে তাদেরকে সহযোগিতা করা যাবে না। কারণ এতে পাপের কাজে সহায়তা করা হবে, যা নিষিদ্ধ (মায়েদাহ ৫/২)। তবে সাধারণ হিজড়া যারা অশ্লীলতা ছড়ায় না বা চাঁদাবাজি করে না তাদেরকে সাহায্য করা যাবে এবং নিয়ত
উত্তর : শিক্ষার্থী বা শিক্ষার্থীর অভিভাবকের সম্মতি থাকলে শিক্ষকের জন্য উক্ত টাকা নেয়া জায়েয হবে নইলে নয়। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, মুসলিমগণ পরস্পরের মধ্যে যে শর্ত করবে, তা অবশ্যই পালন করবে। কিন্তু যে শর্ত ও চুক্তি হালালকে হারাম এবং হারামকে হা
উত্তর : সন্তানের প্রতি খরচ করা পিতার দায়িত্ব। আর শিক্ষা ক্ষেত্রে খরচে তারতম্য হ’তে পারে, যা অন্যায় নয়। যেমন কোন সন্তান ভাল কোন প্রতিষ্ঠানে পড়ার সুযোগ পেলে তার জন্য অধিক খরচ করার প্রয়োজন হয় ঐ সন্তান থেকে, যে সাধারণ কোন বিশ্ববিদ্যায়ে পড়াশুনা করে।
উত্তর : উক্ত মর্মে বর্ণিত হাদীছটির সনদ ‘হাসান’ (মাজমা‘উয যাওয়ায়েদ হা/১৭৫৯৮; ছহীহুল জামে‘ হা/৬০২৬)। অতএব আমাদের প্রত্যেকের উচিত অপর মুসলিম ভাইয়ের জন্য মাগফিরাতের দো‘আ করা। আব্দুল্লাহ ইবনু সারজিস বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (ছাঃ)-কে দেখেছি এবং তাঁর
উত্তর : অমুসলিমদের প্রদত্ত ইফতার খাওয়া জায়েয। রাসূল (ছাঃ) অমুসলিমদের দাওয়াত খেয়েছেন এবং তাদের উপহার গ্রহণ করেছেন (বুখারী হা/২৬১৫-১৮, ‘মুশরিকদের নিকট থেকে হাদিয়া গ্রহণ’ অনুচ্ছেদ, আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৫৯৩১)। তবে তাদের যবহ কৃত পশুর গোশত খাওয়া যা
উত্তর : এক্ষেত্রে মূলনীতি হ’ল যে প্রাণীর গোশত হালাল সে প্রাণীর বিষ্ঠা কাপড়ে লাগলে কাপড় অপবিত্র হবে না। কাপড়ে বিষ্ঠা লাগা অবস্থায় ছালাত আদায় করলেও ছালাত হয়ে যাবে। তবে ছালাতের পূর্বে দৃষ্টিগোচর হ’লে ধুয়ে ফেলবে বা মুছে ফেলবে। আর যে সকল প্রাণীর গোশত
উত্তর : প্রাপ্ত বয়স্ক ভাই-বোন ও মা-ছেলে এক বিছানায় শুতে পারবে না। এমনকি একই ঘরে একাকী বোন বা মায়ের সাথে আলাদা বিছানায় ঘুমানো যাবে না। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘যখন তোমাদের সন্তানদের বয়স সাত বছর হবে তখন তোমরা তাদেরকে ছালাতের আদেশ দাও। আর যখন
উত্তর : পিতার জীবদ্দশায় পিতাই হবেন মেয়ের অভিভাবক। নারী উপযুক্ত পাত্র খুঁজে নিতে পারে, কিন্তু বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হ’তে পিতার অভিভাবকত্ব যরূরী। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘ওলী ছাড়া বিবাহ সিদ্ধ নয়’ (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৩১৩০, সনদ ছহীহ)। ত
উত্তর : জায়েয নয়। কারণ মায়ের দ্বিতীয় স্বামী উক্ত নারীর মাহরাম নয়। অতএব তার সাথে পূর্ণ পর্দা রক্ষা করে চলতে হবে (নিসা ৪/২৩-২৪; নূর ২৪/৩১; ফাতাওয়া লাজনা দায়েমাহ ১৭/৪৪৫)।প্রশ্নকারী : নাঈমুল ইসলাম, ঢাকা।
উত্তর : মুসলমানদের জন্য শূকর পালন করা বা শূকর পালনে সহায়তা করা জায়েয নয়। কারণ শূকর জন্মগতভাবে হারাম। আর এই হারাম প্রাণী পালন করা বা পালনে সহায়তা করা জায়েয নয় (ইবনু হাজার, ফাৎহুল বারী ৬/৪৯১; আল-মাওসূ‘আতুল ফিক্বহিয়াহ ৩৫/১২৩)।প্রশ্নকারী : 
উত্তর : পূজাকে কেন্দ্র করে ছাগল বিক্রয় করা যাবে না। কারণ এ সময় তা হিন্দুরা কিনে মূর্তির নামে উৎসর্গ করে থাকে। আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা সৎকর্ম ও আল্লাহভীতির কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা কর এবং পাপ ও সীমালংঘনের কাজে পরস্পরকে সহযোগিতা করো না’...। ‘তোমাদের উপর
উত্তর : যখন আর্থিক সক্ষমতা আসবে তখনই আক্বীক্বা করবে। কারণ রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) বলেন, ‘বাচ্চা আক্বীক্বার সাথে বন্ধক থাকে। তার পক্ষ থেকে সপ্তম দিনে আক্বীক্বা করতে হবে, নাম রাখতে হবে এবং মাথা মুন্ডন করতে হবে’ (আবুদাঊদ, মিশকাত হা/৪১৫৩ ‘আক্বীক্বা’
উত্তর: কয়েকটি শর্তসাপেক্ষে উক্ত পণ্য ক্রয়-বিক্রয় করা জায়েয। ১. পণ্যের মূল্য বাজারদর অপেক্ষা বেশী হওয়া যাবে না। ২. কেবল পুরস্কার পাওয়ার উদ্দেশ্যে পণ্য ক্রয় করা যাবে না। ৩. অন্য ব্যবসায়ীদের ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্য থাকা যাবে না। উক্ত তিনটি বিষয়ের
উত্তর : সাধারণভাবে এমন সন্তানকে ছেলে হিসাবে পরিচয় দিতে পারে। তবে ব্যাখ্যার প্রয়োজন হ’লে বিষয়টি স্পষ্ট করে দিবে। কারণ অন্যের সন্তানকে নিজ সন্তান হিসাবে পরিচয় দেয়া প্রতারণার শামিল। আর আল্লাহ তা‘আলা বলেন, তোমাদের পোষ্যপুত্রদেরকে তোমাদের ‘পুত্র’ করে
উত্তর : অনুরূপ বর্ণনা ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব ও আব্দুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হয়েছে। ওমর ইবনুল খাত্ত্বাব (রাঃ) বলেছেন, ইমাম চারটি বিষয় নিঃশব্দে পড়বে। আঊযুবিল্লাহ, বিসমিল্লাহ, আমীন ও রববানা লাকাল হামদ (ইবনু হযম, মুহাল্লা ২/২৯৪)। বর্ণনা
উত্তর : মেয়েদের থেকে জমিসহ বাড়ি ফিরিয়ে নিয়ে তা চিকিৎসায় ব্যয় করা যাবে। কারণ অন্য মানুষকে দান করার পর তা ফিরিয়ে নেওয়া হারাম হলেও সন্তানকে দান করা সম্পদ পিতা-মাতা ফিরিয়ে নিতে পারেন। রাসূল (ছাঃ) বলেন, ‘কারো জন্য এটা বৈধ নয় যে, সে কাউকে দান করে তা ফ
উত্তর : এগুলো সাধারণ খাদ্য। আর সাধারণ খাদ্য বিক্রয় করা দোষণীয় নয়। তবে শরীরের জন্য অতিরিক্ত ক্ষতিকর প্রমাণিত হ’লে উক্ত পণ্য বিক্রয় করা যাবে না। আল্লাহ বলেন, ‘হে বিশ্বাসীগণ! আমরা তোমাদের যে রূযী দান করেছি, সেখান থেকে হালাল ও পবিত্র বস্ত্ত সমূহ ভক্
উত্তর : মুখের যে অবাঞ্ছিত লোমের কারণে নারীকে অসুন্দর দেখায় তা তুলে ফেলাতে কোন দোষ নেই। কারণ এগুলোর ব্যাপারে ইসলাম কোন বিধি-নিষেধ আরোপ করেনি। অবশ্য ভ্রূ কোনভাবেই তুলে ফেলা যাবে না। কারণ এ ব্যাপারে স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা রয়েছে (মুসলিম হা/২১২৫; ছহী
উত্তর : এটি জায়েয হবে না। বরং ঘুষ হিসাবে গণ্য হবে। রাসূলুল্লাহ (ছাঃ) এরশাদ করেন, ‘যাকে আমরা কোন দায়িত্বে নিয়োগ করি আমরা তার রুযীর ব্যবস্থা করে থাকি’ (আবূদাঊদ হা/৩৫৮৮; মিশকত হা/৩৭৪৮; ছহীহুল জামে‘ হা/৬০২৩)। তবে নিয়োগকারী ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান
উত্তর : দাড়ি রাখা ওয়াজিব। কোন অবস্থাতে দাড়ি কাটা যাবে না। এক্ষণে কোন প্রতিষ্ঠান যদি দাড়ি রাখা নিষিদ্ধ করে তাহ’লে ইসলামের বিধান অমান্য করে সে প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করা যাবে না। ওমর বিন আব্দুল আযীয (রহঃ) বলতেন, ‘দাড়ি মুন্ডন করা অঙ্গহানি করার শামিল। আ